SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বৃটিশ%' OR titleBn LIKE '%বৃটিশ%' OR descriptionEn LIKE '%বৃটিশ%' OR descriptionBn LIKE '%বৃটিশ%' OR slug LIKE '%বৃটিশ%' OR metaTag LIKE '%বৃটিশ%' OR metaDescription LIKE '%বৃটিশ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
যেভাবে মুসলিম শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে কথিত সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়েছিলো:
১৮৩৭ সালে বর্বর বৃটিশ বেনিয়ারা অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ফার্সির স্থলে ইংরেজি চালু করে। অথচ বেনিয়া বৃটিশরা ক্ষমতা দখলের পরেও ৮০ বছর ফার্সী ভাষা দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে চালু ছিলো। এর ফলাফল হলো এই, লক্ষ লক্ষ মুসলিম যারা সরকারী বিভিন্ন পজিশনে চাকুরী করতেন তারা বেকার হয়ে গেলেন, তাদের জীবনে নেমে এলো ঘোর অন্ধকার। ফার্সি ভাষা শেখার ব্যাপারেও আর আগ্রহ থাকলো না। ফলে ফার্সিতে রচিত বিপুল সংখ্যক সাহিত্য ভান্ডার থেকে বঞ্চিত হয়ে গেলো পরবর্তী প্রজন্মের মুসল বাকি অংশ পড়ুন...
নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীরা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কটূক্তি করে বলে থাকে, মাদরাসায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা হয়না। সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানো হয়! এ অপপ্রচারে মাদরাসা নিয়ে অভিভাবক মহলে হীনমন্যতার প্রবেশ করে।
ইতিহাস সাক্ষী অতীতের সকল মুসলিম বিজ্ঞানী, জ্ঞানী-গুনী সবাই মক্তব-মাদরাসায় পড়াশোনা করেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। বেনিয়া বৃটিশ শাসনের পুর্বে মুসলিম শাসনামলে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিলো মূল। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে পড়ানো হত।
মুসলিম শাসনামলের অবদান:
মুসলিম শাসনামলের শুরু বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও শত্রুতার প্রকাশ:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও কাট্টা মুনাফিক, নিকৃষ্ট কাফির ইহুদীদের পুরাতন খাছলত মুসলিম শত্রুতার প্রকাশ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (League of Nations) সৃষ্টি।
ইহুদীদের কূটকৌশলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মুসলমানদেরকে বিশ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতবর্ষে সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশরা যখন তাদের ঔপনিবেশিক শাসন কায়েম করে তখন স্থানীয় মুসলিম যুবকরা শক্তিশালী ও কর্মঠ হওয়ায় তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বৃটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হতো। যোগ না দিলে গোপনে হত্যা কিংবা পরিবারসহ উচ্ছেদ হতে হতো তাদের। তাই বাধ্য হয়েই তারা বৃটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতো।
সে সময় সিন্ধ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে কিছু মুসলমানকে ব্রিটিশদের পঞ্চম পদাতিক বাহিনীতে যোগ করা হয়। তাদের সবারই ভারতের ভেতরেই দায়িত্ব পড়ার কথা ছিলো। কিন্তু ১৯১৪ সালের ১০ অক্টোবর হঠাৎ করেই পঞ্চম পদাদিক সেনাদের বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভেতরে যখন ভিন্ন কোনো প্রশাসনিক বিধিমালা বা সমান্তরাল শাসনব্যবস্থা চালু থাকে, তখন সেই রাষ্ট্রের অখ-তা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া স্বাভাবিক। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই অসংগতির নাম ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০’ বা ‘সিএইচটি ম্যানুয়াল’। ব্রিটিশ শাসনামলে নিজেদের ডিভাইড অ্যান্ড রুল (ভাগ করো এবং শাসন করো) নীতি বাস্তবায়ন করতে তারা এই দুর্গম পাহাড়কে মূল ভূখ- থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার যে অবৈধ আইনি প্রাচীর তৈরি করেছিল, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সেই ঔপনিবেশিক বোঝা বয়ে বেড়ানো কেবল আত্মঘাতীই নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার জ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এজন্য গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সাথে শিগগিরই আলোচনা করা হবে। সরকার সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর ইআরএফ কার্যালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে আমরা পুনর্মূল্যায়ন করতে চাচ্ছি, সবার জন্য নিরাপত্তা বিধান প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছি, মিডিয়া রিফরমস কমিশনকে বৃটিশ অফকম সিস্টেমের আদলে পুনর্গঠনের চিন্তা চলছে, হত বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
