মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَـلَنْ تَـجِدَ لِسُنَّتِ اللهِ تَـبْدِيْلًا ۖ وَلَنْ تَـجِدَ لِسُنَّتِ اللهِ تَحْوِيلًا
অর্থ: “আপনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক বা হুকুম মুবারক উনার কখনও পরিবর্তন পাবেন না এবং মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক বা হুকুম মুবারকে কোন রকম বিচ্যুতিও পাবেন না।” (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৩)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনারও কোন পরিবর্তন, কোন রকম বিচ্যুতি পাওয়া যাবে না। কারণ তিনি পবিত্র ওহ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিণত বয়সে:
এক বর্ণনা মতে, তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতের শেষ পর্যন্ত বছরার গভর্ণরের দায়িত্ব পালন করেন এবং হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার খিলাফতের সূচনাতে তিনি মক্কা শরীফে চলে যান এবং নির্জনে বসবাস করতে থাকেন।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সিবতু রসূল আল খমিস, হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম) তিনি কুফাবাসীদের আমন্ত্রণে যখন পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে পবিত্র মক্কা শরীফ হয়ে কুফায় রওয়ানা হচ্ছিলেন, ত বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ মহান আল্লাহ পাক যিনি পূর্ববর্তী ওহী মুবারক দ্বারা নাযিলকৃত সমস্ত দ্বীন এবং পূর্ববর্তী পরব বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
উল্লেখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ দু’খানা বিশুদ্ধ এবং দলীলসমৃদ্ধ। যেমন প্রথম হাদীছ শরীফখানা উনার মূল বর্ণনাকারী হচ্ছেন হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশিষ্ট খাদিম। তিনি সুদীর্ঘ দশ বৎসর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১১তম পর্ব)
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قَالَت طَّائِفَةٌ مِّنْهُمْ يَا أَهْلَ يَثْرِبَ لَا مُقَامَ لَكُمْ فَارْجِعُوا ۚ وَيَسْتَأْذِنُ فَرِيقٌ مِّنْهُمُ النَّبِيَّ يَقُولُونَ إِنَّ بُيُوتَنَا عَوْرَةٌ وَمَا هِيَ بِعَوْرَةٍ ۖ إِن يُرِيدُونَ إِلَّا فِرَارًا.
অর্থ: “এবং তোমাদের মধ্যে একদল যখন বলেছিলো, হে পবিত্র মদীনাবাসী! এখানে আপনাদের কোন স্থান নেই, অতএব আপনারা ফিরে চলুন এবং তাদের মধ্যে একদল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট অ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র তাহাজ্জুদ নামাযের ওয়াক্ত :
{يٰاَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ} ... قَالَ الْعُلَمَاءُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِمْ: كَانَ هٰذَا الْـخِطَابُ لِلنَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ اَوَّلِ الْوَحْىِ قَبْلَ تَبْلِيْغِ الرِّسَالَةِ {قُمِ اللَّيْلَ} اَىْ لِلصَّلٰوةِ {اِلَّا قَلِيْلًا} وَكَانَ قِيَامُ اللَّيْلِ فَرِيْضَةٌ فِى الْاِبْتِدَاءِ وَبيَّنَ قَدْرَهٗ فَقَالَ: {نِصْفَهٗ اَوِ انْقُصْ مِنْهُ قَلِيْلًا} اِلَى الثُّلُثِ {اَوْ زِدْ عَلَيْهِ} عَلَى النِّصْفِ اِلَى الثُّلُثَيْنِ خَيَّرَهٗ بَيْنَ هٰذِهِ الْـمَنَازِلِ.
অর্থ: (হে কম্বলাবৃত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) ... হযরত উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন: রিসালত প্রচার কর বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
مَّا لَهُم بِهٖ مِنْ عِلْمٍ
এদের এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম নেই।
وَلَا لِآبَائِهِمْ
এদের বাপ-দাদা, চৌদ্দ পুরুষেরও এ বিষয়ে কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, এদেরতো ইলিম-কালাম নেই। যারা অপব্যাখ্যা করে থাকে, চূ-চেরা, কীল-কাল কওে, এদের বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষেরও কোন ইলিম-কালাম ছিলো না। কাজেই এদেরকে অনুসরণ করা যাবে না।
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলছেন-
كَبُرَتْ كَلِمَةً تَخْرُجُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ
এদের মুখ থেকে বের হচ্ছে কঠিন, নি বাকি অংশ পড়ুন...
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৬১)
{وَلْتَكُن مِّنْكُمْ} لا تزل منكم {أُمَّةٌ} جماعة {يَدْعُونَ إِلَى الخير} إلى الصلح والإحسان {وَيَأْمُرُونَ بالمعروف} بالتوحيد واتباع محمد صلى الله عليه وسلم {وَيَنْهَوْنَ عَنِ المنكر} عن الكفر والشرك وترك اتباع الرسول صلى الله عليه وسلم {وأولئك هُمُ المفلحون} الناجون من السخطة والعذاب.
অর্থ: (তোমাদের মধ্যে থাকা উচিত) তোমাদের মধ্যে সর্বদাই থাকা উচিত (এমন একটি উম্মাহ বা মাযহাব) জামায়াত বা দল (যাঁরা আহবান করবেন নেক কাজের প্রতি,) ইছলাহ ও কল্যাণের প্রতি (ভালো কাজের নির্দেশ দিবেন) তাওহীদ ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা আলাকের তাফসীর নিয়ে মিথ্যাচার করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম উনাকে নিরক্ষর (নাঊযুবিল্লাহ!) প্রমাণকারীদের কাছে প্রশ্ন???
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
حَتَّى فَجِئَهُ الحَقُّ وَهُوَ فِي غَارِ حِرَاءٍ، فَجَاءَهُ المَلَكُ فِيهِ، فَقَالَ: اقْرَأْ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " فَقُلْتُ: مَا أَنَا بِقَارِئٍ،
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে সম্মানিত ওহী মুবারক আসলো। আর এ সময় তিনি পবিত্র হেরা গুহায় ছিলেন। সেখানে হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এসে উনাক বাকি অংশ পড়ুন...
অসংখ্য অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। উনাদের মধ্যে বিশেষ হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখন মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ, পূর্ববর্তী তিনখানা কিতাব, একশ’খানা ছহীফাহ এবং মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে যা কিছু বর্ণিত রয়েছেন তার থেকে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী- সম্মান লক্ষ কোটিগুণ বেশি রয়েছেন। সুবহানাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...












