SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%কফিন%' OR titleBn LIKE '%কফিন%' OR descriptionEn LIKE '%কফিন%' OR descriptionBn LIKE '%কফিন%' OR slug LIKE '%কফিন%' OR metaTag LIKE '%কফিন%' OR metaDescription LIKE '%কফিন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ব্যানারটির পটভূমিতে দেখানো হয়েছে, হোয়াইট হাউস জ্বলছে এবং এতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি ট্রাম্পের পাঁচ সন্তান—ইভাঙ্কা, ডন জুনিয়র, এরিক, টিফানি ও ব্যারন এবং মেলানিয়ার ছবিও রয়েছে।
ব্যানারটিতে ফারসি ভাষায় ‘রক্তের বদলে রক্ত’ স্লোগানটি লেখা আছে এবং এটি দ্বিতীয়বারের মতো, যখন ইরান একটি বিলবোর্ডের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুমকি দিলো।
ইরান এর আগেও তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এঙ্গেলাব স্কোয়ারে আরেকটি বিলবোর্ড স্থাপন করেছিল, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একটি কফিনে শায়িত অবস্থায় দেখানো হয়।
ইরান দী বাকি অংশ পড়ুন...
গত সপ্তাহে তেহরানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির কফিনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের চারপাশে থাকা কালো পোশাক পরিহিত শোকাহতদের মধ্যে কয়েকজন প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নয়, বরং সরাসরি তাকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিচ্ছিলেন – ‘আপোষকারীর মৃত্যু হোক।’
সেই ঘটনাস্থল থেকে খুব বেশি দূরে নয়, ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আব্বাস আরাঘচি, যিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ভূমিকা রেখেছিলেন, তাকে ‘বিশ্বাসঘাতক বাকি অংশ পড়ুন...
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির অবসরে ইরান গত শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে খামেনির স্মরণে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে। এর মধ্যে একটি দিন প্রতিবেশী ইরাকে কর্মসূচির জন্য নির্ধারণ করা হয়। খামেনির শোকযাত্রার মধ্যে ইরানে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, মঙ্গলবার রাতে চার ঘণ্টার অভিযানে ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজায় সন্ত্রাসী ড্রাম্পকে হত্যার স্লোগান উঠেছে। গত রোববার (৫ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে খামেনির কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে এই আহ্বান জানানো হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় খামেনি ও তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হন। যুদ্ধের কারণে দাফন প্রক্রিয়া দেরি হয়। এখন ইরানজুড়ে তার সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ও জানাজার আয়োজন চলছে।
গ্র্যান্ড মোসাল্লায় অনুষ্ঠিত এই জানাজা চত্বর শোকের পাশাপাশি প্রতিশোধের আগুনে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। লাখ লাখ মান বাকি অংশ পড়ুন...
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শোক আর প্রতিশোধের আহ্বানে মুখর হয়ে উঠেছে। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা অনেকেই প্রতিশোধের তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। খবর সিএনএনের।৪০ বছর বয়সী আরশ রাহিমি যেমন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমরা নিশ্চিতভাবেই তার রক্তের প্রতিশোধ নেব। এখানে সবাই এসেছেন তাদের সর্বোচ্চ নেতার রক্তের প্রতিশোধ নিতে। আমাদের নেতা যেমনটা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের রক্তের শত্রুতা রয়েছে। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনোই ভা বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের পতাকায় মোড়ানো এবং উপরে কালো পাগড়ি রাখা খামেনির কফিনটি চত্বরে নিয়ে আসা হয়। তার পাশে খামেনির মৃত আত্মীয়দের মরদেহও রাখা হয়েছিল, যার মধ্যে ১৪ মাস বয়সী নাতনির ছোট কফিনটিও ছিল।২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে, খামেনির নাতনি জাহরা মোহাম্মদী গোলপায়েগানিও তার এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিহত হন।ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ছয় দিনব্যাপী গণ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য খামেনির মরদেহ শুক্রবার তেহরানে এসে পৌঁছায়। তার মরদেহ ইরান ও প্রতিবেশী ইরাকের শহ বাকি অংশ পড়ুন...
