SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুসলিমদের%' OR titleBn LIKE '%মুসলিমদের%' OR descriptionEn LIKE '%মুসলিমদের%' OR descriptionBn LIKE '%মুসলিমদের%' OR slug LIKE '%মুসলিমদের%' OR metaTag LIKE '%মুসলিমদের%' OR metaDescription LIKE '%মুসলিমদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র কুরআন শরীফে মূর্তি পূজা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে অন্য কাউকে শরীক (শিরক) করার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা বর্ণনা করা হয়েছে। যা মহান আল্লাহ পাক কখনও ক্ষমা করবেন না। যা সবচেয়ে বড় গুনাহ ও শিরক। এবং যা স্পষ্টত জাহান্নামে যাওয়ার কারণ। নাউযুবিল্লাহ।
মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে এই কঠোরতা পেশ করতে গিয়ে প্রায় প্রত্যেক নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পূজারীদের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হতে হয়েছে। নমরূদ, ফেরাউন, কওমে নূহ, কওমে শুআইব, কওমে ইলিয়াস, কওমে আদ-ছামূদ প্রভৃতি সম্প্রদায়ের ইতিহাস তো সেই সংঘাতেরই জাজ্জ্বল্য প্রমাণ। তাই মূর্তি বিরোধী বাকি অংশ পড়ুন...
পঞ্চমত: গোত্রের প্রতি লক্ষ্য করে ভাই বলে সম্বোধন করা যায়।
হিন্দুরা তো আমাদের সম্প্রদায় না, আমাদের কোন গোত্রীয় লোক নয়।
فَكُلُّ مَنْ لَمْ يَكُنْ كَافِراً فَهُوَ أَخٌ لَنَا فِي الْإِسْلَامِ
“প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি যে কাফের না, সে ইসলামের ক্ষেত্রে আমাদের দ্বীনি ভাই”। (শরহু সুসানি আবী দাঊদ লিল আব্বাদ-২১৫/১৬)
আর মুসলমানরা কখনো অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করতে পারে না, যেমন কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
لا تَجِدُ قَوْماً يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَتَهُمْ.
“আপনি মু’মিন সম্প বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ০৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত আয়াত শরীফ উনাদের সংক্ষিপ্ত তাফসীর:
হযরত বাগবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেছেন, হযরত মুহম্মদ ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, আমাকে পরিখা যুদ্ধের ঘটনা বর্ণনা করেছেন, হযরত ওরওয়া ইবনে যুবায়ের রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। উনার থেকে ইয়াযিদ ইবনে রূমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। এরকম আরো বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, জুহুরী এবং আছেম ইবনে আমর ইবনে কাতাদা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, অধিকন্তু আবদুল্লাহ ইবনে আবী বকর ইবনে মুহম্মদ ইবনে আমর ইবনে বাকি অংশ পড়ুন...
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
(টীকা- ১: আধুনিক সাবমেরিন ক্যাবল (submarine cable) আসলে আলোক তন্তু তার বা ফাইবার অপটিক কেবল। অর্থাৎ এটি আলোক তন্তু (optical fiber) দিয়েই তৈরি। পূর্বে (১৯শ শতকে) সাবমেরিন ক্যাবলগুলো ছিলো ধাতব কো-এক্সিয়াল কেবল বা তামার তার ভিত্তিক। এগুলো দিয়ে মূলত টেলিগ্রাফ ও পরে টেলিফোন সিগন্যাল পাঠানো হতো। কিন্তু এখন (আধুনিক যুগে) আজকের সাবমেরিন ক্যাবলগুলো সম্পূর্ণভাবে অপটিক ফাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তামা বা ধাতব অংশ এখন কেবল বাহ্যিক সুর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে স্থানীয় মুসলিমদের দ্বীনি ও নাগরিক অধিকার হরণের প্রক্রিয়া তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে। শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কলকাতার ঐতিহাসিক ‘রেড রোড’-এ ঈদের নামাজকে নিরাপত্তা ও যানজটের অযুহাতে নিষিদ্ধ করা হলেও, দুর্গাপূজা এবং আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মতো অনুষ্ঠানের জন্য দিনের পর দিন প্রধান সড়কটি বন্ধ রাখার ঘটনায় শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ।
কলকাতার রেড রোডে ১৯১৯ সাল থেকে দীর্ঘ ১০৭ বছর ধরে প্রতি বছর ঈদের দিনে নিয়ম করে ১ ঘণ্টার ঐতিহ্যবাহী ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত ‘ইসলাম’ শব্দের অর্থই হচ্ছে সালাম বা শান্তি। তাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে ফিৎনা-ফাসাদ, মারামারি, কাউকে অন্যায়ভাবে হতà বাকি অংশ পড়ুন...
