SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বাইয়্যিনাত%' OR titleBn LIKE '%বাইয়্যিনাত%' OR descriptionEn LIKE '%বাইয়্যিনাত%' OR descriptionBn LIKE '%বাইয়্যিনাত%' OR slug LIKE '%বাইয়্যিনাত%' OR metaTag LIKE '%বাইয়্যিনাত%' OR metaDescription LIKE '%বাইয়্যিনাত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
১) পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে গোসল করা খাছ সুন্নত মুবারক ও বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের উছীলা :
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে গোসল করা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
مَنْ اِغْتَسَلَ فِيْهِ عُفِىَ وَلَـمْ يَـمْرَضْ اِلَّا مَرَضَ الْـمَوْتِ وَاَمِنَ مِنَ الْكَسْلِ وَالتَّعْلِيْلِ.
অর্থ : “যে ব্যক্তি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন গোসল করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে রোগ থেকে মুক্তি দান করবেন। মৃত্যু ব্যতীত তার কোন কঠিন রোগ হবেনা এবং সে অলসতা ও দুঃখ-কষ্ট হতে নিরাপদ থাকবে।” (আল বাইয়্যিনাত শরীফ)
উল্লেখ্য, নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
৪) পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে গরিবদের পানাহার করানো ও ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো খাছ সুন্নত মুবারক ও বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের উছীলা:
গরিবদের পানাহার করানো ও ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
مَنْ مَّسَحَ فِيْهِ عَلٰى رَأْسِ يَتِيْمَ وَاَطْعَمَ جَائِعًا وَسَقٰى شَرْبَةً مِّنْ مَّاءٍ أَطْعَمَهُ اللهُ مِنْ مَّوَائِدِ الْـجَنَّةِ وَسَقَاهُ مِنْ الرَّحِيْقِ السَّلْسَبِيْلِ.
অর্থ : “পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন কোন মুসলমান যদি কোন ইয়াতীমের মাথায় হাত স্পর্শ করে, কোন ক্ষুধার্তকে খাদ্য খাওয়ায় এবং কোন পিপাসার্তকে পানি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে দু’দিন রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক ও বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের উছীলা:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صُوْمُوا التَّاسِعَ وَالْعَاشِرَ وَخَالِفُوْا فِيْهِ الْيَهُوْدَ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ৯ ও ১০ই মুহররম শরীফ রোযা রেখে ইহুদীদের খিলাফ অর্থাৎ বিপরীত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর-১৩
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَلَوْ آمَنَ أَهْلُ الْكِتَابِ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُمْ مِنْهُمُ الْمُؤْمِنُونَ وَأَكْثَرُهُمُ الْفَاسِقُونَ.
অর্থ: তোমরাই সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত। মানবজাতির মধ্য থেকে তোমাদেরকে মনোনীত করা হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের নির্দেশ দিবে আর অসৎ কাজ (শরীয়তের খিলাফ কাজ) থেকে নিষেধ করবে। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান আনবে। (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১০)
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৯১)
(كُنْتُمْ) يَا أُمَّة مُحَمَّد বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খলীল বিন আহমদ বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, মানুষ ৪ প্রকার। যথা: (১) এমন মূর্খ লোক যে কিছুই জানে না, সে যে জানে না তাও বুঝে না। এমন লোক আহমক তথা গন্ড মূর্খ, তাই তার থেকে দূরে থাকবে। (২) এমন মূর্খ লোক, যে জানে যে সে মূর্খ, এমন লোক জাহিল, তাই তাকে ইলিম শিক্ষা দিবে। (৩) এমন জ্ঞানী লোক, যে জানে না যে সে জ্ঞানী। এমন ব্যক্তি ঘুমন্ত, তাই তোমরা তাকে জাগিয়ে দাও। (৪) এমন জ্ঞানী লোক, যিনি জানেন যে তিনি জ্ঞানী। এমন ব্যক্তি আলিম, তাই তোমরা উনাকে অনুসরণ করো।
অর্থাৎ যেই উলিল আমর উনার পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দলীল বেশি সেই উলিল আমর উনাক বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৭)
(ياأيها الذين امَنُواْ أَطِيعُواْ الله) أي في الفرائض (وَأَطِيعُواْ الرسول) أي في السنن. ويقال: أطيعوا الله فيما فرض، وأطيعوا الرسول فيما بيّن. ويقال أَطِيعُواْ الله بقول لا إله إلا الله، وأطيعوا الرسول بقول محمد رسول الله صلى الله عليه و سلم (وَأُوْلِى الامر مِنْكُمْ) يعني أطيعوا أولي الأمر منكم. قال الكلبي ومقاتل: يعني أمراء السرايا. وقال الضحاك: يعني الفقهاء والعلماء في الدين. ويقال: الخلفاء والأمراء ويجب طاعتهم ما لم يأمروا بالمعصية.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করো,) অর্থাৎ ফরজসমূহ পালন করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) অর্থাৎ সুন্নতসমূহ পালন করো। বলা হ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: রাজারবাগ শরীফ সিলসিলা ভুক্তদেরকে সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠকালে ছলাত শরীফ বলার সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না বলে লক্বব মুবারক যথা রসূলিল্লাহ ও হাবীবিল্লাহ বলে থাকেন। আর অন্য যারা মীলাদ শরীফ পড়েন উনারা সরাসরি নাম মুবারক বলেন।
আবার সালাম পেশ করার সময় আপনারা আসসালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আসসালামু আলাইকুম ইয়া হাবীবাল্লাহ বলেন। আর অন্যরা ইয়া নাবী সালামু আলাইকা, ইয়া রসূল সালামু আলাইকা, ইয়া হাবীব সালামু আলাইকা বলে থাকেন।
স বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৩)
(يَا اَيُّهَا الذين امَنُواْ) عثمان بن طلحة واصحابه (اَطِيعُوا الله) فيما امركم (وَاَطِيعُوا الرسول) فيما يأمركم (وَاُولِي الامر مِنْكُمْ) امراء السرايا ويقال العلماء.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ!) হযরত উছমান বিন ত্বলহাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও উনার সঙ্গী-সাথী উনারা (তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার আনুগত্য করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) তিনি যা তোমাদেরকে নির্দেশ করেন তা মান্য করো (এবং তোমাদের মধ্যে যাঁরা উলিল আমর-আদেশদাতা উনাদের অনুসরণ করো।) উনারা হলেন জিহাদ বাকি অংশ পড়ুন...












