সূর্যের তীব্র তাপে একটি বিশাল গ্রহাণু ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী যখন এই ধ্বংসাবশেষের মেঘের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করবে, তখন আকাশে উল্কাবৃষ্টি দেখা যাবে। ইতোমধ্যে ২৮২টি উল্কাবৃষ্টির একটি গুচ্ছ শনাক্ত করা হয়েছে।
গবেষকদের ধারণা, এই উল্কাবৃষ্টি মহাকাশের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে উৎপন্ন হচ্ছে। পাথুরে ধ্বংসাবশেষের এই স্তূপটি আসলে একটি মৃতপ্রায় গ্রহাণু বা রক কমেটের অবশিষ্টাংশ। সূর্যের খুব কাছে চলে যাওয়ায় গ্রহাণুটি ভেঙে টুকরো হয়ে গেছে।
নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানী প্যাট্রিক বলে, এই আবিষ্কারটি ব বাকি অংশ পড়ুন...
কায়িনাতের বুকে হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ব থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়া পর্যন্ত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে সাইয়্যিদাতুনা হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
দখলদার ইসরাইলের সামরিক নেতৃত্ব ও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে, বহুমুখী যুদ্ধের চাপে ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্সেস বা আইডিএফ ভেঙে পড়ার কাছাকাছি চলে এসেছে। সৈন্য সংকট ও স্পষ্ট কৌশলের অভাবকে তারা এর কারণ হিসেবে দেখাচ্ছে।
বিরোধী নেতা লাপিদ এতটুকু স্বীকার করেছে যে, আইডিএফকে ব্যবহার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সরকার আহত সেনাদের যুদ্ধক্ষেত্রে ফেলে রাখছে।’
এক দিন আগে সেনাপ্রধান জামির নিরাপত্তা ক্যাবিনেটেও একই উদ্বেগ স্বীকার করেছে ি বলে ইসরাইলি গণমাধ্যমে খবর এসেছে।
লাপিদ বলেছে, সরকার কোনো কৌশল ছাড়া, প্র বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দ্বীনী অনুভূতি রক্ষা, মুসলিম নিপীড়ন বন্ধ করা এবং উম্মাহর স্বকীয়তা বজায় রাখা এবং দ্বীন ও দেশকে শত্রুদের হাত থেকে হেফাজতের লক্ষে ৭ দফা দাবি উত্থাপন করেন এক বিশাল প্রতিবাদী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল জুমুয়াবার রাজধানী ঢাকার মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশের মূল ৭ টি দাবি:
১. পবিত্র দ্বীন ইসলাম অবমাননাকারীদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিতকরণ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মহ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার উত্তর দিকে দখলদার ইসরায়েলের সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত পাঁচজন শহীদ হয়েছেন। বিমান হামলায় নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু রয়েছে। তবে নিহত শিশুদের বয়স সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য জানা যায়নি।
গত বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে গাজার সিভিল ডিফেন্স জানায়, বেইত লাহিয়া শহরের আল-কাসসাম মসজিদের কাছে সাধারণ মানুষের একটি জটলার ওপর এই হামলা চালানো হয়। নিহতদের মরদেহ আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, গাজায় মানবিক পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় খাদ্য ও চিকিৎস বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মসজিদে হারাম শরীফে প্রবেশে বাধা দেয়া, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অনেক বড় অন্যায়।” পবিত্র হজ্জ বাকি অংশ পড়ুন...
৩) মালি সাম্রাজ্যে! বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষের রাজ্য!
ঘানা সাম্রাজ্যের ধ্বংসের উপরই একসময় উৎপত্তি হয় মালি সাম্রাজ্যের। এই সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শাসক ছিলেন দুইজন। একজন হলেন মালি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা “সুন্দিয়াতা”। যিনি ১২৩০ হতে ১২৫৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। অপর বিখ্যাত শাসক ছিলেন “মানস মুসা”।
মানস মুসা ১৩১২ সাল থেকে ১৩৩৭ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ২৫ বছর মালি সাম্রাজ্য তথা আজকের মালি, মৌরতানিয়া, সেনেগাল, নাইজারকে শাসন করেছিলেন। তিনি খুবই দ্বীনদার ছিলেন। তার আগের শাসকরা যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় স্কলারের অপছন্দের ছিলেন, সে জায়গায় বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার দেশের অর্থনীতিকে একটি অগ্রসর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই রূপে গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি অর্জন এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধসহ বৈশি^ক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেছেন, বিএনপির নতুন সরকার এমন একসময়ে দায়িত্ব নিয়েছে, যখন অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই চাপে। জনগণের আস্থা পুনর্গঠন এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গতকাল জুমুয়াবার জাতীয় সংসদ বাকি অংশ পড়ুন...












