কক্সবাজার সংবাদদাতা:
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূলজুড়ে দেশের লবণ শিল্পে নিয়োজিত লক্ষাধিক মানুষের ঘামেই পূরণ হচ্ছে দেশের চাহিদা। প্রায় ৪০ হাজার লবণচাষি ও অর্ধলাখ শ্রমিকের নিরলস পরিশ্রমে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ লবণ উৎপাদিত হলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চাষিরা পড়ছেন চরম আর্থিক সংকটে। উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের, তবুও শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
এদিকে সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর। চারদিকে উৎসবের আমেজ, বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। কিন্তু ক্ষতির মুখে থাকা লবণচাষিদের ঘরে নেই সেই আনন্দ, বরং দুশ্চিন্তা আর টা বাকি অংশ পড়ুন...
বোঝে না মন বোঝে না মন
আর কতকাল থাকবো এমন
বদলে দিন হে শাহযাদাজান
এই পাপী জীবন (নবায়ন)
ছলনাময়ী ইশারাতে সাড়া দিয়ে-ই হয় ভুল
সইতে পারিনা আজও তার বেহিসাব মাশুল
কেন এতো এতো গালিজে দিলটা খুব বেহাল
গুনাহ জমে পাহাড়সম তবে তওবা কেন কাল?
জানি আপনি তো পারেন সবি দয়ালু বিস্তর
করুন পরিশুদ্ধ কলবী ঘর ইছলাহ করুন অন্তর (বেখবর)
সারা দেহ মনে রোগ জখম তবুও নেই অনুতাপ
হাজারো নিয়ত মুখে মুখে নেই দিলে কোনো ছাপ
স্বপ্ন দেখায় দুনিয়াবী নফস করবে সে সর্বনাশ
যিকির ফিকির বিহীন প্রাণে হরদম দুঃখী নিঃশ্বাস
জানি আপনি তো পারেন সবি দয়ালু বিস্তর
করুন পরিশুদ্ধ কলবী ঘর ই বাকি অংশ পড়ুন...
মাদানী শাহযাদা- শেরে খোদা
আকা শেরে খোদা
আকা শেরে খোদা
আকা....
সিতারা সাজিয়ে আসমান
ইস্তিকবালে মেহমান
তিনি তো সাইয়্যিদি আকা
খলীফা দো’জাহান
খুশিতে আজ সপ্তলোক
ধ্বনিত ঈদ মুবারক
কাছিদা পাঠ নাশিদ পাঠ
ছানা ছিফত ব্যাপক
জাহিলী যুগ অবসান
সকল মুসিবত আসান
আগমনে শাহে সুলতান
ধরা গুলে গুলশান
জালিয়ে আজ নূর সিরাজ
আনন্দিত মারকাজ
পেয়েছি সাইয়্যিদি নিয়াজ
হাবীবী মহানাজ
ইয়া খলীফাতুল উমাম
খলীফায়ে মুর্শিদ
রাখুন মোরে পাক দুয়ারে
বানিয়ে খাছ মুরিদ
বাকি অংশ পড়ুন...
ছানী মাওলা ছানী মাওলা সেরা সেরা (হক)
ছানী মাওলা ছানী মাওলা সেরা সেরা (হক)
একটি নজর ফজর থেকে আছর তক পেতে চাহি
রাত্রিতেও হোক নজর অপলক বাদশাহী
খেয়ালে খলীফা ইশকি অজিফা অনন্তকাল
হটাও নিরাশা খোদ তিনি ভরসা ঈমানী ঢাল
খানকার দুয়ারে খুব চুপিসারে উঁকি মারি
বাহানা একটাই পথিক সেজে তাই ফেরারী
নবম রমাদ্বান বড়-ই মহিয়ান তাতো জানি
তবে কেন আজ বেহায়া বেলাজ দিবস মানি
সুদিন এসেছে মু’মিন জেগেছে সাহস করে
সেরা রণসাজ বলিষ্ঠ আওয়াজ দীপ্ত স্বরে
হাকীকী স্মরণে মজনু এ মনে ইশক হরদম
আজ হয়ে যাক গভীর সিনা চাক সেই রকম
বাকি অংশ পড়ুন...
কক্সবাজার সংবাদদাতা:
মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির হাতে বন্দি থাকা তিন বাংলাদেশিকে ফেরত এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
তারা হলেন-বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা বাপ্পি (২৮) ও ওসমান গনি রাব্বি (১৮) এবং টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার হেরেন্দ্রপাড়া গ্রামের জনি মিয়া (২২)।
গতকাল জুমুয়াবার দুপুরে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ দিয়ে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গতকাল জুমুয়াবার বিকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যা বাকি অংশ পড়ুন...
গন্ধরাজের পাপড়ি দিয়ে তৈরি করে খাম
হাসনাহেনার সুবাস মেখে আরজ পাঠালাম
হৃদয়জুড়ে লিখতে চাহি শাহযাদায়ী নাম (আমি)
নীল আকাশে মেঘের ভেলায় ছন্দ গেঁথে রোজ
ক্ষনিক পরেই আবেগী মন পেতাম না তার খোঁজ
দর্দো দিলে দুয়ার খুলে তাইতো কহিলাম (আমি)
হৃদয়জুড়ে লিখতে চাহি শাহযাদায়ী নাম
পাখির কূজন শুনায় যখন সবুজ পাতার বন
সেথায় আমি পাই আপনার চর্চা সারাক্ষণ
পাক মহাশান অটুট করে রাখতে সকাল শাম (আমি)
হৃদয়জুড়ে লিখতে চাহি শাহযাদায়ী নাম
নিঝুম রাতে জায়নামাযে সজল করে চোখ
খুব করে চাই সানি আক্বা আমার আপন হোক
ক্যারাভানে সঙ্গী হয়ে চলতে অবিরাম (আমি)
হৃদয়জুড়ে লিখ বাকি অংশ পড়ুন...
