গাছজুড়ে মুকুলের সরব উপস্থিতি দেখে মনে হতে পারে, অনেক আম হবে! কিন্তু, এই কথা যদি সত্যে পরিণত হতো তাহলে আমেই সয়লাব হতো দেশ।
মুকুলে অনেক পরিমাণে ফুল থাকে। ফুলের শতকরা ২৫ থেকে ৯৮ শতাংশই পুরুষ। প্রতিটি থোকায় দুই/তিনশ থেকে তিন/চার হাজার পরিমাণ ফুল থাকে। প্রতিটি থোকায় পরাগায়নের পরিমাণ শতকরা দুই থেকে তিন ভাগ। প্রখর রোদ, অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং কুয়াশার কারণে পরাগায়ন ব্যাহত হয়।
সত্যিটা হলো- সব ‘মুকুল’ আম হয় না। কি কারণে এমনটা হয়? এ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খুঁজতে ঢাবি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের কাছে আম গাছে যত মুকুল আ বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
সুনামগঞ্জে গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সকাল থেকে বজ্রসহ ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বন্যার আশঙ্কায় কৃষকেরা হাওরে যে যেভাবে পারছেন ধান কাটছেন। জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জরুরি সভা করেছে।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রশাসন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সু বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
কৃষকদের বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শ্রমিক সংকট। হাওর পাড়ের কৃষকরা জানিয়েছেন, যেসব জমির ধান পেকেছে তা শ্রমিকের অভাবে কাটতে পারছেন না তারা। জনপ্রতি ৭০০-৮০০ টাকা দিয়েও শ্রমিক পাওয়া না যাচ্ছে বলে জানান চাষিরা।
সুনামগঞ্জের দেখার হাওরের কৃষক সুলেমান মিয়া বলেন, বৃষ্টি আর পানিতে ধান নষ্টের ভয়ে আছি। যদি তেল পাওয়া যেত, তাহলে আমরা কৃষকরা বাঁচতে পারতাম। আমাদের ধান যদি নষ্ট হয়, তাইলে আমাদের মরণ ছাড়া উপায় নেই।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, আমাদের হাওরে ধান পেকে গেছে, কিন্তু শ্রমিকের এতো প বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘ তাপপ্রবাহের পর দেশে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও তা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) থেকে মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত টানা ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে, এতে সিলেট বিভাগ ও ময়মনসিংহ বিভাগে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে। চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর বাকি অংশ পড়ুন...
রংপুর সংবাদদাতা:
বোরো আবাদে সেচ নিয়ে যখন দুঃশ্চিন্তায় কৃষক, তখন মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত হয়ে নেমে এসেছে বৃষ্টি। শুকিয়ে যাওয়া ফসলের ক্ষেত পানিতে ভরে গেছে। এতে আগামী দুই থেকে তিনটি সেচ সাশ্রয় হয়েছে কৃষকের। ফলে সেচ খাতে ৫০ কোটি টাকার অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। কমবে বোরোর উৎপাদন খরচও।
রংপুর কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, দোনপ্রতি (২৪ শতক) কৃষকের একবার সেচ দিতে খরচ হয় প্রায় ১২৫ টাকা। তিন বার সেচ দিতে দোনপ্রতি কমপক্ষে ৩৭৫ টাকা খরচ করলে হেক্টর প্রতি কৃষকের খরচ হতো ৩ হাজার ৭০০ টাকা। এ বছর রংপুরে ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। হিসাব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের দিকে আসছে প্রায় পূর্ণাঙ্গ শক্তিশালী বৃষ্টি বলয় ঝুমুল। এতে দেশের অধিকাংশ এলাকায় ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম।
সংস্থাটি জানায়, এই বৃষ্টি বলয়ের প্রভাবে দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৯০ শতাংশ এলাকায় কমবেশি ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এটি চলতি বছরের পঞ্চম বৃষ্টি বলয়।
সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে এই বলয় সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকবে। এছাড়া ময়মনসিংহ, রংপুর, ঢাকা বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তরাংশে উল্লেখযোগ বাকি অংশ পড়ুন...
