সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল ‘ছলাতুত তারাবীহ’ আদায়। এই নামায নিয়ে সমাজে ব্যাপক ইখতিলাফ দেখা যায়, অনেক নামধারী মালানা-মুফতী সাহেবরা তারাবীহ নামায ৮ রাকায়াত অথবা ১২ রাকায়াত বলে থাকে। আবার অনেক মসজিদে ৮ রাকায়াত বা ১২ রাকায়াত তারাবীহ আদায়ও করে।
সুওয়াল হলো- ছলাতুত তারাবীহ সংশ্লিষ্ট মাসয়ালা-মাসায়িল ও তারাবীহ নামায কত রাকায়াত এই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عن حضرت على عَلَيْهِ السَّلَامَ و حضرت عمر عَلَيْهِ السَّلَامَ وغيرهما من اصحاب النبى صلى الله عليه وسلم عشرين ركعة.
অর্থ: “ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকা-ের বিচার আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সমাবেশে এই দাবি তোলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, ওসমান হাদি হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে দুপুর ১২টায় ইনকিলাব মঞ্চ সংবাদ সম্মেলন করে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে ৩ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই ৩ দাবি বাস্তবায়নে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বাকি অংশ পড়ুন...
‘বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ মাসে রাষ্ট্রপতি ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ নামে একটি আদেশ জারি করেন। আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সাবেক পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ ও পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে এ অঞ্চল থেকে নির্বাচিত সকল সদস্য (১৬৯+৩১০=৪৭৯ জন) নিয়ে এই গণপরিষদ গঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন নিহত, স্বাভাবিক মৃত্যু এবং অন্য কারণে ৪৯ জন সদস্য বাদ পড়েন। বাকি ৪৩০ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়। এদের মধ্যে মাত্র ৩ জন বাদে (২ জন স্বতন্ত্র ও ১জন ন্যাপ- মোজাফফর) বাকি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব (২য় অংশ):
عَنْ حَضْرَتْ بُـرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ فَائْذَنْ لِّى اُقَبِّلُ يَدَيْكَ وَرِجْلَيْكَ فَاَذِنَ لَهٗ اَىْ فِى تَـقْبِيْلِ يَدَيْهِ وَرِجْلَيْهِ فَـقَبَّـلَهُمَا
অথ: হযরত বুরাইদাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (গাছের সিজদা দেয়ার ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর) আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামু বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এক মাসিক পত্রিকায় হজ্জের অজুহাতে ছবি তোলাকে বৈধ বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে দলীল হিসেবে পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ ১৭৩, পবিত্র সূরা আনআম শরীফ ১১৯ ও ১৪৫ নং পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, তীব্র প্রয়োজন হারাম বস্তুকে সাময়িক হালাল করে দেয়। তাই হজ্জের ফরয আদায় করতে হারাম ছবি তোলা সাময়িক বৈধতা পাবে। নাউযুবিল্লাহ! এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি?
জাওয়াব:
একইভাবে পবিত্র সূরা আনআম শরীফ উনার ১৪৫ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قُلْ لَّا أَجِدُ فِيْ مَاۤ اُوحِيَ اِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلٰى طَاعِمٍ يَطْعَمُهٗ إِلَّاۤ اَنْ يَّكُوْنَ مَيْـتَةً اَوْ دَمًا مَّسْفُوْحًا বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ক্বওমী মাদরাসার মুখপত্রের জুমাদাল উখরা ১৪৪৬ হিজরী সংখ্যায় এক সুওয়ালের জাওয়াবে বলা হয়েছে, কদমবুছি নিষেধ হওয়ার পক্ষে শরীয়তে কোন নস তথা প্রমাণ নেই। তবে সেজদার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ যেনো না হয়ে যায় সেজন্য সতর্কতা হলো- কদমবুছি থেকে বিরত থাকা।
জাওয়াব (১ম অংশ):
কওমী মাদরাসার মুফতীদের উক্ত জাওয়াব স্বয়ং যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের আমল মুবারকের খিলাফ বা বির বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ওহাবী ফিরকার মুখপত্র ‘সত্যবাণী’ নামক একটি অখ্যাত বুলেটিনে “ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উৎসব ইসলামে নেই।” নামক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। যাতে তাদের কথিত আলিমরা পবিত্র “ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে যে সকল বক্তব্য প্রদান করেছে। তা হলো-
(২) কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফের কোথাও হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত প্রদর্শনের জন্য জন্মবার্ষিকী পালনের কথা উল্লেখ নেই।
(৩) হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ওহাবী ফিরকার মুখপত্র ‘সত্যবাণী’ নামক একটি অখ্যাত বুলেটিনে “ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উৎসব ইসলামে নেই।” নামক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। যাতে তাদের কথিত আলিমরা পবিত্র “ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে যে সকল বক্তব্য প্রদান করেছে। তা হলো-
(২) কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফের কোথাও হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত প্রদর্শনের জন্য জন্মবার্ষিকী পালনের কথা উল্লেখ নেই।
(৩) হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ওহাবী ফিরকার মুখপত্র ‘সত্যবাণী’ নামক একটি অখ্যাত বুলেটিনে “ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উৎসব ইসলামে নেই। ” নামক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। যাতে তাদের কথিত আলিমরা পবিত্র “ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে যে সকল বক্তব্য প্রদান করেছে। তা হলো-
(২) কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফের কোথাও হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত প্রদর্শনের জন্য জন্মবার্ষিকী পালনের কথা উল্লেখ নেই।
(৩) হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে-
عن حضرت بهذ بن حكيم عن ابيه عن جده رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من استقبل العلماء فقد استقبلنى ومن زار العلماء فقد زارنى ومن جالس العماء فقد جالسنى ومن جالسنى فكانما جالس ربى وفى رواية اخرى من زار عالما فكانما زارنى ومن زارنى فكانما زار الله ومن زار الله فقد غفر له.
অর্থ: “হযরত বাহয ইবনে হাকীম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পিতা থেকে, উনার পিতা উনার দাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি উলা বাকি অংশ পড়ুন...












