SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ভূষণ%' OR titleBn LIKE '%ভূষণ%' OR descriptionEn LIKE '%ভূষণ%' OR descriptionBn LIKE '%ভূষণ%' OR slug LIKE '%ভূষণ%' OR metaTag LIKE '%ভূষণ%' OR metaDescription LIKE '%ভূষণ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ব্রিটিশ আমলে যখন বাঙালি হিন্দুরা ইংরেজদের সহায়তায় সাহিত্যক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন থেকেই তারা শুরু করে মুসলমানদের চরিত্রে অপবাদ দিয়ে অশ্লীল সাহিত্য ও নাটক রচনা। বুযূর্গ বাদশাহ হযরত আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে উনার কন্যা ও বোনদের নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র তার ‘রাজসিংহ’ উপন্যাসে ব্যভিচারের গল্প ফাঁদে, কলকাতার নাট্যমঞ্চগুলোতে মুসলমান রাজা বাদশাহগণ উনাদের নিয়ে কুৎসিত কাহিনীযুক্ত নাটক মঞ্চায়িত হতে থাকে।
কিন্তু সেসব নাটকের কুশীলব কারা ছিল? প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার গ্রন্থ ‘আত্মঘাতী বাঙালী’-তে সেসময়ের মঞ্চনাট বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ مَنْصُورِيْنَ عَلَى الْـحَقِّ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَذَلَـهُمْ
অর্থ: সর্বদাই আমার উম্মতের মধ্যে একটি সাহায্যপ্রাপ্ত বিজয়ী দল হক্বের উপর থাকবে। বাতিলপন্থিরা উনাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত দ্বীন উনাকে জীবন্ত রাখার জন্য যুগে যুগে নিযুক্ত করেছেন নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া এবং উনাদের ওয়ারিছ ওলীআল্লাহ ও মুজাদ্দিদ উনাদেরকে এবং উনাদের স বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রায়ে ৩০ আসামির মধ্যে দুই আসামিকে মতু্যুদ-, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদ- এবং বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়া হয়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) বিচারক নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সর্বসম্মতিক্রমে এই রায় ঘোষণা করেন।
আজকের রায়ে মতু্যুদ-প্রাপ্ত দুই আসামি হল বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবি বাকি অংশ পড়ুন...
সাতৈর শাহী মসজিদ শত শত বছর ধরে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। মসজিদটি ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামে অবস্থিত। এটি প্রায় ৭০০ বছর আগের নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহের আমলে নির্মিত।
বর্গাকার এই মসজিদটি বাইরের দিক থেকে ১৭ দশমিক ৮ মিটার এবং ভেতরের দিক থেকে ১৩ দশমিক ৮ মিটার।
স্থানীয় তথ্যসূত্রে, ভূমি থেকে মসজিদটির মেঝে প্রায় শুন্য দশমিক ৭৬ মিটার উঁচু ছিলো, বর্তমানে এটি শুন্য দশমিক ৬ মিটার উঁচু। মোট ৯টি কন্দ আকৃতির গম্বুজ রয়েছে। মসজিদটির ভেতরে পাথরের তৈরি চারটি স্তম্ভ, দেয়ালে ও দেয়ালের গা সংলগ্ন মোট ১২টি পিলার রয়েছে। বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা নারী জাতি, নারী কুল
ঘুণ ধরা সমাজের।
আমরা বলি,
আমরা সেই দিনই হয়েছি শান্ত
যেদিন জানিলাম আর্তনাদের ধ্বনিগুলো
আকাশে বাতাসে দুলিলো না;
সর্বহারা নারী জাতিদের দুঃখ-কষ্ট রহিলো না;
আমরা সেই দিনই হয়েছি শান্ত।
আমরা সেই দিনই হয়েছি শান্ত
যেদিন জানিলাম-
শয়নে-স্বপনে নারী সকল পুলকিত;
মায়া-মমতায় হৃদচেতনায়
এ ধরার বুকে শিহরিত।
খুশির আমেজ ঝিরিঝিরি হাওয়ায়
বহিয়া চলিলো হেথায় ,
কুল-মাখলুক্বাত পড়িলো ক্বাছীদা
শান্তি পেল সবাই।
আমরা সেই দিনই হয়েছি শান্ত
যেদিন কনকচাঁপা, রজনীগন্ধা,
গোলাপ, হাসনাহেনা
আরো যত ফুল, ফুটিল বাগানে
সুবাসে মাতিলো ধরণ বাকি অংশ পড়ুন...
শ্রেষ্ঠ তোহফা শাহযাদী
শ্রেষ্ঠ তোহফা শাহযাদী ॥
জান্নাতকে করি সুওয়াল
শ্রেষ্ঠ তোহফা কি ইলাহার
অপরূপ শাহযাদীর আভায়
রাঙ্গানো জান্নাতী ভূষণ।
ভোরের বনের পাখি কহে
আধেক ফোটা গোলাপ মালায়
হাসিতে তোমার ॥
হাসিতে তোমার এতো যে রূপ
শাহযাদীর পরশে অনুক্ষণ।
দিনের রবি মেঘের ভেলায়
রাতের শশী তারার মালায়
খুঁজে ফেরে ॥
খুঁজে ফেরে হাওয়ার বেগে
শাহযাদাজীর অটুট বাঁধন।
হারিয়ে যাওয়া নূরী প্রভা
ফিরে পেলো আবার প্রদীপ
শাহযাদীর আলোয়॥
শাহযাদীর আলোয় হবো আলোময়
খুশিতে অশ্রু হবে বর্ষণ।
নীল চাদোয়া করে ঝলমল
দয়া মায়ায় রহেন অটল
আগুন রাঙ্গা ॥
আগ বাকি অংশ পড়ুন...
