SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মিয়ানমারে%' OR titleBn LIKE '%মিয়ানমারে%' OR descriptionEn LIKE '%মিয়ানমারে%' OR descriptionBn LIKE '%মিয়ানমারে%' OR slug LIKE '%মিয়ানমারে%' OR metaTag LIKE '%মিয়ানমারে%' OR metaDescription LIKE '%মিয়ানমারে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ দাবি করে নতুন বিবৃতি দিয়েছে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মিয়ানমারের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করা সঠিক নয়।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন মিয়ানমার অনুবিভাগের মহাপরিচালক তৌফিক-উর-রহমান।
বৈঠকে গত ১৫ আগস্ট মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১২ লাখ ২ হাজার ৩৪ জন। ৩১ জুলাই পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী এ সংখ্যা জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১৯৯০-এর দশকে আসা শরণার্থী, ২০১৭ সালে নতুন করে আসা রোহিঙ্গা এবং ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া নতুন আগতরা রয়েছেন।
মোট রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭৮ শতাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া ৫২ শতাংশ রোহিঙ্গার বয়স ১৮ বছরের নিচে।
দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বড় একটি অংশ কক্সবাজারের বিভিন্ন শি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সমর্থিত-সরকার দাবি করেছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া তিন লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা দেশটির পশ্চিম রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা। রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলেও জানায় তারা।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট নবম বছরে পদার্পণকালে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এসব কথা জানায়।
গত কয়েক দশক ধরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর একের পর এক সহিংসতার জেরে দেশটি থেকে এসে বাংলাদেশে বসবাস করছিলেন লাখো রোহিঙ্গা। দেশটির সেনাবাহিনীর ওই অভিযানের বাকি অংশ পড়ুন...
২০১৭ সালে নৃশংস সামরিক অভিযানের কারণে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা (বাংলাদেশের হিসাবে আট লাখের বেশি) সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশের কক্সবাজারে আগে থেকেই কয়েক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে।
এসব সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাও মিয়ানমার সামরিক বাহিনী ও জাতিগত মিলিশিয়াদের নৃশংস সহিংসতা থেকে রক্ষা পেতে আগেই বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে বসবাস করছে।
এই সামরিক অভিযানের সার্বিক ব্যাপ্তি, সুসংগঠিত রূপ ও ভয়াবহতার কারণে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যাপকভাবে গণহত্যা ও জাত বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার সনদের পরিচিতি:
ক্রিমিনোলজি (অপরাধ বিজ্ঞান) এর আলোকে, মানুষ মূলত একটি জটিল সত্তা যার আচরণ বিভিন্ন কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়।
ক্রিমিনোলজির প্রধান কথা হলো কিছু মানুষের মধ্যে আগ্রাসী বা আত্মনিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা দেখা যেতে পারে, যা তাদের অপরাধ করার প্রবণতাকে বাড়িয়ে তোলে।
অথচ মানবাধিকার সনদে এই আত্মনিয়ন্ত্রণ বা নফস নিয়ন্ত্রণের এবং শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে বেঁচে থাকার কোনো কথা, সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা বা আলোচনা নেই।
বরং ইহুদীসংঘের তথাকথিত সনদ অনুযায়ী নফস ও শয়তানের খেয়াল খুশি মত চলা এবং চলতে দেয়া অর্থাৎ পবি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি সীমান্ত এখন শুধু ভৌগোলিক সীমানা নয়, জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম স্পর্শকাতর ফ্রন্টলাইন। বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমার সীমান্তজুড়ে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা, অস্ত্র পাচারের অভিযোগ ও আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগের বিস্তার নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি করেছে নতুন উদ্বেগ।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতের সীমান্ত সংযোগস্থল ঘিরে বিচ্ছিন্নতাবাদী আরাকান আর্মি, দুই উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) ও কুকি-চ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অখন্ডতা সুরক্ষায় সীমানার নিরাপত্তা হলো প্রথম ও প্রধান প্রাচীর। ভৌগোলিক অবস্থান ও জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে বাংলাদেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্রে এক বিশেষ অগ্রাধিকারের দাবি রাখে।
