SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কেমন%' OR titleBn LIKE '%কেমন%' OR descriptionEn LIKE '%কেমন%' OR descriptionBn LIKE '%কেমন%' OR slug LIKE '%কেমন%' OR metaTag LIKE '%কেমন%' OR metaDescription LIKE '%কেমন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ফযীলত ও মর্যাদা:
উমর বিন হামযাহ বিন আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেন, আমি আমার পিতার (হামযাহ) সঙ্গে বসা ছিলাম। এ সময় একজন লোক পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিল। লোকটি বললো; আমাকে বলুন, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে আপনি কি বলেছিলেন, যখন আমি আপনাকে “জরফ” নামক স্থানে উনার সঙ্গে কথা বলতে দেখেছিলাম? বর্ণনাকারী (উমর) বলেন, আমি বলেছিলাম; হে আবু আবদুর রহমান! আপনার শরীর শক্তিহীন হয়ে পড়েছে, বয়স অনেক বেড়েছে। আপনার সঙ্গীরা আপনার মান মর্যাদা জানে না। আপনি যদি আপনার পরিবারকে নির্দেশ দিতেন, উনারা যেন আপনার জন্য এমন কিছু ব্যবস্থা করেন, যাতে বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রশংসায় ইরশাদ মুবারক করেছেন-
إذَا ذُكِرَ اللهُ وَجِلَتْ قُلُوْبُهُمْ
(অর্থ: উনাদের কাছে যখন মহান আল্লাহ পাক উনার কথা বলা হয়, উনাদের অন্তর ভয়ে কেঁপে উঠে)। হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মধ্যে এ অবস্থার পূর্ণ বিকাশ ঘটেছিল। একবার উনার সম্মুখে এই আয়াত শরীফখানা পাঠ করা হলো-
فَكَيْفَ إذَا حِئْنَا مِنْ كُلِّ أمَّةٍ شَهِيْدًا
(অর্থ: তখন কেমন হবে যখন আমরা প্রত্যেক জাতির মধ্য থেকে সাক্ষী উপস্থিত করবো)। হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যে খুছূছীয়াত মুবারক বলা হচ্ছে।
عَن حضرت حَنْظَلَة بن الرّبيع الأسيدي رضى الله تعالى عنه قَال
হযরত হানযালা ইবনে রবী’ উসাইদী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন,
لَقِيَنِي سيدنا حضرت أَبُو بَكْرٍ عليه السلام
আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবার আলাইহিস সালাম উনার সাথে সাক্ষাত হলো। তিনি জানতে চাইলেন
فَقَالَ كَيْفَ أَنْتَ يَا حضرت حَنْظَلَةُ رضى الله تعالى عنه
জিজ্ঞাসা করলেন, কেমন আছেন হে হযরত হান বাকি অংশ পড়ুন...
সময় কি আছে বর্তমান মুসলিম দেশের শাসকদের জন্য, তারা চিন্তা করবে কি তাদের অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য কেমন ছিল, তারা শিক্ষা নেবে কি কেমন বীরত্বপূর্ণ ছিল মুসলমানদের অতীত শৌর্য, কি ন্যায়নিষ্ঠ ছিলেন মুসলিম জাতির পূর্বপুরুষ উনারা? আমরা যদি একবার চোখ বুলাই তাহলে দেখতে পাবো অপরাজেয় সামরিক শক্তি, ইনসাফপূর্ণ হুকুমতব্যবস্থা, সর্বোচ্চ ইসলামী আদর্শ, ৬টি মৌলিক অধিকারের অপরিমেয় একচ্ছত্র ভিত্তিস্থাপন ইত্যাদি। তেমনি একজন মহান শাসক ছিলেন খলীফায়ে ছালিছ, আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ!
