গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৭১ হিজরী সনের ১লা রমাদ্বান শরীফ দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক আনেন এবং ৫৬১ হিজরীর ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফে পবিত্র বিছাল শরীফ প্রকাশ করেন।
তিনি হলেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ ওয়ারিছ, নায়িব, আওলাদ। তিনি ৬শ’ হিজরী শতাব্দীর ‘মুজাদ্দিদ’। অর্থাৎ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে যে সমস্ত কুফর, শিরক, বিদয়াত প্রবেশ করেছিল সেগুলো বের করে দেয়ার জন্য অর্থাৎ মিথ্যাকে মিটিয়ে দিয়ে সত বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউসুল আ’যম, শায়েখ সাইয়্যিদ মুহীউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জিলানী হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার যামানায় এক ব্যক্তি যিনি খলীফার পোশাক বা কোর্তা সেলাই করতেন। খলীফা তিনি উনাকে যে পরিমাণ বিনিময় প্রদান করতেন, তাতে উনার সংসার এক বছর চলে যেত।
উক্ত ব্যক্তি একবার খলীফার জন্য একটি কোর্তা সেলাই করলেন, কিন্তু কোর্তাটি কিছুটা ছোট হয়ে যায়। তাই খলীফা উক্ত কোর্তাটি গ্রহণও করল না এবং তাকে কোন বিনিময়ও প্রদান করল না। এতে উক্ত ব্যক্তি খুব ব্যথিত ও চিন্তিত হলেন। কারণ খলীফার দেয়া বিনিময় দ্বারাই তিনি এক বছর সংসার চালিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে নির্দিষ্ট কোনো পোশাক নেই’- এ কথা বলা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। কেননা এর দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে অপূর্ণ সাব্যস্ত করা হয়। নাউযুবিল্লাহ!
কিছু লোক ‘কিল্লতে ইলম ও কিল্লতে ফাহাম’ অর্থাৎ ‘কম জ্ঞান ও কম বুঝের’ কারণে বলে থাকে যে- ‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে লিবাস বা পোশাকের নির্দিষ্ট কোনো বর্ণনা নেই। নাউযুবিল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মৌসুমের চাহিদা মোতাবেক যখন যে ধরনের পোশাক পেতেন তাই পরিধা বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম, হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে একটি ওয়াকেয়া লেখা হয়, কোন এক সরাইখানায় এক জহুরী অবস্থান করছিলো, তার কাছে ছিলো বহুমূল্যবান একটি মুক্তা। যা সে একটি কৌটার মধ্যে রেখে সর্বদা নিজের কাছে পকেটে রাখতো, একদিন সে তার প্রিয় ওই কৌটাটি বের করে সবাইকে দেখালো এবং বললো, এর ভিতর এক মূল্যবান পাথর আছে যার মূল্য বাদশাহর ধনাগারেও নেই। দর্শকদের মধ্যে এক চোরও ছিলো। সে ওই কৌটাটি চুরি করার জন্য মনস্থির করে নিলো। সে জহুরীর সাথে বন্ধুত্বের ভাব দেখালো এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলো, “আপনি এ সরাইখানা ত্যাগ করে কোথায় যাবেন?” জহুরী তার গন্তব্য স্থলের নাম বলার সাথে সাথে চোরও বললো “যাক ভালই বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সুতরাং যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক ইত্তিবা’ তথা অনুসরণ-অনুকরণ করবেন, তিনি অবশ্যই সম্মানিত হিদায়াত মুবারক লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!
জুব্বা পরিধান করা খাছ সুন্নত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জুমুয়া, ঈদ এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে কামীছ বা কোর্তা মুবারকের উপরে জুব্বা মুবারক পরিধান করতেন। জুব্বা কালো, গন্ধম ইত্যাদি রং-এর হওয়া সুন্নত মুবারক। জুব্বা হচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে লিবাস বা পোশাকের বর্ণনাও সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। যেমন লিবাস বা পোশাক সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا بَنِي آدَمَ قَدْ أَنزَلْنَا عَلَيْكُمْ لِبَاسًا
অর্থ: “হে বনী আদম! আমি তোমাদের জন্য লিবাস বা পোশাক নাযিল করেছি। ”(পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ; পবিত্র আয়াত শরীফ ২৬)
আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ইহুদী-নাছারা অর্থাৎ কাফির-মুশরিকদের লিবাস বা পোশাক থেকে বেঁচে থাকো। ”
এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মুসলমানদের জন্য আলাদা বা নির্দিষ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল: সুন্নতী পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বা সুন্নতী পণ্যের ব্যবসা করার ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম কি?
জাওয়াব: (৪র্থ অংশ) সুন্নতী কতিপয় তৈজসপত্রের নাম:
১) খাছ সুন্নতী কাঠের পেয়ালা-বাসন।
২) খাছ সুন্নতী বিভিন্ন বাসন, বাটি ও পানপাত্র।
৩) সুফরাহ্ (سُفْرَةٌ) দস্তরখানা।
৪) খাবারের জন্য বড় পাত্র মুবারক (قَصْعَةٌ) ক্বছআহ্।
৫) পানি রাখার বড় মাটির পাত্র (قُـلَّة) কুল্লাহ্।
৬) মাটির ঘড়া-মাটির পাত্র বা মাটির পানির পাত্র।
৭) নাবীয পাত্র মুবারক (اَلسِّقَاءُ) সিক্বা।
৮) পিতলের পাত্র মুবারক (تَـوْرٌ) তাওর।
৯) চুলা ও ডেকচি মুবারক (بُـرْمَةٌ) বুরমাহ।
১০) চামড়ার পানপাত্র (ظُرُوْفُ ا বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সুতরাং যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক ইত্তিবা’ তথা অনুসরণ-অনুকরণ করবেন, তিনি অবশ্যই সম্মানিত হিদায়াত মুবারক লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!
জুব্বা পরিধান করা খাছ সুন্নত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জুমুয়া, ঈদ এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে কামীছ বা কোর্তা মুবারকের উপরে জুব্বা মুবারক পরিধান করতেন। জুব্বা কালো, গন্ধম ইত্যাদি রং-এর হওয়া সুন্নত মুবারক। জুব্বা হচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কিছু লোক ‘কিল্লতে ইলম ও কিল্লতে ফাহাম’ অর্থাৎ ‘কম জ্ঞান ও কম বুঝের’ কারণে বলে থাকে যে, “সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে লিবাস বা পোশাক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সুতরাং যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক ইত্তিবা’ তথা অনুসরণ-অনুকরণ করবেন, তিনি অবশ্যই সম্মানিত হিদায়াত মুবারক লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!
জুব্বা পরিধান করা খাছ সুন্নত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জুমুয়া, ঈদ এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে কামীছ বা কোর্তা মুবারকের উপরে জুব্বা মুবারক পরিধান করতেন। জুব্বা কালো, গন্ধম ইত্যাদি রং-এর হওয়া সুন্নত মুবারক। জুব্বা হচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সুতরাং যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক ইত্তিবা’ তথা অনুসরণ-অনুকরণ করবেন, তিনি অবশ্যই সম্মানিত হিদায়াত মুবারক লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!
জুব্বা পরিধান করা খাছ সুন্নত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জুমুয়া, ঈদ এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে কামীছ বা কোর্তা মুবারকের উপরে জুব্বা মুবারক পরিধান করতেন। জুব্বা কালো, গন্ধম ইত্যাদি রং-এর হওয়া সুন্নত মুবারক। জুব্বা হচ্ছ বাকি অংশ পড়ুন...












