SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মু’মিনের%' OR titleBn LIKE '%মু’মিনের%' OR descriptionEn LIKE '%মু’মিনের%' OR descriptionBn LIKE '%মু’মিনের%' OR slug LIKE '%মু’মিনের%' OR metaTag LIKE '%মু’মিনের%' OR metaDescription LIKE '%মু’মিনের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশের সম্মানিত দিনটিই প্রক বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আন’আম শরীফের ৭০ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ সমস্ত লোকদেরকে পরিত্যাগ করুন, যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে এবং নছীহত করুন এ ব্যাপারে যে, প্রত্যেক ব্যক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা মু’মিনের অন্তর্দৃষ্টিকে ভয় করো (বিরত থাক), কেননা উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নূর দ্বারা প্রত্যক্ষ করেন।”
এ প্রসঙ্গে হযরত আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশ্ববিখ্যাত কিতাব “জেদ্দাতুল আছার”-এ উল্লেখ করেন যে, হযরত হাম্মাদ দাব্বাছ রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে একজন বিশিষ্ট মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী ইন্তেকাল করার পর, একদিন সাইয়্যিদুল আউলিয়া, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পবিত্র মাজার শরীফ উনার সামনে গিয়ে থেমে গেলেন। অতঃপর অনেকক্ষণ তাসবীহ-তাহলীল ও দোয়া- বাকি অংশ পড়ুন...
ওয়াজ নছীহত:
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বিভিন্ন সময় অনেক সূক্ষ¥ বিষয়ে আলোচনা করতেন। যেমন একবার তিনি উল্লেখ করেন- পবিত্র হাদীছ শরীফে এসেছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এই মর্মে ইরশাদ মুবারক করেন- “তিনটি জিনিষ আমার নিকট প্রিয় করা হয়েছে- “স্ত্রীলোক, সুগন্ধী এবং নামাযের মধ্যে চোখের শীতলতা।”
সুলতানুল আরিফীন যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম তিনি এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যা এভাবে করেন যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসস বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
كَذَٰلِكَ كِدْنَا لِيُوسُفَ
অর্থ: এমনিভাবে আমি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার জন্য হীলাহ্ বা হিকমত অবলম্বন করেছি (উনার ভাইকে আবদ্ধ করে রাখার জন্য) (সূরা ইউসূফ শরীফ -৭৬)
আলোচ্য আয়াত শরীফে ‘কাইদ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, হীলাহ্ বা কৌশল। হযরত ইমাম আবূ বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এর দ্বারা হীলাহ এর বৈধতা প্রমাণিত। আর তার দ্বারা স্বীয় হুকুক বা অধিকার হাসিলের জন্য হীলাহ্ অবলম্বন করার বৈধতা প্রতিয়মান হয়। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার কাজের উপর সন্তুষ্ট হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, “মু’মিনের নিয়ত তার আমল থেকে উত্তম। (বুখারী শরীফ)
কোন মু’মিন ব্যক্তি কোন নেক নিয়ত করলো, করার জন্য কোশেশও করলো কিন্তু নিয়ত অনুযায়ী আমলটা পুরা করতে পারলো না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ মু’মিন ব্যক্তিকে উনার নিয়ত অনুযায়ী নেকী দান করবেন, উত্তম বদলা দান করবেন। সুবহানাল্লাহ! যেমন, এক ব্যক্তি তিনি নিয়ত করলেন, উনার ছেলেটাকে সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার হাফিয বানাবেন। কয়েক বছর হওয়ার পর ছেলেটাকে মাদরাসায় ভর্তি করালেন হাফিয হওয়ার জন্য। ছেলেটা কয়েক পারা হেফ্জ করলো। পরবর্তীতে ছেলেটা ইন্তেকাল ক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
বেহেশতের প্রতিটি দরজা মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে আহবান করবে। উম্মতের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম বেহেশতে প্রবেশ করবেন। এতোসব মর্যাদাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তিনি বলতেন, “আফসুস! আমি যদি গাছ হতাম, যা কেটে ফেলা হয়।” অনেক সময় বলতেন, “আমি যদি ঘাস হতাম, যা পশু খেয়ে ফেলতো।” আবার কোনো সময় বলতেন, “আমি যদি কোনো মু’মিনের গায়ের পশম হতাম।” সুবহানাল্লাহ!
(১)
একদিন তিনি জঙ্গলে গিয়ে একটি জানোয়ারকে বসা অবস্থায় দেখতে পেয়ে এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “হে জানোয়ার! তুমি কত সুখে-শান্তিতে আছো, খাও, পান করো, বৃক্ষের ছায়ায় বিচরণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
মু’মিন অর্থ বিশ্বাসী। যে ব্যক্তি হাক্বীক্বী ঈমানদার অর্থাৎ হাক্বীক্বী মুসলমান তাকেই মু’মিন বলে। আর এক মু’মিনের উচিত অপর মু’মিনের সাথে মিল-মুহাব্বত রাখা। কারণ: পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اَلْمُؤْمِنُ اَخُوْا الْمؤْمِنُ
অর্থ: “এক মু’মিন অপর মু’মিনের ভাই।”
অন্য এক হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اَلْمُؤْمِنُ مِرْأَةُ الْمؤْمِنُ
অর্থ: “এক মু’মিন অপর মু’মিনের আয়ন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সারা বিশ্বের মুসলমানগণ আক্রান্ত, নির্যাতিত, নিপীড়িত। বিশেষভাবে মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা উনার ভূমি ফিলিস্তিন আজ আক্রান্ত। পরগাছা দ বাকি অংশ পড়ুন...












