SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ভক্ত%' OR titleBn LIKE '%ভক্ত%' OR descriptionEn LIKE '%ভক্ত%' OR descriptionBn LIKE '%ভক্ত%' OR slug LIKE '%ভক্ত%' OR metaTag LIKE '%ভক্ত%' OR metaDescription LIKE '%ভক্ত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ঢেলা-কুলুখ ও পানি ব্যবহারের নিয়ম:
বড় ইসতিন্জা (পায়খানা) করা শেষ হলে পাথর, অথবা মাটির ঢেলা অথবা কপড়ের টুকরা অথবা টিস্যু হাতে নিয়ে اُسْكُتْ عَنْ ذِكْرِ اللهِ (উস্কুত্ আন্ যিক্রিল্লাহ্্) বলে শাহাদাত আঙ্গুল দিয়ে তিনটি টোকা দিয়ে প্রথম ঢিলা, সামন থেকে মুছে পিছনে নিবে। দ্বিতীয় ঢিলা পিছন থেকে মুছে সামনে আনবে। তৃতীয় ঢিলা সামন থেকে মুছে পিছনে নিবে। (এখানে সহজটাই বলা হলো) বেজোড় সংখ্যক ৩/৫/৭ ঢেলা ব্যবহার করবে। ঢেলা ব্যবহার শেষ হলে তিনবার হাত ধৌত করবে, সন্দেহ দূর করার জন্য। এরপর ছোট ইসতিন্জার পুরুষলিঙ্গের মাথায় কুলুখ ধরে ইসতিবরা করবে। ইসতিবরা করার নঠবাকি অংশ পড়ুন...
মুহম্মদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু আবি আমের। ইতিহাসে যিনি পরিচিত হাজিব আল মানসুর নামে। একাধারে তিনি ছিলেন একজন শাসক, একজন যোদ্ধা এবং একজন সেনাপতি। জীবনে তিনি ৫৪টি জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং কখনো পরাজিত হননি। উনার পতাকা কখনো মাটিতে পতিত হয়নি। জিহাদের ময়দানে উনার মুখে থাকতো পবিত্র দরুদ শরীফ এবং সাথে থাকতো পবিত্র কুরআন শরীফ। তিনি পেয়েছিলেন সম্মানিত শহীদ উনার মর্যাদা।
হাজিব আল মানসুর দক্ষিণ আন্দালুসের জাজিরাতুল খাদরায় জন্মগ্রহণ করেন। শিশুকাল থেকেই উনার শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ বিষয়ে দক্ষ হয়ে ওঠেন। সাহিতà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়টি দেশব্যাপী বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এতে ক্ষমতাসীন বিএনপির অভ্যন্তরেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। দলের একাংশ বিষয়টিকে ‘জবাবদিহি’ ও ‘শৃঙ্খলা’র ক্ষেত্রে একটি কঠোর বার্তা হিসেবে দেখলেও অন্য অংশ এর নেপথ্যে ভিন্ন কোনও কৌশল থাকতে পারে বলে মনে করছেন। এক্ষেত্রে তারা ঢাকা নগরীর আসন্ন মেয়র নির্বাচনে আগেভাগেই তার ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
তারা বলেন, আসলে ইশরাক হোসেন সরকারের মন্ত্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
দখলদার ইসরাইলের অভ্যন্তরে একটি সুনির্দিষ্ট এবং বাস্তবসম্মত গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল আশঙ্কা করছে দেশটির প্রায় ৬০ শতাংশ বাসিন্দা। ইহুদি নীতিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জেউইশ পিপল পলিসি ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
নতুন এই সমীক্ষা অনুযায়ী জরিপে অংশ নেয়া শতকরা ৭৯ ভাগ ইসরাইলি মনে করে যে, সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের বিগত বছরটি অত্যন্ত ‘বাজে’ কেটেছে। এর পাশাপাশি দেশটির প্রায় ৪৯ শতাংশ সাধারণ মানুষ নিজেদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চরম হতাশা ও নৈরাশ্য প্রকাশ করেছে।
জরঠবাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এমন কোন রাত্র অতিবাহিত হয় না যে রাত্রে আমি আমার হাবীব (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে স্বপ্নে দেখি না, এতটুকু বলে তিনি ক্রন্দন করতে থাকতেন। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা মুবারক যখন তিনি স্মরণ করতেন তখন খুব অস্থির ও কাতর হয়ে পড়তেন। একদিন তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুর রহমাহ মুবারক বা চেহারা মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
শনিবার (১৭ অক্টোবর) জারি করা এই সার্কুলারের লক্ষ্য হলো— প্রয়োজনীয় সংশোধন ও হালনাগাদসহ বিদ্যমান নির্দেশনাগুলো একটি নথিতে সংকলনের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান ও কার্যক্রম পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করা। সার্কুলারটির জারির তারিখ থেকে এক বছর এর কার্যকারিতা থাকবে। এ ক্ষেত্রে সার্কুলারের আওতাভুক্ত বিষয়ে আগের নির্দেশনাগুলো সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বাতিল বলে গণ্য হবে।
