আজ ৬ই ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ শহীদ দিবস। কল্পকাহিনীর উপর নির্ভর করে ঐতিহাসিক জলজ্যান্ত সত্য ভারতে মুসলমানদের ৪৬০ বছরের পুরনো বাবরি মসজিদ ১৯৯২ সালের এই দিনে ভেঙে দেয়া হয়। ভারতের হাইকোর্ট কিন্তু সকল বাস্তব প্রমাণ ও নথিকে অগ্রাহ্য করে হিন্দুদের কল্পকাহিনীর পক্ষে রায় দিয়েছিলো। কাফির মুশরিকরা যে মুসলমানদের শত্রু এটা এখানে স্পষ্ট। এরপর ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকার সারা ভারত জুড়ে একের পর এক মসজিদ, মাদরাসা, গোরস্থান, মুসলমানদের বাড়ি ঘর, দোকান-পাট সব উচ্ছদ করেই চলছে। সব প্রদেশে মুসলমানদেরকে জুলুম করা হচ্ছে, স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্ত বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত অন্তর্র্বতী সরকার স্বৈরাচারীর কথিত বিচার আর ছাত্র-জনতার সাথে পুলিশ-বিজিবি-সেনাবাহিনীর মারামারি লাগিয়ে দিয়ে দেশের জনগণের দৃষ্টিকে একদিকে আবদ্ধ করে রেখেছে আর অন্যদিকে তারা দেশের বন্দর, টার্মিনাল সব বিদেশীদের কাছে ইজারা দিচ্ছে। দেশের মানুষের ভরসার শেষ স্থানটুকু ছিল সেনাবাহিনী। কিন্তু এই সেনাবাহিনীসহ দেশের জনগণের নির্বিকার অবস্থার কারণে এবং লওওয়াত্ব জালিমকে সমর্থন করার কারণে ভূমিকম্পসহ নানান আযাব গজব আসছে। মানুষের উচিত তওবা করে লাওওয়াত্বকে উৎখাত করা। নতুবা আরো গজব আসতে পারে।
কিন্তু এই সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত অন্তর্র্বতী সরকার স্বৈরাচারীর কথিত বিচার আর ছাত্র-জনতার সাথে পুলিশ-বিজিবি-সেনাবাহিনীর মারামারি লাগিয়ে দিয়ে দেশের জনগণের দৃষ্টিকে একদিকে আবদ্ধ করে রেখেছে আর অন্যদিকে তারা দেশের বন্দর, টার্মিনাল সব বিদেশীদের কাছে ইজারা দিচ্ছে; দেশ বিক্রি করছে। পকেটমার বা চোর যেমন সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে পকেটের টাকা চুরি করে ঠিক সেইভাবে অন্তর্র্বতী, প্রতারক, গাদ্দার, আমেরিকার দালাল সরকার দেশের জনগণকে ফাঁকি দিয়ে ও ধোঁকা দিয়ে দেশটা বিক্রি করে চলছে। দেশের সম্পদ বিদেশী শত্রুদেরকে দিয়ে দিচ্ছে আর দেশের মানুষের হক্ব মেরে কাফিরদের তোষামোদী কর বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত অন্তর্র্বতী সরকার মুসলমানদের সাথে প্রতারণা করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী, মুসলমানদের শত্রুদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ইনসাফ কায়েমকারী মুসল্লী সমাজ’র ব্যনারে এক সমাবেশে প্রতিবাদী সমাবেশে বক্তারা এ কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, স্বৈরাচারীর কথিত বিচার আর ছাত্র-জনতার সাথে পুলিশ-বিজিবি-সেনাবাহিনীর মারামারি লাগিয়ে দিয়ে দেশের জনগণের দৃষ্টিকে একদিকে আবদ্ধ করে রেখেছে আর অন্যদিকে তারা দেশের বন্দর, টার্মিনাল সব বিদেশীদের কাছে ইজারা দিচ্ছে; দেশ বিক্রি করছে। পকেটমার বা চোর যেমন সবার চো বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভারতের বিজেপি-শাসিত কয়েকটি রাজ্যে মুসলমানদের ওপর সম্প্রতি গ্রেফতার, অভিযান এবং বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভাঙার ঘটনা ঘটছে। এর মূল কারণ পোস্টার, টি-শার্ট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় “আই লাভ মুহাম্মদ” লেখা বা প্রকাশ করা।
উত্তরপ্রদেশের কানপুরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মিলাদ শরীফ উনার দিন পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ (৬ সেপ্টেম্বর) সকালবেলা জুলুসের সময় একটি ব্যানারে “আই লাভ মুহাম্মদ” লেখা থাকায় আপত্তি জানায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী কিছু সন্ত্রাসী। এরপর অংশগ্রহণকারী মুসলমানদের বি বাকি অংশ পড়ুন...
বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ নাম শুনলে পৃথিবীবাসীর কাছে আর যেন কোন দলীলই প্রয়োজন হয় না। এখানে যা আছে চোখ বুজে মানুষ মেনেও নেয়। যেহেতু হাদীছ শরীফ উনার কিতাব সেহেতু মেনে নিবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আক্বীদার ক্ষেত্রে উছূল হচ্ছে যখন এমন কোন বর্ণনা পাওয়া যাবে, যা সম্মানিত আক্বীদা ও শান মান উনার খিলাফ তখন উক্ত বর্ণনা নিয়ে চিন্তা ফিকির করতেই হবে।
ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি হাদীছ শরীফ উনার প্রসিদ্ধ কিতাব আবু দাঊদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ উনার মধ্যে এমন রেওয়ায়েত আছে যেখানে উল্লেখ আছে- আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, আহলে বাইতে রসূলিল্লাহি ছল বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশী উপজাতিদের আদিবাসী দাবী করে সংবিধান বিরোধী ও রাষ্ট্রদ্রোহী অপরাধ করেছে
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা থেকে বাঙালীদেরই তাড়িয়ে দেয়ার জোর দাবী তুলেছে।
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা যে আদিবাসী নয় তাও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে জোরদার হচ্ছে আদিবাসী অপপ্রচার।
সঙ্গতকারণেই প্রত্যাহারকৃত ১৫৯টি সেনাক্যা বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত অন্তর্র্বতী সরকার একের পর এক কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ বিরোধী এবং দেশ বিরোধী (দেশ বিক্রির) কার্যক্রম করেই যাচ্ছে। এসব কাজ করার অধিকার তার নাই। জনগণের ইচ্ছা আকাঙ্খাকে তোয়াক্কা না করে এই অবৈধ সরকার পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী এবং দেশ বিরোধী এমন সব কাজ করছে যা জনগণের ঈমানী অনুভূতিতে চরমভাবে আঘাত করছে। সেনাবাহিনীর উচিত দেশ রক্ষার্থে এগিয়ে আসা এবং দেশের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করা।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করেন ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা। সমাবেশে তারা এ দাবি তুলে ধরেন।
সমাব বাকি অংশ পড়ুন...
কথিত অন্তর্র্বতী সরকার একের পর এক কুরআন শরীফ-সুন্নাহ শরীফ বিরোধী এবং দেশ বিরোধী (দেশ বিক্রির) কার্যক্রম করেই যাচ্ছে। এসব কাজ করার অধিকার তার নাই। জনগণের ইচ্ছা আকাঙ্খাকে তোয়াক্কা না করে এই অবৈধ সরকার পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী এবং দেশ বিরোধী এমন সব কাজ করছে যা জনগণের ঈমানী অনুভূতিতে চরমভাবে আঘাত করছে। সেনাবাহিনীর উচিত দেশ রক্ষার্থে এগিয়ে আসা এবং দেশের শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করা।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করেন ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা। সমাবেশে তারা এ দাবি তুলে ধরেন।
সমাব বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনা শুনেন নাই- এমন মুসলমান কমই রয়েছে। তবে পবিত্র কারবালায় সংঘটিত ঘটনার নছীহত বুঝেছেন- এমন মুসলমানের সংখ্যাও বলতে গেলে খুবই কম। পবিত্র কারবালা প্রান্তরে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছা বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় খ্বালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারকে নির্দিষ্ট তারিখে অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০, ১১ ও ১২ তারিখের যে কোন দিনে নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট প্রাণী অর্থাৎ দুম্বা, মেষ, ভেড়া, খাসী, ছাগল, উট, গরু, মহিষ প্রভৃতি গৃহপালিত হালাল চতুষ্পদ প্রাণীসমূহকে মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে যবেহ করাকে কুরবানী বলে।
পবিত্র কুরবানী হচ্ছে আবুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সুন বাকি অংশ পড়ুন...












