ইয়া আম্মাজী!
জুদায়ীর বেদনা, আর সহে না
ফিরাকীর যন্ত্রনা, বহিতে পারি না
দিনগো শান্তনা, দিদারী নাজরানা
ক্বদম মুবারক ধরি, খালিছ তাওবা করি
অভাগাদের ফিরিয়ে দিবেন না।
আমরা অথর্ব, নির্বোধ, আমড়া কাঠের ঢেঁকি
হাকীকত কিছুই নেই, আছে শুধু মেকি
ইলমশূন্য, আমলশূন্য, আস্ত এক গর্দভ
একেক সময়, একেক মিথ্যা, করি মোরা উদ্ভব
হয়ে বোকা, খাই ধোঁকা, অন্তর নেই কারো
দেন শুধু থলি ভরে, আরো দিন আরো
মহাপাপী মোরা, মহা গুনাহগার
আপনার ক্ষমা ছাড়া পথ নাই বাঁচিবার
বিরহের যন্ত্রনা, শুধুই যাতনা।
জুদায়ীর বেদনা, আর সহেনা
ফিরাকীর যন্ত্রনা, বহিতে পারি না
দিনগো শান্তনা, দ বাকি অংশ পড়ুন...
দিনাজপুর সংবাদদাতা:
বাজারে ফলের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। পেঁপে ছাড়া সব ফলের দাম বেশি। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও চড়া দামের কারণে খেজুরের বিক্রি কমেছে। এতে করে খেজুর নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী।
ফল ব্যবসায়ীরা জানান, বিদেশি আমদানি ফলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে ক্রেতা কমেছে। বিক্রিও কমে গেছে। রমজান মাসে আশানুরূপ বিক্রি হচ্ছে না। ক্রেতারা দাম শুনে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। খেজুরের আশানুরূপ বিক্রি নেই। প্রথম রমজানের চেয়ে কিছুটা দাম কমলেও ক্রেতারা ক্রয় করতে পারছেন না। এতে করে অনেক ব্যবসায়ীর খেজুর গুদামঘর বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সামষ্টিক ক্ষতি নিয়ে তেমন কোনো গবেষণার কথা জানা যায় না। তবে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) কিছুদিন আগে ৩০ বছরের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ‘দ্য ইম্পেক্ট অব ডিজাস্টার এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ক্ষতি সম্পর্কে বলা হয়।
বোরোতে দুর্যোগের কারণে ২০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হয়। তা ছাড়া আমন-আউশেরও ক্ষতি হয়। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বোরো ফসল কম হচ্ছে।
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক যে অবস্থান সেখানে ২৫ শতাংশ খাদ্য আম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত মুবারক করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানরা সারা বিশ্বজুড়ে শাসন করেছিলেন, এই ইতিহাস আমরা পাঠ করি। কিন্তু এর পেছনে ছিলো মুসলমানদের জ্ঞান চর্চার বিস্তর ইতিহাস। মুসলমানরা সেই সময় জ্ঞান চর্চাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতেন।
হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক নর-নারীর জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরয।” হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “জ্ঞান হচ্ছে সমস্ত কল্যাণের মূল, আর অজ্ঞতা হচ্ছে সমস্ত অকল্যাণের মূল।” এ কারণে ছাহাবীগণ সব সময় নিজেদের জ্ঞান চর্চায় আবদ্ধ রাখতেন। জ্ঞান চর্চাকে মুসলমানরা কতটা গুরুত্ব দিতেন, এটা বুঝা যায়, বদর যুদ্ধের বন্দি মুক্তির ঘটনাক বাকি অংশ পড়ুন...
যখন সাত বছর পুরা হয়ে গেলো, তখন ওই মেয়েটা বললো, এখনতো আমার যা টাকা-পয়সা ছিলো; সবশেষ হয়ে গেছে। তাহলে আপনি একটা কামাই-রোজগারের ব্যবস্থা করেন। এখন সুলতান কি কামাই-রোজগার করবে; সেতো কোন কাজ জানে না। সুলতান মনে মনে চিন্তা করলো; ওই যে কামারগুলি তাকে যে বুদ্ধি দিয়েছিলো; তাদের কাছে গেলে যদি একটা ব্যবস্থা হয়। এই চিন্তা করে সুলতান সেখানে গেলো; গিয়ে তাদের সাথে কথা-বার্তা বললো; আমার কিছু কামাই-রোজগার করা দরকার।
কামাররা জিজ্ঞেস করলো, আপনি কোন কাজ জানেন? সুলতান বললো, না আমি কোন কাজ জানি না। তখন তারা পরামর্শ দিলো, যে আপনি একটা টুকরি কিনেন। টুকরি কিনে বাকি অংশ পড়ুন...
যখন সাত বছর পুরা হয়ে গেলো, তখন ওই মেয়েটা বললো, এখনতো আমার যা টাকা-পয়সা ছিলো; সবশেষ হয়ে গেছে। তাহলে আপনি একটা কামাই-রোজগারের ব্যবস্থা করেন। এখন সুলতান কি কামাই-রোজগার করবে; সেতো কোন কাজ জানে না। সুলতান মনে মনে চিন্তা করলো; ওই যে কামারগুলি তাকে যে বুদ্ধি দিয়েছিলো; তাদের কাছে গেলে যদি একটা ব্যবস্থা হয়। এই চিন্তা করে সুলতান সেখানে গেলো; গিয়ে তাদের সাথে কথা-বার্তা বললো; আমার কিছু কামাই-রোজগার করা দরকার।
কামাররা জিজ্ঞেস করলো, আপনি কোন কাজ জানেন? সুলতান বললো, না আমি কোন কাজ জানি না। তখন তারা পরামর্শ দিলো, যে আপনি একটা টুকরি কিনেন। টুকরি কিনে বাকি অংশ পড়ুন...
আমি যদি বলি, প্রকৃত দ্বীনি জ্ঞান নেয়ার জন্য আমি একজন শায়েখ বা মুর্শিদ বা পীর সাহেবের কাছে মুরিদ (ছাত্র) হয়েছি, আমি সেই পীর সাহেবের দরবার শরীফে যাই, উনার সোহবত (সাহচার্য) ইখতিয়ার করি, আদেশ নির্দেশ অনুসারে চলার চেষ্টা করি, উনার খিদমত করার কোশেষ করি, মহান আল্লাহ পাক উনার এবং আখেরী নবী হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মারিফত, মুহব্বত অর্জনের কোশেষ করি। তাহলে এ কথা শুনে হয়ত কেউ কেউ বলতে পারেন, পীর সাহেবের কাছে বাইয়াত হওয়ার কি দরকার? উনার দরবার শরীফে যাওয়ার কি দরকার? পবিত্র কুরআন হাদীসেই তো সব জ্ঞান আছে। আর মাদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম পাক উনার একাধিক মহাপবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, বান্দারা যে বাকি অংশ পড়ুন...