শ্রেষ্ঠ তোহফা শাহযাদা
শ্রেষ্ঠ তোহফা শাহযাদা ॥
জান্নাতকে করি সুওয়াল
শ্রেষ্ঠ তোহফা কি ইলাহার
অপরূপ শাহযাদার আভায়
রাঙ্গানো জান্নাতী ভূষণ।
ভোরের বনের পাখি কহে
আধেক ফোটা গোলাপ মালায়
হাসিতে তোমার ॥
হাসিতে তোমার এতো যে রূপ
শাহযাদার পরশে অনুক্ষণ।
দিনের রবি মেঘের ভেলায়
রাতের শশী তারার মালায়
খুঁজে ফেরে ॥
খুঁজে ফেরে হাওয়ার বেগে
শাহযাদাজীর অটুট বাঁধন।
হারিয়ে যাওয়া নূরী প্রভা
ফিরে পেলো আবার প্রদীপ
শাহযাদার আলোয় হবো আলোময়
খুশিতে অশ্রু হবে বর্ষণ।
মনেরই পটে বাঁধে বাসা
স্মৃতির পাতে হারানো আশা
খলীফাতুল উমাম মুকুট
শাহায বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র : উপজাতি সন্ত্রাসীদের চাঁদা আদায়ের একটি রশিদ।
জেএসএস হলো বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। এটিই মূলত উপজাতিদের অধিকারের দাবির অন্তরালে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা, অব্যাহত চাঁদাবাজি, সশস্ত্র কার্যক্রম, হানাহানি, খুন-গুম করে সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামকে অশান্ত করে আসছে। বাংলাদেশের জন্মের পর উপজাতিরা পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বায়ত্ত্বশাসন-স্বাধীনতার দাবিসহ মোট চার দফা দাবি পেশ করে। দাবিগুলো সংবিধান ও দেশ বিরোধী হওয়ার কারণে সে সময় দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করা হয়। এটি মে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সম্পদ বিক্রি করে নয়, ব্যবসা করে বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বহুল বিতর্কিত (এমএলএম) কোম্পানি ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড।
গত রোববার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির ‘২৫ বছরে পদার্পণ’ অনুষ্ঠানে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়।
দীর্ঘ এক যুগ বন্ধ থাকার পর নতুন করে ব্যবসায়ে ফেরার ঘোষণা দিয়েছে ডেসটিনি। সভায় বক্তারা আরো বলেন, যত টাকা আত্মসাৎ হয়েছে বলে বলা হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ রয়েছে ডেসটিনির। তাই এত বছরেও গ্রাহকেরা হাল ছাড়েননি। ব্যবসা করবেন বলে তারা নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছেন।
স্বত বাকি অংশ পড়ুন...
পাহাড়ে ‘শান্তি বাহিনী’র নাম দিয়ে উপজাতিরা প্রায় ৪০ হাজার নিরীহ বাঙালীকে হত্যা করেছে। রাজনগর গণহত্যা, পাকুয়াখালী ট্রাজেডি, মাটিরাঙ্গা গণহত্যা, ভূষণছড়া গণহত্যার ইতিহাস এখনও মানুষ ভুলে যায়নি। এখনও পাহাড় সেই সকল শহীদদের গণকবরের ওজন বহন করে। কিন্তু এত বিপুল পরিমাণ বাঙালীকে হত্যা করা হলেও উপজাতিদের সে জন্য আইনের আওতায় আনা হয়নি। আমরা সেই বাঙালী গণহত্যার বিচার চাই। খুনি উপজাতিদের ফাঁসি চাই। বাকি অংশ পড়ুন...
ব্রিটিশ আমলে যখন বাঙালি হিন্দুরা ইংরেজদের সহায়তায় সাহিত্যক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন থেকেই তারা শুরু করে মুসলমানদের চরিত্রে অপবাদ দিয়ে অশ্লীল সাহিত্য ও নাটক রচনা। বুযূর্গ বাদশাহ হযরত আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে উনার কন্যা ও বোনদের নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র তার ‘রাজসিংহ’ উপন্যাসে ব্যভিচারের গল্প ফাঁদে, কলকাতার নাট্যমঞ্চগুলোতে মুসলমান রাজা বাদশাহগণ উনাদের নিয়ে কুৎসিত কাহিনীযুক্ত নাটক মঞ্চায়িত হতে থাকে।
কিন্তু সেসব নাটকের কুশীলব কারা ছিল? প্রাবন্ধিক নীরদ সি চৌধুরী তার গ্রন্থ ‘আত্মঘাতী বাঙালী’-তে সেসময়ের মঞ্চনাট বাকি অংশ পড়ুন...












