মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَحْسَبَنَّ الَّذِيْنَ قُتِلَوْا فِىْ سَبِيْلِ اللهِ اَمْوَاتًا بَلْ اَحْيَاءٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ يَرْزُقُوْنَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় যারা শহীদ হয়েছেন উনাদেরকে মৃত (বলা তো দূরের কথা) ধারণাও তোমরা করো না। বরং উনারা জীবিত এবং উনাদের খ¦লিক মালিক রব তায়ালা উনার তরফ থেকে উনারা রিযিকপ্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِيْ فَإِنَّ لَه مَعِيشَةً ضَنْكًا وَّنَحْشُرُه يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمٰی قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِي أَعْمٰی وَقَدْ كُنْتُ بَصِيرًا قَالَ كَذٰلِكَ أَتَتْكَ اٰيَاتُنَا فَنَسِيتَهَا ۖ وَكَذٰلِكَ الْيَوْمَ تُنْسٰى
অর্থ: আর যে আমার যিকির তথা নিদর্শন মুবারক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে তার দুনিয়াবী জিন্দেগী সংকীর্ণ হয়ে যাবে এবং কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তি অন্ধ হয়ে উঠবে। তখন সে বলবে আয় আমাদের রব তায়ালা! আমাকে কেন অন্ধ করে উঠানো হলো? আমিতো চক্ষুষ্মান ছিলাম, আমারতো দৃষ্টিশক্তি ছিলো??? তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে বলবে বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “যমীনে সর্বদাই কিছু ওলীআল্লাহ, গাউছ, কুতুব থাকেন; উনাদের উসীলায় মানুষ বৃষ্টি, রহমত ও রিযিক লাভ করে থাকে।” প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসী বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ছওয়াব রেসানী করার নিয়ম :
(১) পবিত্র ইস্তিগফার শরীফ তিনবার-
اَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ رَبِّ مِنْ كُلِّ ذَنْبٍ وَّاَتُوْبُ إِلَيْهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيْمِ.
(২) পবিত্র আউযুবিল্লাহ শরীফ ও পবিত্র বিস্মিল্লাহ শরীফসহ পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ (আল্হামদু শরীফ) একবার।
(৩) পবিত্র বিস্মিল্লাহ শরীফসহ পবিত্র সূরা ইখলাছ শরীফ (কুল হুওয়াল্লাহ শরীফ) তিনবার।
(৪) পবিত্র ইশা’র নামায উনার পরে তরীক্বার যে পবিত্র দুরূদ শরীফ পড়া হয়, সেই পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঁচবার; তা জানা না থাকলে মহাসম্মানিত দুরূদ শরীফ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ পাঁচবার পড়ে মুনাজাত করবে বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো কয়েকখানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করলেন উনাদের খুছূছিয়াত মুবারক বর্ণনা করার জন্য। এরপরে নাযিল করেছেন পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ উনার বাকি পবিত্র আয়াত শরীফগুলো। এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا نِسَاء النَّبِيِّ مَنْ يَّأْتِ مِنْكُنَّ بِفَاحِشَةٍ مُّبَيِّنَةٍ يُّضَاعَفْ لَهَا الْعَذَابُ ضِعْفَيْنِ وَكَانَ ذٰلِكَ عَلَى اللهِ يَسِيرًا
এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের শান মুবারক বর্ণনা করার জন্য আবার বলে দিচ্ছেন-
يَا نِسَاء النَّبِيِّ مَن বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মুবাশশিরাও ওয়া নাযীরা, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিয়্যীন, হায়াতুন নবী, শাহিদুন্ নবী, মুত্বালা’ আলাল গইব, রউফুর রহীম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নসবনামাহ মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে একশ্রেণীর দ্বীন ইসলামবিদ্বেষী জাহেলরা সম্মানিত মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে উদ্দেশ্য করে অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, যারা সম্মানিত শরঈ ইলম হাছীলের জন্য পড়ালেখা করছে তাদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
মূলত এরা এই প্রপাগান্ডা চালানোর মধ্য দিয়ে মুসলমানদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে এই বিশ্বাসই ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে যে, সম্মানিত শরঈ ইলম হাছীল করতে গেলে রিযিকের সঙ্কটে পড়তে হবে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু এই পাপিষ্ঠ জাহেলরা জানেনা, যারা হাক্বীকীভাবে ইলম হাছীল করার উদ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সঙ্গে পবিত্র যাকাত উনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রোযা হচ্ছে দেহের জন্য পবিত্র যাকাতস্বরূপ। সম্পদের যেরূপ পবিত্র যাকাতের হুকুম রয়েছে, তদ্রƒপ শরীরের পবিত্র যাকাত হিসেবে রোযাকে গণ্ বাকি অংশ পড়ুন...












