SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%খলীফা%' OR titleBn LIKE '%খলীফা%' OR descriptionEn LIKE '%খলীফা%' OR descriptionBn LIKE '%খলীফা%' OR slug LIKE '%খলীফা%' OR metaTag LIKE '%খলীফা%' OR metaDescription LIKE '%খলীফা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
উনার কতিপয় কারামত মুবারক
(৩)
“কারামতে আহমদী” কিতাবের ৪৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হজ্জে যাওয়ার সময় সমুদ্রের মধ্যে স্টিমারে মিষ্টি পানি শেষ হয়ে গিয়েছিলো। জাহাজের পরিচালকরা তা হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে অবগত করলে তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করতে বসে গেলেন। দোয়া করার সময় উনার নিকট ইল্হাম হলো যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি এই স্থানের সমুদ্রের পানি মিষ্টি করে দিয়েছেন। যে পরিমাণ পানি ইচ্ছা হয় জাহাজে পূর্ণ করে নেয়া যাবে। তখন তিনি জাহাজের পরিচালকদে বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
একজন তরীক্বতপন্থীর নিকট ‘শাজরা শরীফ’-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর দ্বারা প্রত্যেক মুরীদ তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার সিলসিলা কিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছলো তা জানতে পারে।
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ
যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বতগণ উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারককালে সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমান বিজয়ের বীরোচিত উপাখ্যান রচনা করে সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সীমানা সারা পৃথিবীতেই বিস্তৃত করেন। বিশ্ববাসী মুসলমানদের তাক্বত, প্রতিপত্তি এবং ইনসাফ মুবারক সম্পর্কে অবগত হয়। দলে দলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করতে থাকেন।
বিশ্বব্যাপী সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার বিজিত অঞ্চলসমূহের গভর্নর এবং দায়িত্বশীলদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ডাক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তৎকালীন সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
কামালতে নুবুওওয়াতের মাকাম হাছিল:
“ছিরাতুল মুস্তাকিম” ১৪৯-১৫২ পৃষ্ঠা, “তাওয়ারিখে আজিবা” ১০/১১ পৃষ্ঠায়, “কারামতে আহমদী” ২৩ পৃষ্ঠা হতে জানা যায়, আফদ্বালুল আউলিয়া, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কামালতে নবুওওয়াত তবকার ওলী ছিলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনারা উনাকে স্বপ্নে দীদার মুবারক দিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তিন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ زِيَادِ بْنِ حُدَيْرٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، قَالَ: قَالَ لِي حَضْرَتْ عُمَرُ الْفَارُوقُ عَلَيْهِ السَّلَامُ هَلْ تَعْرِفُ مَا يَهْدِمُ الإِسْلاَمَ قَالَ قُلْتُ لاَ قَالَ يَهْدِمُهُ زَلَّةُ الْعَالِمِ وَجِدَالُ الْمُنَافِقِ بِالْكِتَابِ وَحُكْمُ الأَئِمَّةِ الْمُضِلِّينَ.
অর্থ: তাবিয়ী হযরত যিয়াদ ইবনে হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, একবার খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি আমাকে বললেন, আপনি বলতে পারেন কি, দ্বীন ইসলাম উনাকে কিসে ক্ষতি করবে? হযরত যিয়াদ বিন হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি বললাম, না। তখন তিনি বললেন, আলিমদ বাকি অংশ পড়ুন...
যারা অনুগত বান্দা, তারা মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ বান্দা। অনুগত কাকে বলে? এ প্রসঙ্গে আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার একটা ওয়াকেয়া উল্লেখ করা হয়।
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যখন খলীফা হয়েছেন, উনার মজলিসে শূরার সদস্য ছিলেন- হযরত হোর ইবনে কায়েস রহমতুল্লাহি আলাইহি। হযরত হোর ইবনে কায়েস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন খুব বড় আলেম। উনার এক চাচা ওয়াইন ইবনে হেসেন, যিনি এসেছেন উনার ভাতিজা হোর ইবনে কায়েসের কাছে। এসে বললেন, হে হোর ইবনে কায়েস! তুমি এক কাজ করো, আমাকে তোমাদের যিনি খলীফ বাকি অংশ পড়ুন...
এরা তন্ত্র-মন্ত্র, গনতন্ত্র করে। নাউযুবিল্লাহ! দলীল অনেক দরকার নাই, ভাত কিন্তু সব টিপতে হয় না। যারা এখানে খাওয়া দাওয়া করে সবাই ভাত খায়। ঘরে পাক করে, নিজে না করুক তাদের আহলিয়ারা করে, ছেলে-মেয়েরা করে। ভাত কি সব এভাবে টিপ দেয় কেউ? একটা দুইটা টিপ দেয়, তাতে বুঝে ভাতটা হয়েছে কি না। একটা মানুষের জীবনের জন্য সারা জীবন পর্যালোচনা করার কোন প্রয়োজন নেই, একটা ঘটনাই যথেষ্ট। সেটাই হযরত সুলত্বানুল আরিফীন হযরত বাইজিদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, যিনি অনেক বড় ওলীআল্লাহ। তিনি অনেক বড় বযূর্গ, ওলীআল্লাহ। মানুষ জানে না তিনি কতো বড় ওলীআল্লাহ। তিন বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দ্বিতীয় খলীফা, খলীফাতুল মুসলিমীন, হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার ক্বওল শরীফ-
قَالَ حَضْرَتْ عُمَرُ الْفَارُوْقُ عَلَيْهِ السَّلَامُ مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدَ النَّبِىّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ اَحْيَا الْاِسْلَامَ.
অর্থ : যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নুরুত তাশরীফ অর্থ্যাৎ বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন অর্থাৎ এ উপলক্ষ্যে খুশি প্রকাশ করলেন, তিনি মূলত দ্বীন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলেন। সুবহানাল্লাহ!
(আন নি’ম বাকি অংশ পড়ুন...












