SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%উন্মুক্ত%' OR titleBn LIKE '%উন্মুক্ত%' OR descriptionEn LIKE '%উন্মুক্ত%' OR descriptionBn LIKE '%উন্মুক্ত%' OR slug LIKE '%উন্মুক্ত%' OR metaTag LIKE '%উন্মুক্ত%' OR metaDescription LIKE '%উন্মুক্ত%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আমাদের বার্তা খুবই পরিষ্কার-বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী গত জুুমুয়াবার স্থানীয় সময় সকালে ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠকে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা তাদের ব্যবসা ও বিনিয়োগের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করেন। আর তিনি কাজ করেন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুà বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় ২০ কোটিরও বেশি মুসলিম বসবাস করে, যা ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম জনসংখ্যা।
ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ার অভ্যন্তরে জাতীয়তাবাদী ও অর্থোডক্স খ্রিস্টান পরিচয়ভিত্তিক রাজনৈতিক বক্তব্য আরও জোরালো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর নজরদারি ও চাপও বেড়েছে। সাম্প্রতিক গ্রেফতার এবং নতুন আইন নিয়ে বিতর্ক সেই পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত বহন করছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে-দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আনুগত্যের বিনিময়ে যে ধর্মীয় বৈচিত্র্যকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, রাশিয়া à বাকি অংশ পড়ুন...
পূজার জন্য নির্দিষ্ট স্থান হলো মন্দির। তাছাড়া যার যার পূজা তাদের ব্যক্তিগত ঘর বা আঙিনায় হতে পারে। কিন্তু পাবলিকের জায়গা তথা রাস্তা, অলি-গলি, স্কুল মাঠ এগুলো দখল করে কোনোভাবেই পূজা মন্ডপ বসানো বৈধ হতে পারে না। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রচলিত কথিত গণতন্ত্রও এটা সমর্থন করে না। কারণ জনসংখ্যার সংখ্যানুপাতে হিন্দুদের সংখ্যা ১.৫ ভাগেরও কম, বিপরীতে মুসলমানদের সংখ্যা ৯৮ ভাগ। সে হিসেবেও সংখ্যাগুরু বা অধিকাংশ জনগণের অধিকারই এখানে প্রাধান্য পাওয়া সাংবিধানিক অধিকারও বটে। সংখ্যালঘু বিধর্মীদের এমন কোনো কাজ, যা সংখ্যাগুরু মুসলমানদের স্বাধীà বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা:
অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরঞ্জাম (ইকুইপমেন্টস)সহ দক্ষ জনশক্তি এবং কঠোর শ্রম, নিষ্ঠার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনা সার্বক্ষণিক সচল রয়েছে। বন্দরের সবচেয়ে লাভজনক, স্পর্শকাতর প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং (এনসিটি)-সিসিটিসহ এখানে কোথাও নতুন করে বিদেশি বিনিয়োগের কিংবা কোনো অংশই ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ অবশিষ্ট নেই। যৌক্তিকতাও নাই। প্রতিবছরই রেকর্ড অতিক্রম করে মুনাফা অর্জন করছে চট্টগ্রাম বন্দর। বন্দরের সেই টাকা দিয়ে পায়রা সমুদ্রবন্দর, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দরসহ দেশে অনেকগুলো স্থাপনা নঠবাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বক্তব্যকে বাস্তবতাবিবর্জিত ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বন্দর রক্ষা কমিটি, চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনা স্থবির পর্যায়ে ছিল এবং তা কাটাতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে আনার পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে, মন্ত্রীর এমন দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন কমিটির নেতারা।
গতকাল জুমুয়াবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার ও সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু এই মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম স্থবিঠবাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার বা’দ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সরকারের প্রতি ৮ দফা দাবিনামা পেশ করা হয়:
১. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শানে অবমাননাকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি ‘ফাঁসি’ রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত উম্মাহাতু বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সুন্দরবনে গড়ে অপহৃত হতেন ১শ’ জন বনজীবী। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর শৈথিল্যের সুযোগে গত কয়েক মাসে অপহরণের ঘটনা বেড়েছে কয়েক গুণ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই সুন্দরবনে ৩ শতাধিক অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় জেলে, বাওয়ালি ও কাঁকড়া শিকারিরা হয়েছেন অপহরণের শিকার। চলতি বছরের শুরুর দিকেও ঘটে বেশ কিছু অপহরণের ঘটনা।
নিরীহ, নিরস্ত্র বনজীবীদের অপহরণ করা সহজ। তাদের অপহরণ করে গহীন বনে নিয়ে আটকে রাখা হয়। মোবাইল বা বিকাশের মাধ্যমে দ্রুত গোপনে মুক্তিপণ আদায় করে ফেলে তারা। অপহরণের শ বাকি অংশ পড়ুন...
