SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ভূখন্ড%' OR titleBn LIKE '%ভূখন্ড%' OR descriptionEn LIKE '%ভূখন্ড%' OR descriptionBn LIKE '%ভূখন্ড%' OR slug LIKE '%ভূখন্ড%' OR metaTag LIKE '%ভূখন্ড%' OR metaDescription LIKE '%ভূখন্ড%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আফ্রিকার ছোট্ট দেশ সোমালিয়া। কিছুটা প্রাকৃতিক হলেও দেশটিতে দুর্ভিক্ষের অধিকাংশই মানবসৃষ্ট। স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই জাতি ও অঞ্চলগত দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে দেশটি।
সোমালিয়া ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে দেশটি এখনো স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে পারেনি। দাঙ্গা-হাঙ্গামা স্থানীয় জনগণের স্বাভাবিক আচরণে পরিণত হয়েছে। এমনকিছু অঞ্চল রয়েছে যেখানে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এখন পর্যন্ত। সামান্য কলেরায় হাজারো শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। জীবন মান উন্নয়ন ও শিক্ষার কোনো উদ্যোগ কাজে লাগতে পারেনি দেশটির সরকার। সে দেশের সেনà বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এটা লক্ষ্যণীয় যে ইবনে আন-নাদিমের ফিহরিস্ত (গ্রন্থপঞ্জি) ইসলামী গ্রন্থাগারগুলিতে গৃহীত কিতাব শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির একটি উদাহরণ। ইবন আন-নাদিম এই দশটি প্রধান শ্রেণীর তালিকাভুক্ত করেছেন: পবিত্র কুরআন শরীফ, ব্যাকরণ, ইতিহাস, কবিতা, নীতিশাস্ত্র, আইনশাস্ত্র, দর্শন, হালকা সাহিত্য, ধর্ম এবং আলকেমি। এই প্রধান শ্রেণীগুলি একটি গ্রন্থাগারের প্রয়োজন অনুসারে উপবিভক্ত ছিল। মধ্যযুগীয় যুগে ইসলামী গ্রন্থাগারগুলিতে গ্রন্থাগারিকদের অবস্থান অবশ্যই একটি সম্মানজনক স্থানে ছিল। কারণ অনেক গ্রন্থাগার প্রায়শই বিখ্যাত স্কলà বাকি অংশ পড়ুন...
খোদায়ী আযাব-গযবের কারণে ইহুদীরা কখনই কোনো ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেনি। যার কারণে এরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ইহুদীরা স্থানীয় ভাষায় কথা বলা ও স্থানীয় রীতিনীতিতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। তবে যে দেশেই বা ভূখন্ডে এরা বসবাস করতো সেই ভূখন্ডের মানুষদের প্রতি এদের কোনো আন্তরিকতা ছিলো না। এদের মূল লক্ষ্যই ছিলো কিভাবে অধিক সম্পদ উপার্জন করা যায়। তাই বিভিন্ন দেশের বিপদের সময় এরা কখনোই সেই দেশের পক্ষে হয়ে কাজ করতো না। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই দেশের বিপক্ষে অবস্থান নিতো। তাই বিভিন্ন দেশ থেকে বারবার এদের বিতাড়িত করা হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের এক অংশ (আসামের বরনগর) থেকে অন্য অংশে (বিহারের কাটিহার) বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের ভূখন্ডের ওপর দিয়ে ৭৬৫ কেভি হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের প্রক্রিয়াটি পুনরায় টেবিলমুখী হওয়া একটি চরম উদ্বেগজনক ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের খবরের সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত এই সুবিশাল ট্রানজিট লাইনের বিশাল খরচ বাংলাদেশের কাঁধে চাপানোর পাঁয়তারা চলছে, অথচ এ বিদ্যুৎ থেকে বাংলাদেশ নিজে কোনো সুবিধা বা বিদ্যুৎ ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না। সোজা কথায়- ভারতের নিজস্ব এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বিদ্য বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর থেকে দখলদার ইসরায়েলকে তার ‘বেআইনি উপস্থিতি’ বন্ধ করতে হবে এবং সেখানে থাকা সব বসতি স্থাপনকারীকে সরিয়ে নিতে হবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে তার দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা পালনের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় জানায়, আল-মুঘাইয়ির এলাকায় বসতি স্থাপনকারী দখলদারদের অব্যাহত হামলা ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতার কারণে