SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুখোশ%' OR titleBn LIKE '%মুখোশ%' OR descriptionEn LIKE '%মুখোশ%' OR descriptionBn LIKE '%মুখোশ%' OR slug LIKE '%মুখোশ%' OR metaTag LIKE '%মুখোশ%' OR metaDescription LIKE '%মুখোশ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
“হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ক্বিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তি সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে, যে তার ইলিমের দ্বারা উপকৃত হয়নি।” (দারেমী শরীফ)
অতএব, যারা ইলিম অনুযায়ী আমল করবে না অর্থাৎ যারা জানে ছবি তোলা হারাম, তারপরও ছবি তোলে। যারা জানে গণতন্ত্র-হরতাল ইত্যাদি হারাম বা বিজাতীয় পন্থা, তারপরও তারা দ্বীন ইসলামের নামে গণতন্ত্র চর্চা করে। মূলতঃ উপরোক্ত হাদীছ শরীফের মিছদাক তারাই অর্থাৎ তার বাকি অংশ পড়ুন...
সম্পাদকীয় আল ইহসান শরীফ
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
গত ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ৩১ আগস্ট হোয়াইট হাউজ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পাঠানো এক বিশেষ চিঠিতে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছে ট্রাম্প। চিঠিতে বাংলাদেশের জনগ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের এক অংশ (আসামের বরনগর) থেকে অন্য অংশে (বিহারের কাটিহার) বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের ভূখন্ডের ওপর দিয়ে ৭৬৫ কেভি হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের প্রক্রিয়াটি পুনরায় টেবিলমুখী হওয়া একটি চরম উদ্বেগজনক ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের খবরের সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত এই সুবিশাল ট্রানজিট লাইনের বিশাল খরচ বাংলাদেশের কাঁধে চাপানোর পাঁয়তারা চলছে, অথচ এ বিদ্যুৎ থেকে বাংলাদেশ নিজে কোনো সুবিধা বা বিদ্যুৎ ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না। সোজা কথায়- ভারতের নিজস্ব এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বিদ্য বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কাজী আবু ইয়ালা মুহম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনুল ফাররাহ (ওফাত ৪৫৮ হিজরী) রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
قَالَ أَبُوْ بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْنَجَّادُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ لَوْ أَنَّ حَالِفًا حَلَفَ بِالطَّلَاقِ ثَلَاثًا أَنَّ اللهَ تَعَالٰى يُقْعِدُ مُـحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَهٗ عَلَى الْعَرْشِ وَاسْتَفْتَانِيْ فِيْ يَـمِيْنِهٖ لَقُلْتُ لَه: صَدَقَتْ فِيْ قَوْلِكَ وَبَرَرَتْ فِيْ يَـمِيْنِكَ، وَامْرَأَتُكَ عَلٰى حَالِهَا، فَهٰذَا مَذْهَبُنَا وَدِيْنُنَا وَاِعْتِقَادُنَا، وَعَلَيْهِ نَشَأْنَا، وَنَحْنُ عَلَيْهِ إِلٰى أَنْ نَّمُوْتَ إنْ شَاءَ اللهُ فَلَزِمْنَا الْإِنْكَارُ عَلٰى مَنْ رَدَّ هٰذِهِ الْفَضِيْلَةَ الَّتِيْ قَالَتْهَا الْعُلَمَاءُ وَتَلَقَّوْهَا بِالقْ বাকি অংশ পড়ুন...
এ বিষয়ের উপর চমৎকার একটা স্বপ্নের দলীল রয়েছে। হযরত মুহম্মদ বিন আলী সিরাজ রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে স্বপ্নের মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দীদারে ধন্য হয়ে এ বিষয়টা ফায়সালা এসেছে এভাবে-
أَخْبَرَنِـي الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ اَلْعَطَّارُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ السِّرَاجِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّوْمِ فَقُلْتُ إِنَّ فُلَانًا التِّرْمِذِيَّ يَقُوْلُ إِنَّ اللهَ لَا يُقْعِدُكَ مَعَهٗ عَلَى الْعَرْشِ وَنَحْنُ نَقُوْلُ بَلْ يُقْعِدُكَ فَأَقْبَلَ عَلٰى شِبْهِ الْمُغْضِبِ وَهُوَ يَقُوْلُ بَلٰى وَاللهِ بَلٰى و বাকি অংশ পড়ুন...