ছয়টি অংশে বিভক্ত সার্কুলারটিতে লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন, বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন, স্বর্ণ আমদানি ও রপ্তানি, এএমএল বা সিএফটি পরিপালন, প্রতিবেদন দাখিল এবং লাইসেন্সধারী বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন ভয়-ডর শূণ্য দুঃসাহসী। খুব দৌঁড়াতে পারতেন। একবার ‘মাররুজ জাহরান’ নামক স্থানে একটি খরগোশ তাড়া করে ধরে ফেলেন। অথচ উনার সমবয়সী ছেলেরা খরগোশটির পিছনে তাড়া করে ফিরে আসে। বড় হয়ে তিনি নিপুণ অশ্বারোহী ও দক্ষ তীরন্দাজ হন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের জন্য এবং শরীয়তে উনার প্রগাঢ় ইলিম (জ্ঞান) থাকার জন্য সমাজে উনার যথেষ্ট গুরুত্ব ছিলো। প্রতিটি মানুষ উনাকে সম্মান, শ্রদ্ধা ও মুহব্বত মুবারকের চোখে দেখতো। উনার ছাত্র প্রখ্যাত তাবেয়ী হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিছাল শরীফ:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিছাল শরীফ অর্থাৎ ওফাত শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ মতে হিজরী ৯৩ সনে তিনি ইন্তিকাল করেন এবং তখন উনার বয়স মুবারক হয়েছিলো ১০৩ বছর। (ইছাবা)
কারণ হিজরতের পূর্বে উনার বয়স মুবারক ছিলো ১০ বছর। (উসুদুল গাবা, সিয়ারু আলামিন নুবালা)
বিছাল শরীফের পূর্বে তিনি কয়েক মাস অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলেন। উনাকে দেখার জন্য উনার মুহব্বতকারী, ভক্ত-অনুরক্তদের ভীড় লেগেই থাকতো। দূর দূরান্তর থেকে দলে দলে লোকজন উনাকে এক নজর দেখার জন্য আসতো। বিছাল শরীফের সময় ঘনিয়ে আসলà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, দিল্লির শাসন বা ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, বাংলার মাটিতে তাদের কোনো স্থান নেই। তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন। দিল্লির ইশারায় যারা কাজ করছে, তারা শয়তানের দোসর। যাদের হেডকোয়ার্টার দিল্লিতে, তাদের দিল্লিতেই চলে যেতে হবে।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মও বাকি অংশ পড়ুন...
পিরি রইস ছিলেন উসমানীয় সালতানাতের নৌবাহিনীর এডমিরাল যার অংকিত বিশ্ব মানচিত্রই হচ্ছে তুর্কি এটলাসের সবচেয়ে পুরাতন মানচিত্র যা এক নতুন বিশ্বের সন্ধান দেয়। এই বিশ্ব মানচিত্র এখনো আমেরিকায় পুরাতন মানচিত্র হিসেবে বিদ্যমান।
তুর্কি আর্কাইভের তথ্যানুসারে জানা যায় পিরি রইসের সম্পূর্ণ নাম হাজী আহমেদ মহিউদ্দিন পিরি। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন উসমানী সালতানাতের গেলিবলুতে।
পিরি রইসের চাচা কামাল রইস ছিলেন প্রখ্যাত সমুদ্র বিশারদ। তিনি ১৪৯৫ সালে তুর্কি নৌবাহিনীর এডমিরাল হিসেবে নিয়োগ পান। চাচার পদাঙ্ক অনুসরণ করে পিরি রইস ১৪৮১ সালে বাকি অংশ পড়ুন...
আবু মুহম্মদ জাবির ইবনে আফলাহ (হিজরী ৪৯৩-৫৪৪; খ্রি: ১১০০-১১৫০) ছিলেন মুসলিম স্পেন আল আন্দালুসিয়ার সেভিলের আরব মুসলিম মহাকাশ বিজ্ঞানী, গণিতজ্ঞ। উনার অনবদ্য কৃর্তী ‘ইসলাহুল মাজিস্ত্বী’। এই কিতাব ৯টি খন্ডে বিভক্ত ছিল। এছাড়াও গণিতের উপর তিনি ‘ফীশ শাকলিল ক্বত্ত্বা’ লিখেছিলেন। উনার জন্মস্থান সম্পর্কে তেমন জানা যায় না। তবে উনার নাম আল ইশবিলি নির্দেশ করে যে তিনি সেভিলের বাসিন্দা ছিলেন।
জাবির ইবনে আফলাহ তিনি উনার কিতাব ‘ইসলাহুল মাজিস্ত্বী’তে টলেমির আলমাজেস্টের সমালোচনামূলক বক্তব্য পেশ করেন।
মূলত: তিনি আল মাজেস্টের গাণিতিক ভিত্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
বুখারী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বিশিষ্ট ছাহাবী, কবি হযরত হাসসান বিন সাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জন্য পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে একটি মিম্বর শরীফ স্থাপন করেছিলেন।
আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করতেন-
اِنَّ اللهَ يُؤَيّدُ حَسَّانَ بِرُوْحِ الْÙ বাকি অংশ পড়ুন...












