SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শরীফ:%' OR titleBn LIKE '%শরীফ:%' OR descriptionEn LIKE '%শরীফ:%' OR descriptionBn LIKE '%শরীফ:%' OR slug LIKE '%শরীফ:%' OR metaTag LIKE '%শরীফ:%' OR metaDescription LIKE '%শরীফ:%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র জান্নাতে দুধের নহরের বর্ণনায় “লাবান” শব্দটি উল্লেখ রয়েছে-
مَثَلُ الْجَـنَّةِ الَّتِىْ وُعِدَ الْمُتَّقُوْنَؕ فِيْهَاۤ اَنْهٰرٌ مِّنْ مَّآءٍ غَيْرِ اٰسِنٍ ۚ وَاَنْهٰرٌ مِّنْ لَّبَنٍ لَّمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمُهٗ.
অর্থ: “মুত্তাক্বী বান্দাদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যার স্বাদ অপরিবর্তনীয়।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মুহম্মদ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ নং ১৫)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَإِنَّ لَكُمْ فِى ٱلْأَنْعَٰمِ لَعِبْرَةً ۖ نُّسْقِيكُم Ù বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُونُوا رَبَّانِيِّينَ.
অর্থ: তোমরা সকলেই আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও। (সূরা আলে ইমরান শরীফ: আয়াত শরীফ: ৭৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিন মুবারকসমূহ উনাদের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও শুকুরগুজার বান্দা-বান্দী, উম্মত উনাদের জন্য সম্মানিত আয়াত শরীফ অর্থাৎ নিদর্শন মুবারক, উপদেশ মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফাত, নিসবত-কুরবত মুবারক, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক নিহিত রà§ বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা জানি, “ভাই” শব্দটি মুহব্বত ও সম্মানসূচক একটি শব্দ, এটি মুসলিম ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা এমনকি মুসলিম পরিচিতদের মধ্যে সম্বোধন হয়ে থাকে।
আর কাফের-মুশরিকরা তো মুসলমানদের মুহব্বতের ব্যক্তিদের কেউ না। তাহলে আমরা কেন তাদেরকে ভাই বলে সম্বোধন করবো?
প্রথমত: বংশীয় ভাই। সাধারণভাবে বংশীয় ভাইকে ভাই বলে সম্বোধন করি,
অমুসলিম কখনো মুসলমানদের বংশীয় ভাই হতে পারে না। কারণ কেউ যদি অমুসলিম হয়ে যায় তাহলে তার বংশ বাতিল হয়ে যায়।
যেমন: মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ يَا نُوحُ إِنَّهُ لَيْسَ مِنْ أَهْلِكَ ۖ إِنَّهُ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ .صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ
অর্থাৎ: আয় মহান আল্লাহ পাক! আমাদেরকে সরল সঠিক পথ দান করুন। সেই পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত মুবারক দান করেছেন। (পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ)
অত্র আলোচনা থেকে প্রমাণিত হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইত্তেবা করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ফরজে আইন। আর উনার সম্মানার্থে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম এবং হযরত ছিদ্দীকীন, শুহাদা, ছলিহীন তথা হযরত ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাà বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আরো বলেন, তারপর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের ডেকচির নিকট গিয়ে তাতেও উনার মহাসম্মানিত নূরুল বারাকাত মুবারক (থুথু মুবারক) বর্ষণ করলেন এবং বরকতের জন্য দোয়া মুবারক করলেন। আর তিনি (আমার আহলিয়াকে) বললেন, একজন মহিলা ডাকুন; সে আপনার সাথে রুটি মুবারক তৈরী করুক এবং আপনার ডেকচি থেকে (গোশত মুবারক) পাত্রে দিতে থাকুন, কিন্তু চুলা থেকে তা নামাবেন না।
হà বাকি অংশ পড়ুন...
(৪৩২)
قَوْله تَعَالى: {فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ}: قَالَ عُلَمَاؤُنَا: رُدُّوهُ إلى كِتَابِ اللهِ، فَإِذَا لَمْ تَجِدُوهُ فَإِلى سُنَّةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِنْ لَمْ تَجِدُوهُ فَكَمَا قَالَ عَلِيٌّ عليه السلام: مَا عِنْدَنَا إلَّا مَا فِي كِتَابِ اللهِ تَعَالى أَوْ مَا فِي هذِهِ الصَّحِيفَةِ أَوْ فَهْم أُوتِيهِ رَجُل مُسْلِم، وَكَمَا "قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِمُعَاذٍ رضى الله عنه: بِمَ تَحْكُمُ قَالَ بِكِتَابِ الله قَالَ فَإِنْ لَمْ تَجِدْ قَالَ بِسُنَّةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَإِنْ لَمْ تَجِدْ قَالَ أَجْتَهِدُ رَأْيِي وَلَا آلُو قَالَ الْحَمْدُ لله الَّذِي وَفَّقَ رَسُولَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم".
অর্থ: মহঠবাকি অংশ পড়ুন...
রঈসুল মুফাসসিরীন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, একদিন আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাওয়ারির পিছনে বসা ছিলাম। তখন তিনি আমাকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করলেন- হে প্রিয় বৎস! মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ নিষেধসমূহ যথাযথভাবে মেনে চলবেন, তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনিই আপনাকে হিফাযত (সংরক্ষণ) করবেন। মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব আদায় করবেন তাহলে আপনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে সবসময় সামনে পাবেন। যখন কোনকিছুর প্রয়োজন দেখা দেবে, তখন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটেই চাইবেনà বাকি অংশ পড়ুন...












