(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جُبَـيْرِ بْنِ نُـفَيْرٍ رحمة الله عليه قَالَ دَخَلْتُ عَلَى حَضْرَتْ أُمّ الْمُؤْمِنِين الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْـهَا السَّلَام فَسَأَلْتُـهَا عَنْ خُلُقِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَـقَالَتِ الْقُرْآنُ
অর্থ: “হযরত জুবাইর ইবনে নুফাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম উনার নিকট গেলাম এবং উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আখ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অন্য এক বর্ণনায় এসেছে-
وفى رواية عَنْ حَضْرَتْ سَعْدِ بْنِ هِشَامِ بْنِ عَامِرٍ الْأَنْصَارِيِّ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ حَضْرَتْ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْـهَا السَّلَامُ قالت كان خُلُق رسول الله صلى الله عليه وسلم القرآن. ثم قالت أتقرءون سورة المؤمنون؟ قال نعم، فقالت اقرأ، قال فقرأت {قَدْ أَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ. الَّذِيْنَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُوْنَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ لِلزَّكَاةِ فَاعِلُوْنَ. وَالَّذِيْنَ هُمْ لِفُرُوْجِهِمْ حَافِظُونَ. إِلَّا عَلٰى أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُـهُمْ فَإِنَّـهُمْ غَيْـرُ مَلُومِيْنَ. فَمَنِ ابْـتَـغٰى وَرَاءَ ذٰلِكَ ف বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
إِنَّكَ لَعَلٰى خُلُقٍ عَظِيْمٍ
অর্থ: “আপনি অবশ্যই মহান আখলাক্ব মুবারক উনার অধিকারী।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ক্বলম শরীফ:৪)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
حَضْرَتْ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ الثَالِثَة عَائِشَة الصديقة عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ: مَا كَانَ أَحَدٌ أَحْسَنَ خُلُقًا مِنْ رَسُولِ اللّٰهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا دَعَاهُ أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِهٖ وَلَا مِنْ أَهْلِ بَيْتِهٖ إِلَّا قَالَ: لَبَّـيْكَ، فَلِذٰلِكَ أَنْـزَلَ اللّٰهُ عَزَّ وَجَلَّ: وَإِنَّكَ لَعَلٰى خُلُقٍ عَظِيْمٍ
অর্থ: “সাইয়্যি বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন “খুলুকুন ‘আযীম” অর্থাৎ সর্বোত্তম চরিত্র মুবারক উনার অধিকারী এবং “উসওয়াতুন হাসানাহ্” বা সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
প্রতিটি বিষয়েই তিনি সমগ্র মাখলুকাতের জন্য অনুসরণীয় এবং অনুকরণীয়। উনার মহাসম্মানিত আখলাক্ব মুবারক সবার জন্য অনুসরণীয়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ছোঁয়াতেই পূর্ণতা পেয়েছেন স্বয়ং উত্তম চরিত্র নিজেই। সুবহানাল্লাহ!
এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি ও নৈকট্য যে আমলে লাভ হয়; সে আমল হচ্ছে, হুসনুল খুলুক বা সৎ চরিত্রতা। এই আমলই সেই নৈকট্য ও সন্তুষ্টি হাছিলের শ্রেষ্ঠতম উপায় বা মাধ্যম।
একবার এক ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট হাজির হয়ে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমাকে কিছু উপদেশ দান করুন। তিনি ঐ ব্যক্তিকে বললেন, আপনি যখন যেখানেই অবস্থান করুন না কেন মহান আল্লাহ পাক উনাকে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ اُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: “তোমাদের জন্য তোমাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: আয়াত শরীফ ২১)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বকালের সবার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। মাখলুকাতের সবার জন্যই তিনি অনুসরণীয়-অনুকরণীয়। সঙ্গতকারণেই উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জানা, বেশি বেশি আলোচ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ اُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: “তোমাদের জন্য তোমাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। ” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: আয়াত শরীফ ২১)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বকালের সবার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। মাখলুকাতের সবার জন্যই তিনি অনুসরণীয়-অনুকরণীয়। সঙ্গতকারণেই উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জানা, বেশি বেশি আলো বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ اُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: “তোমাদের জন্য তোমাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। ” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: আয়াত শরীফ ২১)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বকালের সবার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। মাখলুকাতের সবার জন্যই তিনি অনুসরণীয়-অনুকরণীয়। সঙ্গতকারণেই উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জানা, বেশি বেশি আলো বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ اُسْوَةٌ حَسَنَةٌ
অর্থ: “তোমাদের জন্য তোমাদের মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছেন সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। ” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: আয়াত শরীফ ২১)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বকালের সবার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। মাখলুকাতের সবার জন্যই তিনি অনুসরণীয়-অনুকরণীয়। সঙ্গতকারণেই উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক জানা, বেশি বেশি আলো বাকি অংশ পড়ুন...