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা:
দেলদুয়ারের বাঁশের তৈরি হস্তশিল্পের চাহিদা ব্যাপক। শত বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পে কাজ করছেন স্থানীয় বেশ কয়েকটি গ্রামের দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি সহযোগিতায় ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয়েরও সুযোগ রয়েছে।
টাঙ্গাইল দেলদুয়ারের বর্ণী গ্রামের নুরুন্নবী নামের এক উদ্যোক্তা পারিবারিকভাবে শিখেছেন বাঁশের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প তৈরির কাজ।
তার দাবি, উৎপাদিত হস্তশিল্পের পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে আয় করছেন বৈদেশিক মুদ্রা। সেই সাথে সরকারের সদিচ্ছায় বিভিন্ন ধরনের প্রশি বাকি অংশ পড়ুন...
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের হারুলিয়া গ্রামে ৮শ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী গাইনের মসজিদটি জৌলুস হারিয়েছে অনেক আগেই। দ্রুততম সময়ে সংস্কার না করা হলে হারিয়ে যেতে পারে মোঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী এ দ্বীনি স্থাপনাটি।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, মোঘল সাম্রাজ্যকালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজীর শাসন আমলে জনৈক শাইখ মোহাম্মদ ইয়ার নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।
মসজিদটির ঈমাম আব্দুল্লাহ জানান, মসজিদের ভেতরে দেয়ালের গায়ে ফার্সিতে শাইখ মোহাম্মদ ইয়ারের নাম বাকি অংশ পড়ুন...
আলো আলো
শাহযাদা আক্বা
হৃদয়ের আলো
সেই সে আলোকি
যিয়ারতে
সকলে চলো
আলো আলো....
আধার চিরে আসেন ফিরে
আনন্দের আমেজ
শুকরিয়াতান সারা জাহান
সজীব সতেজ
নয়া নিনাদ মুবারকবাদ
সাইয়্যিদুল হাফেজ
শাহী শানে আশিকানে
দিওয়ানা হলো
আলো আলো....
শেরে খোদা শায়েখ যাদা
কামলিওয়ালা বীর
আপন রোবে তামাম ভবে
ঘুঁচান তিমির
অজানা জ্ঞান দয়ায় দানেন
দিপ্ত দস্তগীর
ইশকি জাতে বিলীন হতে
বুলন্দে বলো
আলো আলো....
৯ই রমজান ধরায় ছড়ান
খুশির মহা-ধুম
উৎসব মাঝে সকাল সাঁঝে
মিষ্টি মৌসুম
খানকার দুয়ার খুলে সারকার
বিলান তাবাসসুম
দস্তবুসি কদমবুসির
জালোয়া জ্বালো
আলো আলো....
ধ্র বাকি অংশ পড়ুন...
নীলফামারী সংবাদদাতা:
উত্তরাঞ্চলে পুকুরের স্বাদু পানিতে সাধারণ মুক্তার পাশাপাশি সোনালী মুক্তা চাষ করে নিজের জীবনে সোনালী দিন ফিরিয়ে এনেছেন জেলার ডোমার উপজেলার সোনারায় হাজিপাড়া গ্রামের জুলফিকার রহমান বাবলা (৪০)। নিজস্ব পুকুরে মাছ চাষের পাশাপাশি মুক্তা চাষে সফল হয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি একই পুকুরে সোনালী মুক্তা চাষে করেও সফল হয়েছেন। শুধু তাই নয়, তার প্রতিষ্ঠান ‘উত্তরবঙ্গ পার্ল সিটি’র মুক্তার চাহিদা ছড়িয়ে পড়েছে দেশ থেকে দেশের বাইরে। তার মুক্তা খামার পরিদর্শন করে নিজের দেশে মুক্তা বাজার তৈরির আশাস দিয়েছে রাশিয়ান প্রতিনিধিদ বাকি অংশ পড়ুন...
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা:
মধুপুরে লাল মাটিতে সূর্যমুখী চাষে সাফল্য অর্জন করে আলোচিত হয়েছেন কৃষি স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃষক ছানোয়ার হোসেন। তার হাতে গড়ে ওঠা বিস্তীর্ণ সূর্যমুখী বাগন শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই বাড়ায়নি, বরং মধুপুর অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
মধুপুর উপজেলার একটি এলাকায় চলতি মৌসুমে পরীক্ষামূলকভাবে সূর্যমুখী চাষ শুরু করেন ছানোয়ার হোসেন। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত বীজ এবং সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে অল্প খরচে অধিক ফলনের সম্ভাবনা তৈরি করেছেন তিনি। তার এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে স্থানীয় কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদ বাকি অংশ পড়ুন...