আবূ আমির আল ফাসিক্ব ছিলো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার ‘আউস’ গোত্রের সাবেক নেতা এবং খাযরাজ গোত্রেও তার প্রভাব ছিলো। এক বর্ণনা মতে, সে ছিলো মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলুলের মামা। সে হুনাইনের জিহাদ মুবারক শেষে সব দিক থেকে ব্যর্থ ও নিরাশ হয়ে ৮ম হিজরী শরীফ উনার শেষ দিকে শাম (সিরিয়া) অভিমুখে পাড়ি জমায়। সেখানে গিয়ে সে ‘নাছারা’ হয়ে যায় এবং রোমের শাসককে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ আক্রমণের জন্য প্ররোচনা দিতে থাকে। এই উদ্দেশ্যে সে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফে অবস্থানরত মুনাফিক্বদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগায বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বর্ণিত আছে-
مَنْ رَدَّ هٰذِهِ الْأَحَادِيْثَ فَهُوَ مُبْتَدِعٌ ضَالٌّ. قَالَ: مَا أَدْرَكْنَا أَحَدًا يَرُدُّهٗ إِلَّا مَنْ فِي قَلْبِهٖ بَلِيَّةٌ، يُهْجَرُ وَلَا يُكَلَّمُ
যারা এই পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ অস্বীকার করতে চায় তারা বিদয়াতি, পথভ্রষ্ট। আমরা এমন একজনও দেখি নাই যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা ছাড়া কাউকে এটা অস্বীকার কিংবা বর্জন করতে। (আস সুন্নাহ লি আবি বকর ইবনে খল্লাল ১/২৫৯)
হযরত আবু বকর ইবনু খল্লাল রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত ৩১১ হিজরী) তিনি উনার কিতাবে এত ব্যাপক আলোচনা করেছনে যে অস্বীকারকারীদের তিনি ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন-
قَالَ: يُقْعِدُهُ مَعَهُ عَلَى الْعَرْشِ، قَالَ أَبُوْ بَ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অলি আল্লাহর মাজার, খানকাহর ওপর বর্বর হামলা আর বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতপন্থী সুন্নী আলেম-ওলামারা।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নী মহাসমাবেশে বক্তারা বলেন, মাজার-খানকাহগুলো দেশের হৃদস্পন্দন ও অস্তিত্বের নিদর্শন। তাই এসব পবিত্র স্থাপনার ওপর বর্বর হামলা আর বরদাশত করা হবে না। শান্তি, সহিষ্ণুতা, কল্যাণ ও শুভ্রতার প্রতীক ওলী-বুজুর্গ এবং তাদের পবিত্র স্থাপনা মাজার খানকার বিরুদ্ধে যারা বিদ্বেষ ও ঘৃণা ছড়ায় এবং ওল বাকি অংশ পড়ুন...
যদিও ইমাম ওয়াহেদী এই মতটি রদ করতে চেয়েছেন, কিন্তু ইমাম নাক্কাস রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ইমাম আবু দাউদ যিনি সুনানে আবু দাউদ উনার লেখক তিনি বলেন, যে এই মতকে অস্বীকার করে সে আমাদের মতে তিরস্কৃত। আর এই ধরণের বর্ণনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মত ছাহাবী উনারা করেছেন।
বর্ণনায় এসেছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কিয়ামতের দিনে মহান আল্লাহ পাক উনার সামনে বিশে বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার “পবিত্র সূরা হাদীদ শরীফ উনার মধ্যে” বর্ণিত আছে-
وَهُوَ مَعَكُمْ اَيْـنَمَا كُنْـتُمْ
আল্লামা ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ “তাফসীরে কবীর” ২৯/২১৫ পৃষ্ঠায় লিখেন-
(وَهُوَ مَعَكُمْ.......) قَالَ الْمُتَكَلِّمُوْنَ هٰذِهِ الْمَعِيَّةَ اَمَّا بِالْعِلْمِ وَاَمَّا بِالْحِفْظِ وَالْحَرَاسَةِ مَا عَلَى التَّـقْدِيْرِيْنَ فَـقَدْ اِنْـعَقَدَ الْاِجْمَاعُ عَلٰى اَنَّهٗ سُبحَانَهٗ لَيْسَ مَعَنَا بِالْمَكَانِ وَالْجِهَةِ وَالْحِيْزِ
অর্থ: “আকাইদ তত্ত্ববিদগণ বলেন, “তিনি তোমাদের সাথে রয়েছেন” এখানে সাথে থাকাটা ইলম, হিফাযত ও তত্ত্বাবধান দ্বারা। তিনি নির্দিষ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পশ্চিম তীরের আল-তুওয়ানি গ্রামের আল-তাকওয়া মসজিদে আগুন দিয়েছে সন্ত্রাসবাদী ইসরায়েলের বসতি দখলদারগুলি। গতকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মসজিদের পাশাপাশি একটি দুগ্ধজাত পণ্যের কারখানা ও দুটি বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, মসজিদের প্রবেশদ্বার পুড়ে গেছে এবং দেওয়ালে হিব্রু ভাষায় গ্রাফিতি স্প্রে করা হয়েছে।
গ্রাম কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ রাবি জানান, রাতের অন্ধকারে মুখোশধারী দুই ডজনেরও বেশি বসতি স্থাপনকারী মসজিদে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
তবে ফিলিস্তিনি মানবাধিকারকর্মী ওসামা বাকি অংশ পড়ুন...
‘মাকামে মাহমুদ’ বিষয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অভিমত:
(১)
عَنْ حَضْرَتَ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَامٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ اِنَّ مُـحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلٰى كُرْسِىِّ الرَّبِّ بَـيْنَ يَدَىِ الرَّبِّ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। “নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতী আসন মুবারক উনার পাশে আসন মুবারকে অবস্থান করবেন। (তাফসীরে তাবারী ১৭/৫৩২, ফতহুল বারী ১১/৪২৭)
(২)
عَنْ حَضْرَتْ اِ বাকি অংশ পড়ুন...












