SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইবনুল%' OR titleBn LIKE '%ইবনুল%' OR descriptionEn LIKE '%ইবনুল%' OR descriptionBn LIKE '%ইবনুল%' OR slug LIKE '%ইবনুল%' OR metaTag LIKE '%ইবনুল%' OR metaDescription LIKE '%ইবনুল%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কর্ম-জীবন:
আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম উনার খিলাফত আমলে সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বাহরাইনে ছদকা আদায়ের দায়িত্বে নিয়োগ করতে ইচ্ছা মুবারক প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পরামর্শ চাইলে তিনি বলেন, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বুদ্ধিমান ও লেখাপড়া জানা মানুষ। উনার জন্য যে খেদমতের প্রস্তাব আপনি করেছেন আমি তা সমর্থন করি। অতঃপর সম্মানিত খলীফা আলাইহিস সালাম উনাকে বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দেয়ার জন্য সমস্ত কায়িনাত, হাজারাত, শাজারাত, জিন-ইনসান, বনের পশু-পাখি সকলেই ব্যাকুল ছিলো। হযরত কারামত আলী জৈনপুরী রহমতুল্লাহি তিনি উনার ‘আল বারাহীনুল ক্বতইয়্যিাহ’ কিতাবে ‘মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ’ কিতাবের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পর গাইব হতে নেদা হলো এই মুক্তা দানা সদৃশ্য একক মর্যাদা মুবারক উনার অধিকারী মহান বালক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওà§ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দেয়ার জন্য সমস্ত কায়িনাত, হাজারাত, শাজারাত, জিন-ইনসান, বনের পশু-পাখি সকলেই ব্যাকুল ছিলো। হযরত কারামত আলী জৈনপুরী রহমতুল্লাহি তিনি উনার ‘আল বারাহীনুল ক্বতইয়্যিাহ’ কিতাবে ‘মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ’ কিতাবের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পর গাইব হতে নেদা হলো এই মুক্তা দানা সদৃশ্য একক মর্যাদা মুবারক উনার অধিকারী মহান বালক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওà§ বাকি অংশ পড়ুন...
১০ই রবীউছ ছানী বিলাদতে" সাইয়্যিদুনা হযরত "শাহ নাওয়াদা সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম" যিনি পৃথিবীর বুকে তাশরীফ গ্রহন করে নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সরাসরি নিছবত হাছিল করার সর্বশ্রষ্ঠ নিয়ামত মুবারক আমাদের সকল জিন- ইনসানকে দান করলেন, কারণ কেউ যদি সর্বপ্রকার মুহাব্বত, সন্তুষ্টি, দুনিয়া ও আখেরাতের সমস্ত কামিয়াবী, এবং ক্ষুধার্ত হয়েও যদি নূরে মুজাসসাম, হুযূর পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে খাদ্য চায় সেটাও মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধম্য দিয়ে পে বাকি অংশ পড়ুন...
অধিক ইবাদত করেছো বলেও অহংকার করো না। কারণ, ইবলিস ৬ লক্ষ বছর ইবাদত-বন্দেগী করেছিলো। ভেবে দেখো তার কি পরিণতি হয়েছিল। অধিক ইলিম শিক্ষা করেছো বলেও অহংকার-গর্বে ফেটে পড়ো না। কেননা বালয়াম বিন বাউরা এতো ইলিম শিক্ষা করেছিলো যে, যুগশ্রেষ্ঠ ১০ হাজার আলিম তার কাছে তা’লীম নিতো। সেছিলো মুস্তাজাবুদ দাওয়াত। সে যা দোয়া করতো মহান আল্লাহ পাক তিনি তাই কবুল করতেন। ৩০০ বছর সাধনা করে ‘ইসমে আ’যম’ আয়ত্ব করেছিলো। অথচ তার নিন্দায় কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সে কুকুরের ন্যায়। কুকুরের উপর বোঝা চাপিয়ে দিলে হাঁপাতে থাকে। আর না চাপালে বাকি অংশ পড়ুন...
যে সমস্ত মহিলারা কাফির মুশরিকদের পক্ষ অবলম্বন করে যুদ্ধে আগমন করেছিলো। তাদের পঠিত কবিতা শুনে কাফির মুশরিকদের সবাই একযোগে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়লো। সে সমস্ত মহিলাদের কয়েকজনের নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
১. হযরত হিন্দা বিনতে উতবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। তিনি ছিলেন হযরত আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিতা আহলিয়া এবং হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিতা মাতা।
২. হযরত উম্মে হাকীম বিনতে হারিছ ইবনে হিশাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। তিনি ছিলেন হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার আহলিয়া বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৪১৫)
قال جابر رضى الله عنه وجماعةٌ: أُولُو الأَمْرِ: أهل القران والعِلْمِ.