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তারকা সংযোগ বা স্টারলিংক কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
তারকা সংযোগ বা স্টারলিংকের জন্য মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহসমূহ প্রেরণ ও নিয়ন্ত্রণ, ভূ-রাজনৈতিক এবং সামরিক প্রভাব এবং সার্বিকভাবে তাদের পরিচালিত কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে এটাই স্পষ্ট হয় যে, তারকা সংযোগ (স্টারলিংক) যেই দেশে যাবে সেই দেশের তথ্য নিয়ন্ত্রণ এবং তথ্য প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা (সাইবার নিরাপত্তা) সেই দেশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। দ্রুত গতির অন্তর্জাল সরবরাহ বা তথ্যজালিকা সেবার (ইন্টারনে বাকি অংশ পড়ুন...
৮৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে বর্তমান বিশ্বের ‘প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো ও গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।
‘আল কারাউইয়্যিন’ চালু হওয়ার ২০০ বছরেরও বেশি সময় পর ১০৮৮ সালে ইতালিতে ‘বোলোনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ কার্যক্রম শুরু করে, যা ইউরোপের সবচেয়ে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত।
এর বছর আটেকের মাথায় ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। আর ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম হয়েছিল তারও শত বছর পরে, ত্রয়োদশ শতকের শুরুর দিকে।
কিন্তু এগুলোর চেয়েও চমকপ্রদ à বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অঞ্চলটিতে স্বাধীন ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির প্রধান মালয়-মুসলিম স্বাধীনতাকামী সংগঠন বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন)।
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান বিআরএনের শান্তি আলোচনাবিষয়ক প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকমাতুল্লাহ সেরি।
তিনি বলেন, সংগঠনের লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম অব্যাহà বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নিজের নাগরিকত্বের সপক্ষে নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও এক ভারতীয় মুসলিম নারীকে কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব তলব করেছে। ভুক্তভোগী নারীর নাম সাহিদা ফকির। তার ছেলের দায়ের করা একটি আবেদনের ভিত্তিতে আদালত এই নির্দেশনা জারি করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাহিদা ফকির পশ্চিমবঙ্গের গোবিন্দপুরের বাসিন্দা। তিনি গত ২০ বছর ধরে মুম্বাইয়ে কাজ করছিলেন। গত ১৯ জুলাই "অবৈধ অভিবাসী" সন্দেহে তাকে আটক করা হয়। সাহিদার ছà বাকি অংশ পড়ুন...
আফগান সাধারণ মুসলিম সমাজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনেকে অজ্ঞতার কারণে হোক বা ইচ্ছাকৃত বিভেদ সৃষ্টির লক্ষে হোক তাদেরকে ‘কট্টরপন্থী’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে। অর্থাৎ আফগান সমাজ তাদের মতে ভিন্ন মতাদর্শীদের প্রতি অসহনশীল একটি সমাজ। কিন্তু বাস্তবতা আসলে কি?
সর্বপ্রথম আমাদের জেনে রাখতে হবে যে, মাওলানা রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিচরণস্থল আফগানিস্তান। দেশটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অনুসারী; বিশুদ্ধ তাওহীদের দেশ যা শরীয়ত ও তরীকতের সকল দিক বাস্তবায়িত করছে।
দেশটির অধিবাসীদের প্রায় ৯০ শতাংশ বা তার বেশি মাযহাবগত হানাফী, আক্বীদাগত বাকি অংশ পড়ুন...