মিশরে ৩য় ও ৪র্থ হিজরী শতাব্দীতে ফাতিমীয় খলীফারা বাগদাদের বাইতুল হিকমাহর মতো কায়রোতে দারুল হিকমাহ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। এই লাইব্রেরিটি হিজরী ৩৯৫ (শামসী ৩৭১, খ্রিস্টাব্দ ১০০৪) সালে ফাতিমীয় খলীফা আল-হাকিম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর আগে, ফাতিমীয় খলীফা আল-আজিজ হিজরী ৩৬৯ (শামসী ৩৪৭, খ্রিস্টাব্দ ৯৮০) সালে কায়রোতে একটি বড় গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
এই গ্রন্থাগারে প্রায় চার লক্ষ কিতাব ছিল, যার মধ্যে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ২৪০০টি কপি ছিল। যার অনেক গুলো সোনা ও রৌপ্য দ্বারা লিখিত ছিল। বাকি কিতাবগুলি আইনশাস্ত্র, ব্যাকরণ, অলঙà বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার বা’দ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্ত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি নিম্নোক্ত ৮ দফা দাবিনামা পেশ করা হয়।
১. নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শানে অবমাননাকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি ‘ফাঁসি’ রাষ্ট্রীয়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এই বেয়াদবির অপরাধে ভাঙ্গার কাজী শামচুন্নেচ্ছা স্কুলের প্রধান শিক্ষক, কেরানীগঞ্জের ইফতেখার অনিà বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক পুরুষের জন্য যে ৬ ধরনের পোশাক পরিধান করা হারামঃ
পোশাক মানুষের সভ্যতার প্রথম নিদর্শন। মানুষের লজ্জা নিবারণের ভূষণ। কালের পরিবর্তনে পোশাকের রকম-ধরনেও নানা পরিবর্তন এসেছে। পবিত্র ওহী মুবারক উনার মাধ্যমে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মানুষকে তার পোশাক ও তা পরিধানের নিয়ম-কানুন বলে দিয়েছেন।
পুরুষের সতর হলো, নাভি থেকে নিয়ে হাঁটুর নীচ পর্যন্ত। তবে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হলো, এমন পোশাক পরিধান করা, যাতে তার প্রায় সমস্ত দেহ আবৃত হয়ে যায়।
তবে পুরুষের জন্যে ৬ ধরনের পোশাক পরিধান করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।-
১. পুরুষà§ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনের লোহিত সাগরীয় উপকূলজুড়ে প্রায় পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে হুথি স্বাধীনতাকামীরা। হুথি বাহিনীর যোদ্ধারা গত জুমুয়াবার বাব আল-মান্দেব প্রণালির পেরিম দ্বীপ দখল করে। লোহিত সাগরের বন্দরগুলো থেকে সংকীর্ণ এ প্রণালী দিয়েই সৌদি আরবের জ্বালানি রপ্তানি করা হয়ে থাকে।
হুথিদের এই তৎপরতার মাধ্যমে হরমুজের পর বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অস্থিরতা বৃদ্ধির ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার আরো মারাত্মক আকারে অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। যদিও হুথিদের দাবি, কেবল সà§ বাকি অংশ পড়ুন...












