SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ছদিক্বীন%' OR titleBn LIKE '%ছদিক্বীন%' OR descriptionEn LIKE '%ছদিক্বীন%' OR descriptionBn LIKE '%ছদিক্বীন%' OR slug LIKE '%ছদিক্বীন%' OR metaTag LIKE '%ছদিক্বীন%' OR metaDescription LIKE '%ছদিক্বীন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَكُونُوا۟ مَعَ ٱلصَّـٰدِقِينَ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। আর ছদিক্বীন তথা ওলীআল্লাহ উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করো। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
ছোহবত ইখতিয়ার প্রসঙ্গে নির্দেশ মুবারক:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ الَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُم بِالْغَدَاةِ وَالْعَشِيِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُ ۖ وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيدُ زِينَةَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُ عَن ذِكْرِنَا وَاتَّبَعَ هَوَاهُ وَكَانَ أَمْرُهُ فُرُطًا
অর্থ: “ওই সমস্ত লোকদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করো, ফরয করে নাও, যারা সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক উনার জন্য যিকির-ফিকির করে থাকেন। দুনিয়ার চাকচিক্য দেখে বা দুনিয়ার মোহে মোহগ্রস্ত হয়ে উনাদের থেকে তোমাদে বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য যে, ইলমে তাছাওউফ বা তরীক্বতের সব কিতাবেই তিন প্রকার সম্মানিত নিসবত মুবারক হাছিলের কথা বলা হয়। (এক) ফানা ফিশ শায়েখ, (দুই) ফানা ফির রসূল, (তিন) ফানা ফিল্লাহ।
কাজেই, সালিক বা মুরীদের জন্য ফরজ হচ্ছে, সম্মানিত শায়েখ উনার প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ এবং সর্বোত্তম হুসনে যন মুবারক পোষণ করা অর্থাৎ নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরেই সম্মানিত শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনাকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করা। তবেই তার পক্ষে অতি সহজে সম্মানিত নি‘য়ামত মুবারক হাছিল করে মঞ্জিলে মাক্বছূদে পৌঁছ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন। ” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর সত্যবাদী বা আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহ্বত ইখতিয়ার করো। ” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯)
কারণ ছোহবত বা সঙ্গ বিষয়ে বলা হয়-
اَلصُّحْبَةُ مُتَـأَثِّرَةٌ
অর্থ: “ছোহবত বা সঙ্গ ক্রিয়া (তাছির) করে। ”
আর তাই কোনো কবি বলেন-
صحبت صالح ترا صالح کند
صحبت طالح ترا طالح کند
অর্থ: “সৎসঙ্গ তোমাকে আল্লাহওয়ালা করে দিবে, আর অসৎ সঙ্গ করে দিবে তোমাকে অসৎ। ”
এ প্রসঙ্গে কবি হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গোলেস্তাঁ কিতাবে লিখেন-
“আমার এক বন্ধু হাম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পা বাকি অংশ পড়ুন...
যতক্ষণ নেক ছোহবতে থাকা হয় ততক্ষণ নেক তাছির পড়ে, জান্নাত-জাহান্নামের কথা স্মরণ হয় এবং আমলও করা হয়। আর যখন নেক ছোহবত থেকে বের হয়ে যাওয়া হয় তখন নেক তাছিরও থাকেনা, আমলের প্রতি আগ্রহও থাকেনা। এই কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা তওবা শরীফ উনার ১১৯ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
كُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ
অর্থ মুবারক: তোমরা ছদিক্বীন উনাদের সঙ্গী হয়ে যাও।
এখানে বিষয়টি ফিকিরের যে,মহান আল্লাহ পাক তিনি كُوْنُوْا مَعَ الْقُرْاٰنِ
বলতে পারতেন। কিন্তু তিনি বলেছেন-
كُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ
অর্থাৎ- ছদিক্বীন তথা হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ, যারা দায়েম বাকি অংশ পড়ুন...