আমিরুল মু’মিনী বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মায়ের যদি দ্বীনের সঠিক বুঝ না থাকে তবে সেই মা তার সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারবে না। তাই বাবার দায়িত্ব হচ্ছে তার আহলিয়াকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সঠিক জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া হয় এমন স্থানে নিয়ে গিয়ে সঠিক দ্বীনি বিষয়ে শিক্ষা লাভের ব্যবস্থা করে দিয়ে হাক্বীক্বী আল্লাহওয়ালী বানানো।
পক্ষান্তরে শুধুমাত্র মায়ের যদি দ্বীনি জ্ঞান থাকে আর পিতার দ্বীনি জ্ঞান না থাকে এক্ষেত্রে মা যদি সন্তানকে কোন দ্বীনি বিষয়ে আদেশ করেন বা দ্বীনি কথা বলেন এমতাবস্থায় পিতা সেই কথাকে গুরুত্ব না দিলে সন্তানও মায়ের কথা গুরুত্ব দিব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
নি¤œ আয়ের মানুষদের কাছে বাজেট মানে জিডিপি নয়, প্রবৃদ্ধি নয়, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নয়- তাদের কাছে বাজেট মানে আজ রাতে সন্তানকে পেট ভরে খাওয়ানো যাবে কিনা, আগামী মাসে বাড়িভাড়া দেওয়া যাবে কিনা, অসুস্থ হলে ওষুধ কেনার টাকা থাকবে কিনা- এমন বহু প্রশ্নের অজানা উত্তরের এক প্রতিচ্ছবি। কেননা তাদের প্রতিদিন খুঁজে বেড়াতে হয় পরিবারের চাহিদা মেটানোর অর্থ।
তাদেরই একজন আজিজুল হক। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। বয়সের ছাপ পড়েছে চোখেমুখে, তবু প্রতিদিন ভোরে বের হতে হয় জীবিকার তাগিদে। বাজেটের কথা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত আলিম ও বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত শায়েখ নিযামী ও হযরত মোল্লা জামী রহমতুল্লাহি আলাইহি। সেই মহান ব্যক্তিত্ব হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত ও বহুল পরিচিত তাযকিরাতুল আউলিয়া কিতাবে। এছাড়াও আরো অনেকের দ্বারা প্রণিত তাযকিরাতুল আউলিয়া নামক কিতাবে বর্ণিত- হযরত হাবীব আযমী রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ উনার কথা, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে হাবীব নামে অভিহিত হয়েছিলেন। উ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاللهُ يَـخْتَصُّ بِرَحْـمَتِهٖ مَنْ يَّشَآءُ
“মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা স্বীয় রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: ১০৫)
কাজেই, মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে চান, উনাকে খাছ করে এই বুঝগুলো দেন। সবাই বুঝে না এগুলি। বুঝবে না। এটা কোনো দিন বুঝা সম্ভব না।
তারপর যেমন- মুসলিম শরীফসহ আরো অন্যান্য কিতাবে রয়েছে,
مَا مِنْكُمْ مِنْ اَحَدٍ اِلَّا وَقَدْ وُكِّلَ بِهٖ قَرِيْنُهٗ مِنَ الْجِنِّ وَقَرِيْنُهٗ বাকি অংশ পড়ুন...
যারা উম্মী অর্থ নিরক্ষর করে তাদের মূল দলীল হচ্ছে বুখারী শরীফের একটি হাদীছ শরীফ। কিন্তু তারা একবারও হাদীছ খানা ফিকির করেছে?
৩) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি লিখতে ও পড়তে পারতেন এর অনেক দলীল আমরা দিয়েছি। আজকে দেখবো হিসাব বিষয়ে কি আছে। বুখারী শরীফের এই হাদীছ শরীফে وَلَا نَحْسُبُ এর অর্থ যদি ‘আমরা হিসাব পারি না’ হয় তাহলে ফারায়েজের হাদীছ শরীফ গুলোর কি হবে? ছিহাহ ছিত্তার ফারায়েজ অধ্যায়গুলো খুলে দেখেন কেমন জটিল হিসাব। যেটা এখনও অনেক শিক্ষিত লোকও ঠিকমত পারে না, হিসাব না জানা থাকলে ফারায়েজ কিভ বাকি অংশ পড়ুন...
উনারা ছিলেন ২৪ ঘণ্টা উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা এবং উনার যিকির ও মুহব্বত মুবারক-এ গরক্ব:
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিলো-
كَيْفَ كَانَ حُبُّكُمْ لِرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য আপনাদের মুহব্বত মুবারক কেমন ছিলেন?’
জবাবে ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেছিলেন-
كَانَ وَاللَّهِ أَحَبَّ إِلَيْنَا مِنْ أَمْوَالِنَا وَأَوْلَادِنَا وَآبَائِنَا وَأُمَّهَاتِنَا وَمِنَ الْمَاءِ الْبَار বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সম্প্রতি এক ওয়ার্ডে মারা যাওয়া ছয় নবজাতকের মধ্যে একই মায়ের ছিল যমজ সন্তান। সেদিন ওই ওয়ার্ডে আসলে কী হয়েছিল এবং সন্তান দুটি মারা যাওয়ার আগে কী ঘটেছিল, সেই নির্মম ও রোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ বর্ণনা করেছেন মা নাজমা বেগম।
নাজমা বেগম বলেন, ‘গত শনিবার বিকেলে বাসা থেকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দিই। রোববার অস্ত্রোপচারের (সিজার) মাধ্যমে আল্লাহ আমাকে যমজ পুত্র সন্তান দান করেন। জন্মের পর বাচ্চারা পুরোপুরি সুস্থ থাকায় হাসপাতালের নার্স, ডাক্তারসহ পরিচিত আত্মীয়স্বজন সবাই অনেক আনন্দে ছিলেন। ঈদ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সম্প্রতি এক ওয়ার্ডে মারা যাওয়া ছয় নবজাতকের মধ্যে একই মায়ের ছিল যমজ সন্তান। সেদিন ওই ওয়ার্ডে আসলে কী হয়েছিল এবং সন্তান দুটি মারা যাওয়ার আগে কী ঘটেছিল, সেই নির্মম ও রোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ বর্ণনা করেছেন মা নাজমা বেগম।
নাজমা বেগম বলেন, ‘গত শনিবার বিকেলে বাসা থেকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দিই। রোববার অস্ত্রোপচারের (সিজার) মাধ্যমে আল্লাহ আমাকে যমজ পুত্র সন্তান দান করেন। জন্মের পর বাচ্চারা পুরোপুরি সুস্থ থাকায় হাসপাতালের নার্স, ডাক্তারসহ পরিচিত আত্মীয়স্বজন সবাই অনেক আনন্দে ছিলেন। ঈদ বাকি অংশ পড়ুন...












