সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
সচ্ছল জীবনের আশায় অনেক তরুণ অবৈধপথে পাড়ি জমাচ্ছেন বিদেশের বিভিন্ন দেশে। অবৈধভাবে গিয়ে প্রাণ হারান এদের অনেকেই। অনেকের খোঁজ মিলে না সারা জীবনেও।
ভাগ্য বদলের আশায় জমি বন্ধক রেখে, তিনটি গরু বিক্রি করে এবং ঋণ নিয়ে ১৭ বাকি অংশ পড়ুন...
৭ম শতাব্দীতে পারস্য শাসকের জন্য উইন্ডমিল বা বায়ুকল আবিষ্কার করা হয়। শস্য চূর্ণ এবং সেচের জন্যে পানি উত্তোলনে তা ব্যবহার করা হতে থাকে। এ বিষয়টা পার্সিয়ান ভূগোলবিদ Estakhri এর বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়। তিনি নবম শতাব্দীতে খোরাসানের (পূর্ব ইরান এবং পশ্চিম আফগানিস্তান) বায়ুকলগুলি পরিচালনা করতেন।
গ্রীষ্মকালে পানির উৎস গুলো শুকিয়ে গেলে আরব দেশের বিশাল মরুভূমিতে শক্তির একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়াতো বাতাস। কয়েক মাস পর্যন্ত একদিক থেকে অন্যদিকে দ্রুত বেগে বাতাস প্রবাহিত হতো। এই বাতাসের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উইন্ডমিল সচল থাকতো।
তৎকালীন প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
সাহারা মরুভূমিতে তুষারপাত! আচমকা শুনলে কেউ হয়তো বিশ্বাস করবে না। বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ মরুভূমি হিসেবে পরিচিত সাহারা মানেই প্রচ- গরম, তীব্র তাপপ্রবাহ আর চারদিকে শুধু বালি আর বালি। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে উত্তর আলজিরিয়ায় সাহারার কিছু অংশে দেখা গেলো এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। সোনালি বালি ঢেকে গেল সাদা তুষারে।
জানা গিয়েছে, ১৭ জানুয়ারির আশপাশে এই বিরল তুষারপাত দেখা যায় আলজিরিয়ার আইন সেফ্রা অঞ্চলে। সাহারার উত্তরের প্রান্তে অবস্থিত এই শহরটিকে ‘গেটওয়ে টু দ্য ডেজার্ট’ বলা হয়ে থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের তোলা ছবিতে বাকি অংশ পড়ুন...
তারা জোরদারভাবে জানাচ্ছে, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়ান, না হলে এই দ্বীপ মরুভূমিতে পরিণত হবে।
কাফনের কাপড় পরে নারিকেল দ্বীপের বাসিন্দাদের অবস্থান
দ্বীপবাসীর আকুল অন্ততঃ ফেব্রুয়ারি মাসটি নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হোক
যুগ যুগ ধরে নারিকেল দ্বীপের কিছুই হয়নি।
এই এক দুই মাসে নারিকেল দ্বীপে কী এমন আসে যায়?
পর্যটক যাতায়াত বন্ধ না করে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা যেত।
এভাবে একেবারে বন্ধ করে দেওয়া সংবিধান বিরোধী।
পাশাপাশি গণ মানুষের মানবাধিকার হরণ করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণœ করার শামিল। (নাউযুবিল্লাহ)
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ন বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মহান আল্লাহ পাক তিনিই বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে কেউ যাতে নিরাশ না হয়। বান্দা যতই ভুল করুক যদি সে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ক্ষমা চায় মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে অবশ্যই ক্ষমা করবেন। এজন্যই কবি উনার কবিতায় বলেন-
بازآ بازآ هر آں چه هستی باز آ
گر کافر وگر و بت پرستی باز آ
ایں درگاه ما درگاه نو امیدی نیست
صدبار گر توبه شکستی باز آ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ফিরে আসো তুমি ফিরে আসো, যে কেউ তুমি হওনা কেন ফিরে আসো।
তুমি কাফির হও, মজুসী হও, মূর্তিপূজক হও তবুও তুমি ফিরে আসো,
যিনি খ্বালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার যে দরবার শরীফ এ বাকি অংশ পড়ুন...
মিথ্যাবাদীর সাথে বন্ধুত্ব করবে না। মিথ্যাবাদীর ছোহবতে যাবে না। কেননা, মিথ্যাবাদী হচ্ছে মরীচিকার মতো। সে দূরবর্তীকে নিকটবর্তী আর নিকটবর্তীকে দূরবর্তী করবে। অর্থাৎ ধোঁকা দিবে। মরীচিকা বলা হয়- মরুভূমিতে রোদ্রের তাপে দূর থেকে পানির মতো দেখা যায়। পিপাসার্ত ব্যক্তি সেই পানি দেখে পানের জন্য সেদিকে অতি দ্রুতগতিতে ধাবমান হয়। যতই যায় দৃশ্যত সেই পানিও তত দূরে যায়।
এভাবে ক্বিয়ামত পর্যন্ত যদি সেই পিপাসার্ত পথিক ধাবিত হতে থাকে কখনোই তা লাভ করতে পারবে না। মিথ্যাবাদী এরূপ মরীচিকার মতো ছলনাকারী। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ষা মওসুমে প্রায় প্রতি বছর সবকটি গেট খুলে দিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষকে ডুবিয়ে মারার পায়তারা করে ভারতের পানি জল্লাদরা। গত আগষ্ট মাসে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ভারতের মালদহ ঝাড়খন্ড আর বিহার রাজ্যে বন্যা ও ভাঙ্গন দেখা দিলে তার চাপ সামলাতে মরন বাঁধ ফারাক্কার ১০৯টি গেট খুলে দেয়। ফারাক্কা ব্যারেজ নির্মানের পর থেকে পঞ্চাশ বছরের বেশী সময় ধরে এমন জঘণ্য নির্মমতা করছে তারা।
বর্তমান শীত শুষ্ক মৌসুমে মৃতপ্রায় পদ্মা নদীর দিকে তাকালে একেবারে তলদেশে পানি দেখা যায় যত্সামান্য। চারদিকে দেখা যায় শুধু ধু-ধু বালু চর। বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাযির-নাযির এ সম্পর্কে যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّــاۤ اَرْسَلْنٰكَ شَاهِدًا وَّمُبَشِّرًا وَّنَذِيْــرًا
অর্থ: “(আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি শাহিদ অর্থাৎ সাক্ষ্যদাতা, উপস্থিত বা হাযির-নাযির হিসেবে, সুসংবাদ দানকারী এবং সতর্ককারীরূপে।” (পবিত্র সূরা ফাত্হ : আয়াত শরীফ ৮)
আলোচ্য পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখিত شَاهِدٌ (শাহিদ) শব্দ মুবারক উনার অর্থ মুবারকই বাকি অংশ পড়ুন...












