SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শয়তান%' OR titleBn LIKE '%শয়তান%' OR descriptionEn LIKE '%শয়তান%' OR descriptionBn LIKE '%শয়তান%' OR slug LIKE '%শয়তান%' OR metaTag LIKE '%শয়তান%' OR metaDescription LIKE '%শয়তান%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
৩২। কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি উভয়ের মধ্যে নিজের খায়ের বরকত জানবে।
উল্লেখ্য যে, কামিল শায়েখ উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্য শয়তানী ওয়াসওয়াসা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু সেদিকে ধাবিত হওয়া যাবে না। বরং সর্বদা কামিল শায়েখ উনার সন্তুষ্টি তালাশের কোশেশে লিপ্ত থাকতে হবে।
মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি-রেজামন্দি মুবারক হাছিলের বুনিয়াদ বা ভিত্তি হচ্ছে- “স্বীয় মুর বাকি অংশ পড়ুন...
ঘুমানোর পূর্বে আগুন/বাতি নিভিয়ে দেওয়া আবশ্যকঃ
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ خَمِّرُوا الْآنِيَةَ وَأَوْكُوا الْأَسْقِيَةَ وَأَجِيفُوا الْأَبْوَابَ وَاكْفِتُوا صِبْيَانَكُمْ عِنْدَ الْمَسَاءِ فَإِن للجن انتشارا أَو خطْفَة وَأَطْفِئُوا الْمَصَابِيحَ عِنْدَ الرُّقَادِ فَإِنَّ الْفُوَيْسِقَةَ رُبَّمَا اجْتَرَّتْ الفتيلة فأحرقت أهل الْبَيْت
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, পাত্রসমূহ ঢেকে রাখো। মশকগুলোর মুখ বেঁধে রাখো। কেননা এ সময় জিনেরা ছড়িয়ে পড়ে এবং ছিনিয়ে নেয়। আর তোমরা শয়নকালে বাতিগুলো নিভিয়ে দাও। কেননা দু বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খাবারের পাত্র ঢেকে রাখার মহাসম্মানিত আদেশ মুবারক দিয়েছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে -
غَطُّوا الإِنَاءَ وَأَوْكُوا السِّقَاءَ فَإِنَّ فِى السَّنَةِ لَيْلَةً يَنْزِلُ فِيهَا وَبَاءٌ لاَ يَمُرُّ بِإِنَاءٍ لَيْسَ عَلَيْهِ غِطَاءٌ أَوْ سِقَاءٍ لَيْسَ عَلَيْهِ وِكَاءٌ إِلاَّ نَزَلَ فِيهِ مِنْ ذَلِكَ الْوَبَاءِ.
অর্থ: “তোমরা পাত্র ঢেকে রাখো এবং পান পাত্রের মুখ বন্ধ করে রাখো। কেননা বছরে এমন একটি রাত রয়েছে, যাতে বিভিন্ন প্রকার রেসূ ও মহামারি অবতরণ করে। সেই রেসূ বা মহামারি যখনই কোন ঢাকনা বিহীন পাত্রের কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার সনদের পরিচিতি:
ক্রিমিনোলজি (অপরাধ বিজ্ঞান) এর আলোকে, মানুষ মূলত একটি জটিল সত্তা যার আচরণ বিভিন্ন কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়।
ক্রিমিনোলজির প্রধান কথা হলো কিছু মানুষের মধ্যে আগ্রাসী বা আত্মনিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা দেখা যেতে পারে, যা তাদের অপরাধ করার প্রবণতাকে বাড়িয়ে তোলে।
অথচ মানবাধিকার সনদে এই আত্মনিয়ন্ত্রণ বা নফস নিয়ন্ত্রণের এবং শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে বেঁচে থাকার কোনো কথা, সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা বা আলোচনা নেই।
বরং ইহুদীসংঘের তথাকথিত সনদ অনুযায়ী নফস ও শয়তানের খেয়াল খুশি মত চলা এবং চলতে দেয়া অর্থাৎ পবি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর যিকির থেকে গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
كُلُّ مَالٍ نَحَلْتُهُ عَبْدًا حَلاَلٌ وَإِنِّى خَلَقْتُ عِبَادِى حُنَفَاءَ كُلَّهُمْ وَإِنَّهُمْ أَتَتْهُمُ الشَّيَاطِينُ فَاجْتَالَتْهُمْ عَن دِينِهِمْ وَحَرَّمَتْ عَلَيْهِمْ مَا أَحْلَلْتُ لَهُمْ وَأَمَرَتْهُمْ أَنْ يُشْرِكُوا بِى مَا لَمْ أُنْزِلْ بِهِ سُلْطَانًا
অর্থ: প্রত্যেক সেই সম্পদ যা আমি কোন বান্দাকে দান করেছি, তা তার জন্য হালাল। (সে নিজে তা হারাম করতে পারে না।) নিশ্চয়ই আমি আমার সকল বান্দাদেরকে একনিষ্ঠরূপে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদের নিকট শয়তানরা এসে তাদেরকে তাদের দ্বীন হতে পথভ্রষ্ট করেছে। তাদের জন্য তা হারাম করেছে, যা আমি তা বাকি অংশ পড়ুন...
বিছাল শরীফ:
হযরত আছবাগ বিন নুবাতাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি একজন তাবেঈ এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার ছাত্রদের একজন ছিলেন, তিনি বর্ণনা করেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সাথে ছিফফীনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। যুদ্ধের প্রাক্কালে তিনি ঘোষণা করলেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হয়ে কে কে আমার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবে? অতঃপর ৯৯ জন লোক উনার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেন। অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম বললেন বাকি অংশ পড়ুন...












