SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ঈমানদারদের%' OR titleBn LIKE '%ঈমানদারদের%' OR descriptionEn LIKE '%ঈমানদারদের%' OR descriptionBn LIKE '%ঈমানদারদের%' OR slug LIKE '%ঈমানদারদের%' OR metaTag LIKE '%ঈমানদারদের%' OR metaDescription LIKE '%ঈমানদারদের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ফযীলত ও মর্যাদা:
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রশংসায় ইরশাদ মুবারক করেছেন-
إذَا ذُكِرَ اللهُ وَجِلَتْ قُلُوْبُهُمْ
(অর্থ: উনাদের কাছে যখন মহান আল্লাহ পাক উনার কথা বলা হয়, উনাদের অন্তর ভয়ে কেঁপে উঠে)। হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মধ্যে এ অবস্থার পূর্ণ বিকাশ ঘটেছিল। একবার উনার সম্মুখে এই আয়াত শরীফখানা পাঠ করা হলো-
فَكَيْفَ إذَا حِئْنَا مِنْ كُلِّ أمَّةٍ شَهِيْدًا
(অর্থ: তখন কেমন হবে যখন আমরা প্রত্যেক জাতির মধ্য থেকে সাক্ষী উপস্থিত করবো)। হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘পবিত্র সূরা কাওছার শরীফ” উনার মধ্যে সামর্থ্যবান বান্দা-বান্দীকে উনার সন্তুষ্টি মুবারক অর্জনের লক্ষ্যে পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَنْ تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَاللهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
নিশ্চয়ই যারা ঈমানদারদের মধ্যে ফাহেশা প্রচলন করতে চায়। অর্থাৎ খাছ করে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা, কীল-কাল করতে চায়, উনাদের বিরুদ্ধে এসব অপবাদ প্রচার করতে চায়, মুরজিফুন যারা। এদের কঠিন শাস্তি ইহকাল ও পরকালে। সেটা মানুষ, জিন-ইনসান জানে না। একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নাম মুবারক- হযরত আনাস, পিতা- নদ্বর বিন দামদাম, সাইয়্যিদুনা হযরত আনাস ইবনে নদ্বর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু পবিত্র মদীনা শরীফের প্রখ্যাত “বনু নাজ্জার” গোত্রে পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাদিম, প্রখ্যাত ছাহাবী সাইয়্যিদুনা হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিত চাচা। হযরত আনাস বিন নদ্বর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন উনার গোত্রের নেতা। মহিলা ছাহাবী হযরত রুবাইয়া বিনতু নদ্বর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা ছিলেন বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য সেই প্রথম শাস্তিটা দেয়া হয়েছিল। মানুষতো বুঝতে পারবে না। কিন্তু পরবর্তী আয়াত শরীফ নাযিল করা হলো অনেক। তার মধ্যে একটা বিষয় বলা হচ্ছে তাহলো পর্দার পবিত্র আয়াত শরীফ যা নাযিল করা হলো একাধিকবার।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ ذٰلِكَ أَدْنٰى أَنْ يُّعْرَفْنَ فَلا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন প্রথমে, কি বললেন?
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ
আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হা বাকি অংশ পড়ুন...
জাহান্নামে তোমাদেরকে পৌঁছে দেয়াই হবে। এবং উনারা কখনও যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যা আদেশ মুবারক করেন তার খিলাফ করেন না। যা আদেশ মুবারক করেন তাই উনারা পালন করে থাকেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলইহি ওয়া সাল্লাম! এতোক্ষণ বলা হলো ঈমানদারকে।
এরপর কাফিরদেকে বলা হচ্ছে-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ إِنَّمَا تُجْزَوْنَ مَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَعْتَذِرُوا الْيَوْمَ
হে কাফিরেরা! তোরা জেনে রাখ, আজ তোদের কোন ওজর গ্রহণ ক বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لاَ تَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِيْ مَنْصُورِيْنَ عَلَى الْـحَقِّ لَا يَضُرُّهُمْ مَنْ خَذَلَـهُمْ
অর্থ: সর্বদাই আমার উম্মতের মধ্যে একটি সাহায্যপ্রাপ্ত বিজয়ী দল হক্বের উপর থাকবে। বাতিলপন্থিরা উনাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত দ্বীন উনাকে জীবন্ত রাখার জন্য যুগে যুগে নিযুক্ত করেছেন নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম, ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া এবং উনাদের ওয়ারিছ ওলীআল্লাহ ও মুজাদ্দিদ উনাদেরকে এবং উনাদের স বাকি অংশ পড়ুন...
‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম’ উনার মধ্যে প্রবেশ করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছেন ‘সম্মানিত ঈমান’। সুবহানাল্লাহ! যখন কেউ সম্মানিত ঈমান আনেন, তখন তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে প্রবেশ করেন। আর সম্মানিত ঈমান সুসংঘঠিত হয়ে থাকেন সম্মানিত আক্বীদা মুবারক উনার মাধ্যমে। সুবহানাল্লাহ!
এ কারণে যিনি খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ اٰمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণরূপে দাখিল হও। তোমরা কখ বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ¦ালিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-“হে ঈমানদারগণ! মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করার মতো ভয় করুন এবং মুসলমান না হয়ে ইন্তিকাল করবেন না।” অর্থাৎ ঈমানদার দাবীদার প্রত্যেককে হাক্বীক্বী মুসলমান হতে হবে। আর হাক্বীক্বী মুসলমান হত বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِيْنَ آمَنُوا الْيَهُوْدَ وَالَّذِيْنَ أَشْرَكُوْا
অর্থ: (হে আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মূর্তিপূজারী মুশরিকদেরকে। (পবিত্র সূরা মায়িদা: আয়াত শরীফ ৮২)
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী ছেলে ও মেয়েকে বিয়ে করার ও বিয়ে দেয়ার জন্য কোনো বয়স নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। অর্থাৎ ৫, ১০, ১৫ ইত বাকি অংশ পড়ুন...












