SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%উপর%' OR titleBn LIKE '%উপর%' OR descriptionEn LIKE '%উপর%' OR descriptionBn LIKE '%উপর%' OR slug LIKE '%উপর%' OR metaTag LIKE '%উপর%' OR metaDescription LIKE '%উপর%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছূল আ’যম, হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন সেই যামানায় মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলী। বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র সামা শরীফ সম্মানিত শরীয়তসম্মত তো অবশ্যই বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত:
ভারতের আজমীর শরীফ-এ শুয়ে আছেন ৭ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৩৬-৬৩৩ হিজরী) এবং দিল্লীতে রয়েছেন ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মাহবূব-ই-ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি (৬৩৫-৭২৫ হিজরী) উনারা। এই মহান মুজাদ্দিদদ্বয় রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণে পবিত্র হামদ-নাত শরীফ ও ক্বাছীদা শরীফ শুনতেন এবং পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। তাই, উনার বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, খুছূছিয়াত মুবারক সমস্ত সৃষ্টির চিন্তা ও কল্পনার ঊর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ! উনাকে যাঁরা হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত মুবারক করবেন, ঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৪র্থ পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
৩. কালো চেহারা ও কঠিন আযাব থেকে রক্ষা করলেন:
(ঘুমের ভিতর দেখতে পেলাম) আমার বাবার মাথার নিকট চারজন হাবশী লোক দাঁড়ানো, তাদের প্রত্যেকের হাতে লোহার দ-। তাদের একজন আমার বাবার মাথার নিকট, একজন পায়ের কাছে, একজন ডানদিকে এবং আরেকজন বামদিকে। হঠাৎ একজন অত্যন্ত সুন্দর ব্যক্তিত্ব মুবারক আসলেন, তিনি দà§ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হামদ্ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ কখনোই হারাম গানের সুরে পাঠ করা যাবে না বরং বাদ্যযন্ত্র ও হারাম গানের সুর বাদ দিয়ে ক্বাছীদা শরীফ উনার লেহানে (স্বরে) পাঠ করতে হবে।
আমরা আরবী ভাষাকে মুহব্বত করি। কেননা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভাষা মুবারক আরবী, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষা আরবী এবং আখিরাতের ভাষা আরবী। কিন্তু পবিত্র হামদ্ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ বিভিন্ন ভাষায় পাঠ হয়ে থাকে। তাই যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হচ্ছে, যে ভাষায়ই পবিত্র হামদ্ শরীফ, পঠবাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সে তাদের দলঠবাকি অংশ পড়ুন...
আবু মুহম্মদ জাবির ইবনে আফলাহ (হিজরী ৪৯৩-৫৪৪; খ্রি: ১১০০-১১৫০) ছিলেন মুসলিম স্পেন আল আন্দালুসিয়ার সেভিলের আরব মুসলিম মহাকাশ বিজ্ঞানী, গণিতজ্ঞ। উনার অনবদ্য কৃর্তী ‘ইসলাহুল মাজিস্ত্বী’। এই কিতাব ৯টি খন্ডে বিভক্ত ছিল। এছাড়াও গণিতের উপর তিনি ‘ফীশ শাকলিল ক্বত্ত্বা’ লিখেছিলেন। উনার জন্মস্থান সম্পর্কে তেমন জানা যায় না। তবে উনার নাম আল ইশবিলি নির্দেশ করে যে তিনি সেভিলের বাসিন্দা ছিলেন।
জাবির ইবনে আফলাহ তিনি উনার কিতাব ‘ইসলাহুল মাজিস্ত্বী’তে টলেমির আলমাজেস্টের সমালোচনামূলক বক্তব্য পেশ করেন।
মূলত: তিনি আল মাজেস্টের গাণিতিক ভিত্ঠবাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র জানাযার নামাযের পর দাফনের পূর্বে আর দোয়া-মুনাজাত করার প্রয়োজন নাই। এটা বিদয়াত। জানাযার নামাযই পরিপূর্ণ দোয়া। উক্ত বক্তব্য সঠিক কিনা?
জাওয়াব: (১ম অংশ)
“জানাযার নামাযই যথেষ্ট; দাফনের পূর্বে আর কোনো দোয়া-মুনাজাত করা যাবে না, তা বিদয়াত”Ñ এ বক্তব্য সঠিক নয়। জানাযার নামাযে মাইয়েতের জন্য দোয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, জানাযার নামাযের পর দাফনের পূর্বে কোনো দোয়া করা নিষিদ্ধ বা বিদয়াত হয়ে যাবে। বরং মাইয়েতের জন্য দোয়া করা সর্বাবস্থায়ই কল্যাণকর ও শরীয়তসম্মত আমল।
হাদীছ শরীফে এসেছে, যখন জানাযা প্রস্তুত বাকি অংশ পড়ুন...












