SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পিতা%' OR titleBn LIKE '%পিতা%' OR descriptionEn LIKE '%পিতা%' OR descriptionBn LIKE '%পিতা%' OR slug LIKE '%পিতা%' OR metaTag LIKE '%পিতা%' OR metaDescription LIKE '%পিতা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আযাদীর পরিবর্তে গোলামীকে বেছে নেয়া:
সাইয়্যিদুনা হযরত যায়েদ ইবনে হারিছাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি ছিলেন পারিবারিকভাবে অত্যন্ত উচ্চ বংশীয়। প্রাথমিক জীবনে তিনি একদিন একটি কাফেলার সাথে উনার নানার বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ‘ক্বায়েস গোত্র’ উনাদের কাফেলার সব কিছু ছিনিয়ে নিলো। এমনকি সাইয়্যিদুনা হযরত যায়েদ ইবনে হারিছাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকেও নিয়ে গিয়ে গোলাম হিসেবে বিক্রি করে দিলো। না‘ঊযুবিল্লাহ! তখন সাইয়্যিদুনা হযরত হাকিম ইবনে হায্ম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফুফু উম বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূর্ণ অনুসারী। সমগ্র জীবনব্যাপী জ্ঞান-গবেষণা ও মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত বন্দেগীতে নিয়োজিত ছিলেন। উনার ৮৬ বছরের জীবন ছিল একটি আলোকউজ্জ্বল জীবন মুবারক। নিম্নে উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক তুলে ধরা হলো-
নাম মুবারক ও বংশ পরিচয়:
নাম- মালিক, উপনাম-আবূ আবদুল্লাহ। বংশপরম্পরা- মালিক ইবনু আনাস ইবনু আবূ আমির ইবনু আমর ইবনু হারিছ আল আছবাহী। তিনি আরবের প্রসিদ্ধ কাহত্বান গোত্রের উপগোত্র আছবাহ উনার অন্তর বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন:
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهٗ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهٖ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهٗ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: মানুষ যখন ইন্তিকাল করে, তখ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহি বাহিনীর সামনে গিয়ে বললেন, “দেখ! আমি কে? আমি হলাম জান্নাতের যুবক উনাদের সাইয়্যিদ। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম, যাঁকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চুম্বন মুবারক করতেন এবং ইরশাদ মুবারক করতেন, ইনি আমার ফুল মুবারক। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম, যাঁর সম্মানিতা আম্মাজান সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম। আমি হলাম সেই হযরত ইমামুছ ছালিছ আলা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা সন্তানকে রেহেম শরীফে বহন করেন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا كَانَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ وَمَنْ حَوْلَهُمْ مِّنَ الْأَعْرَابِ أَنْ يَّتَخَلَّفُوا عَنْ رَّسُولِ اللهِ وَلَا يَرْغَبُوا بِأَنْفُسِهِمْ عَنْ نَّفْسِهٖ
অর্থ : আরব, আজম কারো জন্য জায়েয হবে না শাহিদুন নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পিছিয়ে থাকা এবং উনার থেকে নিজেকে বেশী প্রধান্য দেয়া। (পবিত্র সূরা তওবা : আয়াত শরীফ ১২০)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নিজের পিতা- বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ জন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নেয়ার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত তাসি‘আহ্ আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আত্ তাসি‘আহ্ অর্থাৎ নবম’। সুবহানাল্লাহ! তিন বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
উমর বিন হামযাহ বিন আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেন, আমি আমার পিতার (হামযাহ) সঙ্গে বসা ছিলাম। এ সময় একজন লোক পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিল। লোকটি বললো; আমাকে বলুন, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে আপনি কি বলেছিলেন, যখন আমি আপনাকে “জরফ” নামক স্থানে উনার সঙ্গে কথা বলতে দেখেছিলাম? বর্ণনাকারী (উমর) বলেন, আমি বলেছিলাম; হে আবু আবদুর রহমান! আপনার শরীর শক্তিহীন হয়ে পড়েছে, বয়স অনেক বেড়েছে। আপনার সঙ্গীরা আপনার মান মর্যাদা জানে না। আপনি যদি আপনার পরিবারকে নির্দেশ দিতেন, উনারা যেন আপনার জন্য এমন কিছু ব্যবস্থা করেন, যাতে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উন বাকি অংশ পড়ুন...












