সুওয়াল:
গান-বাজনা করা কি? কেউ কেউ বলে থাকে, “ইসলামী গান”যেমন- নবীতত্ত্ব, মুর্শীদি, জারী ইত্যাদি জায়িয। কারণ হিসেবে তারা বলে, হযরত সুলত্বানুল হিন্দ খাজা মুঈনুদ্দীন চিশ্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নাকি গান-বাজনা করেছেন। তারা আরো বলে থাকে যে, বুখারী শরীফ- এর ২য় খ-ের ২২৫ পৃষ্ঠায় এবং ৫ম খ-ের ৫৫৫ পৃষ্ঠায় নাকি “গান-বাজনা”জায়িয বলে লেখা আছে।
এখন আমার সুওয়াল হচ্ছে- “গান-বাজনা”সম্পর্কে সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়সালা কি? সত্যিই কি হযরত সুলত্বানুল হিন্দ খাজা ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি “গান-বাজনা”করেছেন? আর বুখারী শরীফ কিতাবের মধ্যে “গান-ব বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কোনো মুসলমান মনগড়া কোনো আমল করতে পারবে না। তার মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত তাকে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল ‘ছলাতুত তারাবীহ’ আদায়। এই নামায নিয়ে সমাজে ব্যাপক ইখতিলাফ দেখা যায়, অনেক নামধারী মালানা-মুফতী সাহেবরা তারাবীহ নামায ৮ রাকায়াত অথবা ১২ রাকায়াত বলে থাকে। আবার অনেক মসজিদে ৮ রাকায়াত বা ১২ রাকায়াত তারাবীহ আদায়ও করে।
সুওয়াল হলো- ছলাতুত তারাবীহ সংশ্লিষ্ট মাসয়ালা-মাসায়িল ও তারাবীহ নামায কত রাকায়াত এই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عن حضرت على عَلَيْهِ السَّلَامَ و حضرت عمر عَلَيْهِ السَّلَامَ وغيرهما من اصحاب النبى صلى الله عليه وسلم عشرين ركعة.
অর্থ: “ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে “এ উম্মতের শেষ সম্প্রদায় প্রথম যুগের মতো। অর্থাৎ হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাঝে অনন্য ব্যক্তিত্ব, মহামহিম, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদু বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৩১)
"وَإِذا قِيلَ لَهُمْ" يعنى الـمنافقين فى قول مقاتل وغيره."امِنُوا كَما آمَنَ النَّاسُ" اى صدقوا بمحمد صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وشرعه كما صدق الـمهاجرون والمحققون من اهل يثرب.
অর্থ: (যখন তাদেরকে বলা হয়) হযরত মুক্বাতিল রহমতুল্লাহি আলাইহি ও অপরাপর অনেকের মতে, যখন মুনাফিকদেরকে বলা হয় (তোমরা পবিত্র ঈমান আনো, যেরকম অন্যান্য ব্যক্তিত্ব পবিত্র ঈমান এনেছেন) অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ও উনার আনিত সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতি তারা যেন বিশ্বাস স্থাপন করে যেরকম পবিত্র ঈমান পবিত্র মক্কা শরীফ-পবিত্র মদীনা শরীফবাসী হযরত মুহাজির বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
মহিলাদের জামায়াতে তারাবীহ নামায পড়ার ক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম কি?
জাওয়াব:
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আম ফতওয়া হলো মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, তারাবীহ ও ঈদের নামাযসহ সকল নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ, ঈদগাহ ও যে কোন স্থানে যাওয়া মাকরূহ তাহরীমী। আর খাছ ফতওয়া হলো কুফরী।
এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামায, জুমুয়া ও ঈদের নামাযের জামায়াতে উপস্থিত হওয়া মাকরূহ্ তাহরীমী, যদিও প্রাপ্তা বয়স্কা ও বৃদ্ধা হোক সময়ের পরিবর্তনের কারণে। তাই উলামায়ে মুতাআখ্খিরীনগণ ফতওয়া দেন যে, মহিলাদের জামায়াতে উপস্থি বাকি অংশ পড়ুন...
ওই দেখো চাঁদ সিতারা
দিচ্ছে ঈদের ইশারা
খলীফাজীর তাশরীফে এই
তাকবীরী নারা....
খুব ছুরত চেহারা
প্রাণেরই পেয়ারা
শাহযাদা হামারা
সেরা! সেরা!
সু-স্বাগতম সু-স্বাগতম
হুব ইবনে হুব
ঈদ খুশিতে আমরা সবাই
ইশকে দিবো ডুব
দুনিয়াতে আজ এসেছেন মহানূর
শাহী রোবে কালো আধার হলো দূর
খেতাবে শেরে খোদা বীর বাহাদূর
শায়েখী সাহেবযাদা মেরে হুযূর
সাইয়্যিদী পাক সাহারা
মিষ্টি হাসি মনকাড়া
খলীফাজীর তাশরীফে এই
তাকবীরী নারা....
আল-মাদানী আল-আরাবী তাজেদার
একটু দিদার পেতে আশিক বেক্বারার
দস্তে শোভা পায় সারাদিন জুলফিকার
খিলাফতি সিয়াসাতের ওয়াফাদার
রসূলী কায়া বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র তারাবীহ নামায বিশ রাকায়াতই পড়তে হবে। কারণ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এব বাকি অংশ পড়ুন...












