SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%পাহাড়ধসের%' OR titleBn LIKE '%পাহাড়ধসের%' OR descriptionEn LIKE '%পাহাড়ধসের%' OR descriptionBn LIKE '%পাহাড়ধসের%' OR slug LIKE '%পাহাড়ধসের%' OR metaTag LIKE '%পাহাড়ধসের%' OR metaDescription LIKE '%পাহাড়ধসের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কক্সবাজার সংবাদদাতা:
কক্সবাজারে একরাতের ভারীবর্ষণে গত সোমবার (৬ জুলাই) দিনগত রাত ও ভোরের পৃথক চারটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মাঝে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় রোহিঙ্গা নারী-শিশুসহ আটজন মারা গেছেন। অপর পাহাড়ধস ও নিহতের ঘটনাটি কক্সবাজার সদরের পৌরসভা এলাকায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝে অন্তত আটটি পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশ ও ঢালজুড়ে গড়ে ওঠা অসংখ্য বসতিতে বাস করছেন লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। টানা ভারী বর্ষণ হলেই বাড়ছে ধসে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
টানা অতি ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের প্রভাবে স্মরণকালের ভয়াবহ পানিবদ্ধতায় কার্যত অচল হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম মহানগর। গত সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে গতকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৪১২.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৮৩ সালের ৪ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল।
পানিতে তলিয়ে গেছে নগরের বিস্তীর্ণ এলাকা, স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন, ব্যাহত হয়েছে যোগাযোগ ও স্বাস্থ্যসেবা। একই সঙ্গে বেড়েছে পাহাড়ধসের আ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশে প্রবল বর্ষণের মধ্যে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আটজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন। এছাড়া কক্সবাজার শহরে একইভাবে আরো একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগে থেকেই অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল এবং গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বেলা ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে তারা ২৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেছেন, ‘মূলত অতি ভা বাকি অংশ পড়ুন...
রাঙ্গামাটি সংবাদদাতা:
বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক বাঘাইহাট সড়কের নন্দারাম, চাইল্ল্যাতলী ও চম্পক নগর এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে খাগড়াছড়ির সঙ্গে সাজেকের সব রকম যানচলাচল বন্ধ পড়েছে।
গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) রাতভর বৃষ্টির কারণে বাঘাইহাট সাজেক সড়কের ৩টি স্থানে পাহাড়ের মাটি ধসে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পাহাড়ধসের কারণে সড়ক বন্ধ হয়ে পড়ায় সাজেকে চার শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছে বলে জানা যায়। এছাড়াও সড়কে মাটি ধসের কারণে দুই পাশে বহু যানবাহন আটকে আছে। এতে নারী-শিশুসহ ভোগান্তিতে বাকি অংশ পড়ুন...
বান্দরবান সংবাদদাতা:
বান্দরবানে টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের ঘটনায় রুমা উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গতকাল জুমুয়াবার দুপুর থেকে ওয়াইজংশন-রুমা সড়কের একটি অংশে পাহাড় ধসে পড়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় এবং পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলা শহর ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আসিফ রায়হান জানান, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার ৭টি উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোল বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলমান বন্যায় এখন পর্যন্ত দেশের আট জেলার ২৯ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে চলমান বন্যা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজা এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বন্যা কবলিত হয়েছে। আট জেলায় মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৪০ টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
তলিয়ে গেছে ফেনী শহর, আরও নতুন এলাকা প্লাবিত:
ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার পর এবার ফেনী প বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
একনাগাড়ে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় ভারতের সিকিম রাজ্য থেকে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি-দার্জিলিং পর্যন্ত যোগাযোগব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রবল বর্ষণের জেরে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের বেশকিছু এলাকায় পাহাড়ধস ঘটেছে।
জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের কারণে শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। সড়কটির দার্জিলিং, কালিম্পং ও সিকিম অংশের নানা জায়গায় ধস নামায় গাড়ি চলাচল একপ্রকার বন্ধ হয়ে পড়েছে।
সব যানবহন এখন কালিম্পং হয়ে সিকিম যাওয়ার বিকল্প পথ ব্যবহার করছে। এর ফলে ব্যাপক বিপাকে পড়েছে পর্যটকর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভারী বৃষ্টিতে সারাদেশে পাহাড়ধসের প্রবল আশঙ্কাও রয়েছে। এই শঙ্কার মধ্যেও কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড়-টিলায় ও তার পাদদেশে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করা প্রায় অর্ধলাখ বাসিন্দাদের সেখান থেকে সরানো যাচ্ছে না। পাহাড়-টিলা ধসে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনায়ও তাদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই।
অভিযোগ রয়েছে, অল্প টাকায় বসবাসের সুযোগ থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষ পাহাড়-টিলা ও তার পাদদেশে ঝুঁকি নিয়ে থাকছেন। মাঝে-মধ্যে প্রশাসন মাইকিং করে উচ্ছেদ কিংবা তাদেরকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সে কর্যক্রম প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
জ বাকি অংশ পড়ুন...