সেখানকার ফিলিস্তিনিরা পুরোপুরি বাস্তুচ্যুত হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের ভূখন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর কড়া জবাব হিসেবে তীব্র পাল্টা আঘাত করেছে তেহরান। দেশটি জানিয়েছে, জর্ডানে অবস্থিত দুটি মার্কিন বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন ড্রোন (ড্রোন) ব্যবহার করে বড় ধরনের সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় কিং হুসেইন ও আজরাক বিমানঘাঁটিতে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের আইআরজিসি ৩১ আগস্ট ভোরে এই পাল্টা হামলা চালায়। আইআরজিসির অ্যার বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেছেন: কোনো মুসলিম ভূখ-ই অন্য কোনো মুসলিম দেশের ওপর আগ্রাসনের ঘাঁটিতে পরিণত হওয়া উচিত নয় এবং কোনো মুসলিম দেশেরই প্রতিবেশী দেশের অনিরাপত্তার মধ্যে নিজের নিরাপত্তা খোঁজা উচিত নয়।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বৃহস্পতিবার সকালে তেহরানে (মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠানের জন্য ব্যবহৃত সম্মেলন-কেন্দ্রের হল-ভবনে) ৪০তম আন্তর্জাতিক ইসলামী ঐক্য সম্মেলনে বক্তব্য দেয়ার সময় ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ এবং দেশের ভৌগোলিক অখ-তা রক্ষাà§ বাকি অংশ পড়ুন...
পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজি ও আধিপত্যের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা। আঞ্চলিক এই উপজাতি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হামলে পড়ছে অসহায় বাঙ্গালীদের উপর। শান্তির পাহাড়কে অশান্ত করে তুলছে এই উপজাতি সন্ত্রাসীরা। আতঙ্ক আর অপরাধের অঙ্গরাজ্যে পরিণত করছে দেশের পর্যটনের অপার সম্ভাবনার পার্বত্য অঞ্চলকে। উপজাতি পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সেখানকার নিরীহ বাঙালিরা। প্রতিবাদ বা মুখ খুললেই হত্যা বা নির্যাতন করা হচ্ছে।
সাধারণ পাহাড়ি বাঙালিরা বলছেন পাহাড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠার লà বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের ভূখন্ডে থেকে, বাংলাদেশেরই সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করার পরও এদেশেরই বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এমনকি পার্বত্য অঞ্চলকে ভারতের অঞ্চল হিসেবেও মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে একটি উপজাতীয় সন্ত্রাসী গ্রুপ। প্রতিবছর ১৭ই আগষ্ট উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা পার্বত্য ৩ এলাকায় চট্টগ্রাম আগ্রাসন দিবস পালন করে থাকে।
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত রাষ্ট্রের জন্ম হয়। তার আগের দিন জন্ম হয়েছে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের। ভারত বিভাগে র্যাড ক্লিফের বিভাজন রেখা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম পড়ে পূর্ব পাকিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত- এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার চেতনা আজ মুসলমানদের মাঝে খুবই কম। মায়ের ‘মা’ বা বাবার ‘মা’ অর্থাৎ নানী-দাদী তাদেরকে স্মরণের অনুভূতি আরো কম। অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে মাà বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারককালে সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমান বিজয়ের বীরোচিত উপাখ্যান রচনা করে সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সীমানা সারা পৃথিবীতেই বিস্তৃত করেন। বিশ্ববাসী মুসলমানদের তাক্বত, প্রতিপত্তি এবং ইনসাফ মুবারক সম্পর্কে অবগত হয়। দলে দলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করতে থাকেন।
বিশ্বব্যাপী সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার বিজিত অঞ্চলসমূহের গভর্নর এবং দায়িত্বশীলদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ডাক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তৎকালীন সম্মঠবাকি অংশ পড়ুন...