قال عطاءٌ رحمة الله عليه: طاعةُ الرَّسُولِ صلى الله عليه وسلم هي اتباع سُنَّته يعني بعد موته، ولفظ ابْنِ العَرَبِيِّ في ্রاحكامهগ্ধ قال: قوله تعالى {وَأُوْلِي الأمر مِنْكُمْ} فيها قولان:
الأوَّل: قال ميمونُ بْنُ مِهْرَانَ رحمة الله عليه هم أصحاب السَّرَايَا، وروى في ذلك حديثاً، وهو اختيار البُخَاريِّ، وروي عن ابْنِ عباس رضى الله عنهما أنَّها نزلَتْ في عبد الله بْنِ حُذَافَة رضى الله عنه إذْ بعثه النبيُّ صلى الله عليه وسلم في سرِيَّة.
والثاني: هم العلماءُ، وبه قال أكثر التابِعِينَ رحمة الله عليهم، واختاره مالكٌ والطبريُّ رحمة الله عليهما.
والصحيحُ عِنْدِي: أنهم الأمراء والعلماء، أمَّا الأمراء فَلأنَّ الأمْرَ منهم والحُكْمَ إلَيْهم، وأمَّا العلماء فَلأنَّ سؤالهم متعيِّن على الخَ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কাজী আবু ইয়ালা মুহম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনুল ফাররাহ (ওফাত ৪৫৮ হিজরী) রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন-
قَالَ أَبُوْ بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سَلْمَانَ الْنَجَّادُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ لَوْ أَنَّ حَالِفًا حَلَفَ بِالطَّلَاقِ ثَلَاثًا أَنَّ اللهَ تَعَالٰى يُقْعِدُ مُـحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَهٗ عَلَى الْعَرْشِ وَاسْتَفْتَانِيْ فِيْ يَـمِيْنِهٖ لَقُلْتُ لَه: صَدَقَتْ فِيْ قَوْلِكَ وَبَرَرَتْ فِيْ يَـمِيْنِكَ، وَامْرَأَتُكَ عَلٰى حَالِهَا، فَهٰذَا مَذْهَبُنَا وَدِيْنُنَا وَاِعْتِقَادُنَا، وَعَلَيْهِ نَشَأْنَا، وَنَحْنُ عَلَيْهِ إِلٰى أَنْ نَّمُوْتَ إنْ شَاءَ اللهُ فَلَزِمْنَا الْإِنْكَارُ عَلٰى مَنْ رَدَّ هٰذِهِ الْفَضِيْلَةَ الَّتِيْ قَالَتْهَا الْعُلَمَاءُ وَتَلَقَّوْهَا بِالقْ বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বর্ণিত আছে-
مَنْ رَدَّ هٰذِهِ الْأَحَادِيْثَ فَهُوَ مُبْتَدِعٌ ضَالٌّ. قَالَ: مَا أَدْرَكْنَا أَحَدًا يَرُدُّهٗ إِلَّا مَنْ فِي قَلْبِهٖ بَلِيَّةٌ، يُهْجَرُ وَلَا يُكَلَّمُ
যারা এই পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ অস্বীকার করতে চায় তারা বিদয়াতি, পথভ্রষ্ট। আমরা এমন একজনও দেখি নাই যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা ছাড়া কাউকে এটা অস্বীকার কিংবা বর্জন করতে। (আস সুন্নাহ লি আবি বকর ইবনে খল্লাল ১/২৫৯)
হযরত আবু বকর ইবনু খল্লাল রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত ৩১১ হিজরী) তিনি উনার কিতাবে এত ব্যাপক আলোচনা করেছনে যে অস্বীকারকারীদের তিনি ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন-
قَالَ: يُقْعِدُهُ مَعَهُ عَلَى الْعَرْشِ، قَالَ أَبُوْ بَÙ বাকি অংশ পড়ুন...
যেমন পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার “পবিত্র সূরা হাদীদ শরীফ উনার মধ্যে” বর্ণিত আছে-
وَهُوَ مَعَكُمْ اَيْـنَمَا كُنْـتُمْ
আল্লামা ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ “তাফসীরে কবীর” ২৯/২১৫ পৃষ্ঠায় লিখেন-
(وَهُوَ مَعَكُمْ.......) قَالَ الْمُتَكَلِّمُوْنَ هٰذِهِ الْمَعِيَّةَ اَمَّا بِالْعِلْمِ وَاَمَّا بِالْحِفْظِ وَالْحَرَاسَةِ مَا عَلَى التَّـقْدِيْرِيْنَ فَـقَدْ اِنْـعَقَدَ الْاِجْمَاعُ عَلٰى اَنَّهٗ سُبحَانَهٗ لَيْسَ مَعَنَا بِالْمَكَانِ وَالْجِهَةِ وَالْحِيْزِ
অর্থ: “আকাইদ তত্ত্ববিদগণ বলেন, “তিনি তোমাদের সাথে রয়েছেন” এখানে সাথে থাকাটা ইলম, হিফাযত ও তত্ত্বাবধান দ্বারা। তিনি নির্দিষà§ বাকি অংশ পড়ুন...












