SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মেসওয়াক%' OR titleBn LIKE '%মেসওয়াক%' OR descriptionEn LIKE '%মেসওয়াক%' OR descriptionBn LIKE '%মেসওয়াক%' OR slug LIKE '%মেসওয়াক%' OR metaTag LIKE '%মেসওয়াক%' OR metaDescription LIKE '%মেসওয়াক%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের মুহব্বত-মা’রিফত মুবারক, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের প্রধান ও একমাত্র মহান মাধ্যম হচ্ছেন মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা। সুবহানাল্লাহ!
আর আমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। উম্মতের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- সর্বাবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
শিশুদের প্রথম দাঁত উঠার সময়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ভাবতে পারেন প্রথম যে দাঁত উঠে সেগুলো তো কিছুদিন পরে পড়ে যায়, তাহলে এতো যতœ নেয়ার প্রয়োজন কি? এসময় দাঁতের যত্ন অবহেলা করলে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। শুধু তাই নয়, প্রথম উঠা দাঁতগুলো যদি দ্রুত পড়ে যায়, তবে প্রাপ্ত বয়সে দাঁত পুনরায় উঠার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে এবং শিশুর কথা বলার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই দাঁত উঠার আগে থেকেই শিশুর মুখ ও ভবিষ্যৎ দাঁতের ক্ষেত্রে যতœবান হতে হবে।
১) শিশুর বয়স যখন ০-৬ মাস:
শিশুদের দাঁত উঠার প্রাথমিক সময়সীমা হচ্ছে ০-১২ মাস বা শিশুর জন্মের ১ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُحِبُّ التَّيَمُّنَ مَا اسْتَطَاعَ فِي شَأْنِهِ كُلِّهِ فِي طُهُورِهِ وَتَرَجُّلِهِ وَتَنَعُّلِهِ.
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত কাজ ডানদিক হতে আরম্ভ করা পছন্দ মুবারক করতেন। ত্বহারাত অর্জন অর্থাৎ ত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মুসলমানদের প্রথম কিবলার দেশ ফিলিস্তিন। বহু নবী-রাসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের আগমণ স্থান এই ফিলিস্তিন। এখানকার মানুষ রমজানকে বরণ করে নেন একটু অন্যভাবে। রমজানকে স্বাগত জানান আলোকময় করে। সাজিয়ে তোলেন নিজেদের ঘর, মসজিদ ও অফিস-আদালত। ফিলিস্তিনের অঞ্চলভেদে নানা রকমের ঐতিহ্যবাহী খাবার ইফতার আর সাহ্রিতে প্রস্তুত করা হয়।
মাসখান ও মাফতইল দিয়ে ইফতার করেন তারা। মাসখান ও মাফতইল তৈরি করা হয় মুরগির গোশত, রসুন, পেঁয়াজ, তেল ও জয়তুনের সঙ্গে বিভিন্ন প্রকারের ঘি দিয়ে। খাবারটি দেখতে অনেকটা আমাদের পোলাওয়ের মতো। স্বাদে-ঘ্রাণে বাকি অংশ পড়ুন...