নেত্রকোনা সংবাদদাতা:
কৃষকদের অভিযোগ, দেশে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ৪০ কেজিতে এক মণ ধরা হলেও স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী ৪২ থেকে ৪৫ কেজিতে এক মণ হিসাবে ধান কিনছেন। এতে প্রতি মণে কয়েক কেজি ধান অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে, যা সরাসরি ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মাঠপর্যায়ে দরকষাকষির সুযোগ কম থাকায় অনেকেই বাধ্য হয়ে এই শর্তে ধান বিক্রি করছেন।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দফা শিলাবৃষ্টি ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতে হাওরের নি¤œাঞ্চলের অনেক জমির ধান তলিয়ে গেছে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। এর মধ্যেই শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ মোট ২৭ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
গতকাল ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম-এর দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
সংস্থাটি জানায়, দেশের রাজশাহী জেলার উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশ ও খুলনা বিভাগসহ ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, দিনাজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, রাঙামাটি ও বা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
উত্তরের জেলা রাজশাহীতে তীব্র তাপদাহে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) জেলায় মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি গরমে নতুন রেকর্ড।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের স্থানীয় কার্যালয়ের তথ্য বলছে, গত কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ওঠানামা করলেও ২০ এপ্রিলের পর থেকে তা দ্রুত বাড়তে থাকে। ২১ এপ্রিল তা ৩৯.৫ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলে, আর একদিন পরই ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছে যায়। একই সময়ে রাতের তাপমাত্রাও তুলনামূলক বেশি থাকায় স্বস্তি মিলছে না মানুষের।
টানা বৃষ্টিহীন আবহাওয়া ও প্রখর রোদের কা বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা:
উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা, বাউলাই নদীসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আগাম বন্যার শঙ্কার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এমন পরিস্থিতিতে জমির ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেলে দ্রুত কর্তনের অনুরোধ জানিয়েছে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গতকাল ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানান পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী-১ মামুন হাওলাদার।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হওয়া ও পৃথক হওয়া:
ঝড় বৃষ্টির সময় আকাশে কিমিউলোনিমবাস মেঘের পূর্ণাঙ্গ পর্যায়ে উর্ধ্বগামী বরফ কণা এবং নিম্নগামী শিলা খন্ড থাকে।
কণাগুলির পরস্পর ঘর্ষণের কারণে বরফ কণা ধনাত্মক এবং শিলা খন্ড ঋণাত্মক চার্জপ্রাপ্ত হয়। মেঘের উপরের অংশে জমা হয় ধনাত্মক চার্জ এবং নিচের অংশে জমা হয় ঋণাত্মক চার্জ। এই ঋণাত্মক চার্জের ইনডাকশন বা আবেশের কারণে যমীনে ধনাত্মক চার্জ জমা হয়।
এভাবে মেঘের ঋণাত্মক এবং যমীনের ধনাত্মক চার্জের মাঝখানে বাতাস ইনসুলেটর বা অপরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
কিন্তু দমকা বাতাসের কারণে এই ধনাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
নেত্রকোনা সংবাদদাতা:
হাওড়াঞ্চলে বোরো ফসলের গলার কাঁটা এখন ফসল রক্ষা বাঁধ। শতশত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এসব বাঁধেই দেখা দিয়েছে নানা বিড়ম্বনা। শেষ রক্ষা হচ্ছে না কৃষকের। উল্টো দিনে দিনে ভরাট হয়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টি কিংবা জোয়ারের পানিতেই দেখা দিচ্ছে ফসল ডুবির শঙ্কা।
জেলার ১০ উপজেলার অধিকাংশ এলাকা হাওড়বেষ্টিত। এর মধ্যে ৬টি উপজেলা হাওড়াঞ্চলের আওতায়। মদন, মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুরী, কলমাকান্দা, আটপাড়া ও কেন্দুয়ার হাওড়গুলোতে মূলত বোরো ফসল উৎপাদিত হয়। এসব ফসল রক্ষায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে বেড়িবাঁধের প্রয়োজন হয়। সে কারণেই পানি উন্নয়ন বোর্ বাকি অংশ পড়ুন...












