তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য সেই প্রথম শাস্তিটা দেয়া হয়েছিল। মানুষতো বুঝতে পারবে না। কিন্তু পরবর্তী আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো অনেক। তার মধ্যে একটা বিষয় বলা হচ্ছে তাহলো পর্দার পবিত্র আয়াত শরীফ যা নাযিল করা হলো একাধিকবার।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ ذٰلِكَ أَدْنٰى أَنْ يُّعْرَفْنَ فَلا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন প্রথমে, কি বললেন?
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ
আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আরো প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন- মারফু, মাওকুফ, মাকতু, মুত্তাসিল, মুনকাতি, মুরসাল, মুআল্লাক, মুদাল্লাস, মুদ্বতারাব, মুদরাজ, ছহীহ, হাসান, দ্বয়ীফ, মাওদূ, মাতরূক, মুবহাম, গরীব, আযীয, মাশহূর, মুতাওয়াতির ইত্যাদি। এ সমুদয় প্রকারভেদ রাবী বা বর্ণনাকারীর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার আলোকে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা হারাম হলেও সউদী ওহাবী ইহুদী মুনাফিক সরকার কর্তৃক ভিড় নিয়ন্ত্রণের নামে পবিত্র দ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَـلَنْ تَـجِدَ لِسُنَّتِ اللهِ تَـبْدِيْلًا ۖ وَلَنْ تَـجِدَ لِسُنَّتِ اللهِ تَحْوِيلًا
অর্থ: “আপনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক বা হুকুম মুবারক উনার কখনও পরিবর্তন পাবেন না এবং মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক বা হুকুম মুবারকে কোন রকম বিচ্যুতিও পাবেন না।” (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৩)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনারও কোন পরিবর্তন, কোন রকম বিচ্যুতি পাওয়া যাবে না। কারণ তিনি পবিত্র ওহ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, যে নিজেকে চিনেছে সে মহান আল্লাহ পাক উনাকে চিনেছে। নিজেকে সে তখনই চিনবে যখন নিজের মা সম্পর্কে জানবে। আর নিজের মা সম্পর্কে তার তখনই জানা পূর্ণ হবে যখন সে মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হচ্ছে-
فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন, তোমরা শুনে রাখ।
فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ
নিশ্চয়ই যাদের অন্তরে বক্রতা, কুফরী-শিরকী রয়েছে, নাপাকী রয়েছে, বদ আক্বীদা রয়েছে, বদ মাযহাব যারা। তারা মুশাবিহাগুলি অনুসরণ করে অপব্যাখ্যা করে। নাঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি নিজেই বলেন-
ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ
ফিতনা তালাশের জন্য, ফিতনা ছড়ানোর জন্য তারা এগুলো করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি সরাসরি বলে দিচ্ছেন-
وَابْتِغَاءَ تَأْوِيلِهٖ
এবং তারা বাকি অংশ পড়ুন...
১। উনারা কোনো সৃষ্টির মত নন।
২। উনাদের মুবারক শানে কটূক্তিকারীরা লা’নতগ্রস্ত।
৩। উনাদের মুবারক শানে কটূক্তিকারীদের একমাত্র শরঈ শাস্তি মৃত্যুদন্ড বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে বান্দা-বান্দীদেরকে অসংখ্য-অগণিত নিয়ামত মুবারক দান করেছেন। তারমধ্যে বিশেষ এক নিয়ামত হচ্ছে গরুর গোশত। গরুর গোশত মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলিম উম্মাহর জন্য হালাল করেছেন।
মহান আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য হাছিলের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে পবিত্র কুরবানী। আর এই পবিত্র কুরবানীর পশু সমূহের মধ্যে অন্যতম হলো গরু। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মতে মহাসম্মানিত ঐতিহাসিক গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত কোষ মুবারক থেকে একটি তীর মুবারক বের করলেন এবং সেই তীর মুবারকটি সেই কূপে নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেন। মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! তখন পানি উপচে উঠতে লাগলো, এমনকি সকলেই তৃপ্তি সহকারে পানি পান করলেন। সুবহানাল্লাহ!
এমন সময় হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার খুযাআ গোত্রের কিছু লোক নিয়ে এলেন। উনারা তিহামাবাসীদের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবী বাকি অংশ পড়ুন...
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব।
সাইয়্যিদাতুনা হযর বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাব বাকি অংশ পড়ুন...