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, খামেনির লাশ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয়। শনিবার (৪ জুলাই) মূল জানাজা অনুষ্ঠিত হবে যেখানে কয়েক কোটি মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিন রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শোকপালনকারীরা কালো পোশাক পরে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। লাল ফুল ও সাদা প্রজাপ বাকি অংশ পড়ুন...
কফিনে তুলে নিয়ে যাবে
আমাকে সেইদিন
আপন স্বজন কেউ রবেনা
আম্মাজি বিহীন
সারাটি জীবন কেটে গেলো
নফসী তোয়াজে
আমলনামা যে পরিপূর্ণ
রসমী রেওয়াজে
আমি তো বড়ই হতভাগা
পাপী সীমাহীন
কলুষিত অন্তরে বিরাজ
শুধু হাহাকার
কে করিবে এই গরীবকে
পুলসিরাতে উদ্ধার
ভরসা কেবল উম্মুল উমাম
কুবরা জানেশিন
দূর বহুদূরে আছি পরে
নিঃস্ব গুনাহগার
একটু দয়া চাই করজোড়ে
ওগো জামিনদার
কাল হাশরে গোলাম বলে
খুব কাছে টেনে নিন
পবিত্র পরশ বিনে অধম
চরম নিরুপায়
দাড়িয়ে আছি দু’হাত পেতে
শাহী দরোজায়
খানকা শরীফে ডাকুন আমায়
নূরে আল আমীন
মাতৃছায়াতে রাখুন মায়ায়
আরজি করছি বাকি অংশ পড়ুন...
কায়িনাতের বুকে হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পূর্ব থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত দীদার মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়া পর্যন্ত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে সাইয়্যিদাতুনা হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্র তখনই আযাদ থাকে, যখন তার প্রতিরক্ষা ঢাল হয় অভেদ্য। কিন্তু আফসোস! ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ আজ এক চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির দ্বারপ্রান্তে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার যখন উত্তর কোরিয়ার গোপন প্রযুক্তিতে নিজেদের মিসাইল রেঞ্জকে ৭০০ কিলোমিটারে নিয়ে গেছে, তখন স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রম করেও আমাদের সর্বোচ্চ দৌড় মাত্র ২৮০ কিলোমিটার! এই শোচনীয় বৈষম্য দেখেও যদি নীতিনির্ধারকদের ‘নিদ্রা’ না ভাঙে, তবে বুঝতে হবে-এই স্বাধীন ভূখ-ে তাদের জাগবার আর কোনো নৈতিক অধিকার অবশিষ্ট নেই।
তাত্ত্বিক ও কারিগরি বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাকি অংশ পড়ুন...
ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদ-ের আইন পাসের যে জঘন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা কেবল একটি রাষ্ট্রীয় নীতির পরিবর্তন নয় - বরং সমগ্র মানবতার বিরুদ্ধে এক ঘৃণ্য আগ্রাসন এবং ন্যায়বিচারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়ার শামিল। "সন্ত্রাস দমন" -এর ঠুনকো দোহাই দিয়ে সন্ত্রাসী ইসরায়েল আসলে একটি সম্পূর্ণ জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে বৈধতা দেওয়ার নোংরা কাজে মেতেছে। এটি কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া নয় বরং আইনি লেবাসে সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় হত্যাকা-।
দ্বৈত বিচারব্যবস্থা ও আধুন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন হওয়া মার্কিন সেনাদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম তেহরান টাইমস। মধ্যপ্রাচ্যে আরও সন্ত্রাসী সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের বিষয়ে দেশটিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তেহরান টাইমস। ‘ওয়েলকাম টু হেল’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে মার্কিন সেনাদের সম্পর্কে লেখা হয়েছে, ‘ওয়েলকাম টু হেল’। ইরানের মাটিতে যেসব মার্কিন সন্ত্রাসী সেনা পা রাখবে তারা কফিনে করে ফিরে যাবে বলে উল্লেখ ক বাকি অংশ পড়ুন...












