একটা নেককার মহিলা, আল্লাহওয়ালী, সেই নেককার মহিলাই স্বামীর অনুগতা থাকে। আদেশ-নির্দেশ সে পালন করে। ভুল-ক্রটি হলে ক্ষমা চায়। নেককার হওয়ার জন্য কোশেশ করে, যিকির-ফিকির করে একজন সাধারণ মহিলা। আর দ্বীনদার, পরহেযগার, আল্লাহওয়ালী মহিলা অনেক আছে তাদেরতো সেই খুছূছিয়াত বৈশিষ্ট্য আছে। বিশেষ করে যে সমস্ত মহিলারা দ্বীনদার, আল্লাহওয়ালী, যারা আল্লাহওয়ালী হতে চায়। অনেক মহিলা বাইয়াত হয়েছে যিকির-ফিকির করে, এরাতো সেরকমই। এরাতো স্বামীর অবাধ্য হতে পছন্দ করে না, ভুল হলে ক্ষমা চেয়ে নেয়, নেককার হতে চায়, মাফ চায়। নামায-কালাম, যিকির-ফিকির করে ওলীআল্লাহ হ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن حضرت السائب بن يزيد رضى الله تعالى عنه قال كُنْتُ قَائِمًا في المَسْجِدِ فَحَصَبَنِي رَجُلٌ، فَنَظَرْتُ فَإِذَا عُمَرُ الفاروق عليه السلام، فَقَالَ: اذْهَبْ فَأْتِنِي بهَذَيْنِ، فَجِئْتُهُ بهِمَا، قَالَ: مَن أنْتُما - أوْ مِن أيْنَ أنْتُمَا؟ - قَالَا: مِن أهْلِ الطَّائِفِ، قَالَ: لو كُنْتُما مِن أهْلِ البَلَدِ لَأَوْجَعْتُكُمَا، تَرْفَعَانِ أصْوَاتَكُما في مَسْجِدِ رَسولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عليه وسلَّمَ.
অর্থ: হযরত সায়িব ইবনে ইয়াযীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, একদা আমি মসজিদে দাঁড়ানো অবস্থায় ছিলাম, এমন সময় এক ব্যক্তি আমার প্রতি একটি কঙ্কর নিক্ষেপ করলে আমি তাকিয়ে দেখি, তিন বাকি অংশ পড়ুন...
এবং এরপর কি হবে? এরা কি?
مَلْعُونِينَ
এরা লা’নতগ্রস্ত। নাউযুবিল্লাহ!
أَيْنَمَا ثُقِفُوا أُخِذُوا وَقُتِّلُوا تَقْتِيلاً
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এদের মৃত্যুদ- দিয়ে দিয়েছেন। এখানে মৃত্যুদ- দিয়ে দেয়া হলো। কি দেয়া হলো?
مَلْعُونِينَ
এরা লা’নতগ্রস্ত।
أَيْنَمَا ثُقِفُوا أُخِذُوا
যেখানে পাবেন এদেরকে পাকড়াও করবেন।
وَقُتِّلُوا تَقْتِيلاً
এবং টুকরা টুকরা করে এগুলিরে মৃত্যুদ- দিবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ফায়ছালা দিয়ে দিয়েছেন।
مَلْعُونِينَ
এরা লা’নতগ্র বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মতের প্রতি আবাদুল আবাদ বা অনন্তকাল যাবৎ কুরবানী করার আদেশ মুবারক
২য় দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ حَنَشِ بْنِ الْـحَارِثِ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ كَانَ اِمَامُ الْاَوَّلِ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ يُضَحِّىْ بِكَـبْشٍ عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِكَـبْشٍ عَنْ نَّـفْسِهٖ قُـلْنَا لَهٗ يَا اَمِيْـرَ الْمُؤْمِنِيْـنَ تُضَحِّىْ عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَنِـىْ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ اَبَدًا فَاَنَا اُضَحِّىْ عَنْهُ اَبَدًا
“বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হান বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও অর্থাৎ তোমরা তা বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার অনুসরণ করো।” মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাস্ বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য সেই প্রথম শাস্তিটা দেয়া হয়েছিল। মানুষতো বুঝতে পারবে না। কিন্তু পরবর্তী আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো অনেক। তার মধ্যে একটা বিষয় বলা হচ্ছে তাহলো পর্দার পবিত্র আয়াত শরীফ যা নাযিল করা হলো একাধিকবার।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ ذٰلِكَ أَدْنٰى أَنْ يُّعْرَفْنَ فَلا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন প্রথমে, কি বললেন?
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ
আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...