বাংলাদেশের সীমান্ত ও ভৌগোলিক বিস্তৃতি: বাংলাদেশের মোট স্থল ও নদী সীমানার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৪২৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ভারতের সাথে দীর্ঘ ৪,০৯৬ কিলোমিটারের সুবিশাল সীমান্ত রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক স্থল সীমানা। দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমারের সাথে প্রায় ২৭১ কিলোমিটারের পাহাড়ি বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। বুধবার (২৯ জুলাই) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় এ তথ্য জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। এ ছাড়া মালয়েশিয়া থেকেও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেবে মিয়ানমার।
তিনি বলেন, ‘মানুষ বলে ওদের ফেরত পাঠাও, ফেরত পাঠাও। কিন্তু পাঠাব কোথায়? মিয়ানমার তো ওদের নিতে চায়নি। এ কারণেই মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাটা জরুরি। এখন তারা প্রথমে ৫ হাজার জনকে নিতে সম্মত হয়েছে।’
এ ছাড়া আনোয়ার ইব্রাহিম আরও জানান, মিয়ানমার বর্তমানে বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রায় ৩ লা বাকি অংশ পড়ুন...
একাত্তরে রক্ত দিয়ে পাওয়া ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক আদালতে লড়াই করেই আদায় করে বঙ্গোপসাগরের বিশাল এলাকার মালিকানা। ২০১২ ও ২০১৪ সাল; আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের রায়ে প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধ নিষ্পত্তির পর সাগরের বুকে এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা পায় বাংলাদেশ। তখন থেকেই সুনীল অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জোরালো দাবি ওঠে বিশেষজ্ঞমহলে। কিন্তু মানচিত্রের অধিকার পেলেও সাগরের বিশাল এই এলাকায় এখনও নেই পর্যাপ্ত নজরদারি।
কোস্টগার্ডের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই জলসীমা দিয়ে চলছে মানবপ বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত মানবাধিকার বিষয়ে ইহুদীসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ও বিষয়ভিত্তিক আঙ্গিক (থিমেটিক) তদন্তমূলক বা ইহুদী ষড়যন্ত্রমূলক কাজ:
* নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর বিশেষ কথিত মানবাধিকার বিষয়ে ইহুদীসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক বা রিপোর্টিয়ার (ঝঢ়বপরধষ জধঢ়ঢ়ড়ৎঃবঁৎ) নিয়োগ দেয়, যেমন:
* মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যার অর্থ পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে মত প্রকাশের স্বাধীনতা। তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা (ঋৎববফড়স ড়ভ ড়ঢ়বহরড়হ) এর নামে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করাকে মানবাধিকার বলে প্রচার করে আর ইহুদীবাদ, খ্রিস্টবাদ বা তাদের মনগড়া যে কোন মতবাদের বির বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মিয়ানমারের উপকূলে রোহিঙ্গাবাহী দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। নিহতদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের শরণার্থীশিবির থেকে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করা রোহিঙ্গারাও ছিলেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এরই মধ্যে টেকনাফ উপকূলে তিনটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা জানিয়েছেন, আরও একাধিক লাশ ভাসতে দেখেছেন তারা। যদিও উদ্ধার ও ভাসতে দেখা লাশগুলোর সঙ্গে মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনার কোনও সম্পর্ক এখনও ন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মিয়ানমারের উপকূলে রোহিঙ্গাবাহী দুটি নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। নিহতদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের শরণার্থীশিবির থেকে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করা রোহিঙ্গারাও ছিলেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এরই মধ্যে টেকনাফ উপকূলে তিনটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা জানিয়েছেন, আরও একাধিক লাশ ভাসতে দেখেছেন তারা। যদিও উদ্ধার ও ভাসতে দেখা লাশগুলোর সঙ্গে মিয়ানমার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনার কোনও সম্পর্ক এখনও ন বাকি অংশ পড়ুন...