কয়লার দাম ও বিদ্যুৎ শুল্ক নিয়ে ভারতের আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সঙ্গে চলমান বিরোধ নিষ্পত্তিতে আন্তর্জাতিক সালিশ প্রক্রিয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের একটি আইন প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পক্ষে সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারে (এসআইএসি) মধ্যস্থতা ও সালিশ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠান থ্রি ভিপি চেম্বার্স নামের লন্ডনভিত্তিক একটি আইনি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর বরাতে দ্য হিন্দু জানিয়েছে, বিপিডিবি’র কর্মকর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
‘বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ মাসে রাষ্ট্রপতি ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ নামে একটি আদেশ জারি করেন। আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে সাবেক পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ ও পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে এ অঞ্চল থেকে নির্বাচিত সকল সদস্য (১৬৯+৩১০=৪৭৯ জন) নিয়ে এই গণপরিষদ গঠিত হওয়ার কথা। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন নিহত, স্বাভাবিক মৃত্যু এবং অন্য কারণে ৪৯ জন সদস্য বাদ পড়েন। বাকি ৪৩০ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়। এদের মধ্যে মাত্র ৩ জন বাদে (২ জন স্বতন্ত্র ও ১জন ন্যাপ- মোজাফফর) বাকি বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিম ভারতের টাকায় হয়েছে ইংল্যান্ডের শিল্পায়ন- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়, আরো উপনিবেশ স্থাপন সহ আরো সব সমৃদ্ধি
বিপরীত দিকে মুসলিম ভারতকে করেছে ধনী থেকে দরিদ্র
আজকে পাকিস্তান থেকে যদি বাংলাদেশ ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে
একইভাবে বৃটিশ থেকেও বাংলাদেশ লক্ষ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে
কারণ মুসলিম ভারতের মূল অংশই পাচার হয়েছে বাংলাদেশ থেকে
(১ম পর্ব)
লুটের টাকায় চার বার মুড়ে ফেলা যেত লন্ডন শহরকে! ভারত থেকে প্রায় ৬৫ লক্ষ কোটি ডলার লুট করে ব্রিটেন।
পরাধীন ভারত থেকে কত টাকা লুট করে ব্রিটিশ শাসকেরা? চলতি বছরের (পড়ুন ২০২৫) সাধার বাকি অংশ পড়ুন...
নারিকেল দ্বীপের মত ১৫০টা দ্বীপ আছে আরাকানে।
এই অঞ্চলটা এত উর্বর যে, বলা হয় এখানে চাষ ছাড়া এমনিতে দানা ফেলে দিলেও শস্য জন্মে।
আরাকানকে দেখে বৃটিশরা বলতো, এটা এই অঞ্চলের ‘রাইস বোল’।
এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় আর উর্বর মাটির কারণে এখানে প্রচুর ধান, নারিকেল, পামসহ খাদ্যশস্য জন্মে।
সামনের পৃথিবী হবে এমন, যাদের খাদ্য উৎপাদন ক্ষমতা যত বেশী থাকবে, তারাই অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকবে।
কারণ, বাকী যা কিছু থাকুক বা না থাকুক, খাবার আপনার লাগবেই। খেতে আপনাকে হবেই।
এই কারণে আমেরিকান, ইউরোপীয় আরদালিরা আফ্রিকায় হাজার হাজার একর কৃষি জমি কিনে র বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলিম মালয়েশিয়ার জাতীয় মসজিদ, যা মালয়েশিয়ার স্থানীয় ভাষায় “মসজিদ নেগারা” নামে পরিচিত। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই মসজিদ কমপ্লেক্স ১৩ একর জায়গার উপর নির্মিত। এর মনোরম স্থাপত্যশৈলী ও ইন্টোয়ির ডিজাইন যে কাউকেই মুগ্ধ করে। মালয়েশিয়ার জাতীয় ঐক্যের প্রতীক মসজিদ নেগারা বা জাতীয় মসজিদ নির্মাণে স্বনামধন্য তিনজন দক্ষ স্থপতির যৌথ নক্শায় এ মসজিদ নির্মাণ করা হয়।
মালয়েশিয়ার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রাজধানী কুয়ালালামপুরের ভেখিৃ: রোডের পর্শস্থিত ১৩ একর ভূমির উপর ১৯৬৫ খৃ: এ মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
গত ২১শে এপ্রিল সন্ত্রাসী সন্তু লারমার নাতি জাতিসংঘ অধিবেশনে, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশীদের বিরুদ্ধে চরম ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য দিয়েছে
বাংলাদেশী উপজাতিদের আদিবাসী দাবী করে সংবিধান বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করেছে
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা থেকে বাঙালীদেরই তাড়িয়ে দেয়ার জোর দাবী তুলেছে।
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা বাকি অংশ পড়ুন...












