বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
আলজেরিয়া:
আলজেরিয়ান মুসলিমরা পিজ্জা ‘সোয়ারবা’, সবজি রোল, আলু, সবজি দিয়ে তৈরি দোলমা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার শুরু করেন।
মাগরিবের নামাযের পর তারা ‘সিগার’ নামক এক ধরনের পানীয় পান করেন, যা বাদাম দিয়ে তৈরি। এছাড়া, তাদের ইফতারের তালিকায় বিভিন্ন স্যুপও থাকে।
সৌদি আরব:
আরব নিউজের এক প্রতিবেদন বলছে, সৌদিরা ইফতারের শুরুতে ‘গাহওয়া’ ন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতারের সময় প্রধান খাদ্য হিসেবে সর্বপ্রথম খেজুরের চাহিদা বেশি থাকে। দেশের অধিকাংশ খেজুর আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ-বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ইরান, ওমান ও ইরাক থেকে।
রোযা রাখার পর দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে খেজুর বেশ কার্যকর। এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।
বিশ্বে কয়েক’শ ধরনের খেজুর রয়েছে। তবে বাংলাদেশে সাধারণত কয়েক ধরনের খেজুর বেশি দেখা যায়। সেগুলো হলো-
আজওয়া খেজুর:
এটি সৌদি আরবের পবিত্র মদীনা শরীফের বিখ্যাত খেজুর। ছোট আকারের, গাঢ় রঙের এবং নরম স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশে বাকি অংশ পড়ুন...
সন্তানসম্ভবা ও দুগ্ধদায়িনীর রোযা রাখার হুকুম :
গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী যদি আশঙ্কাবোধ করে যে, রোযা রাখলে যথাক্রমে তাদের গর্ভস্থ ভ্রুণ ও দুগ্ধপানকারী সন্তান ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাহলে তাদের জন্য রোযা না রাখা জায়িয হবে। পরে এর ক্বাযা আদায় করে নিবে। কাফফারা বা ফিদিয়া প্রদান করতে হবে না।
বয়ো-বৃদ্ধের রোযা রাখার হুকুম :
অতিশয় বৃদ্ধ যে রোযা রাখতে অক্ষম তার জন্য অনুমতি রয়েছে যে, সে রোযা ভঙ্গ করতে পারবে এবং প্রতিদিনের রোযার পরিবর্তে একজন মিসকীনকে তৃপ্তি সহকারে দু’বেলা খাওয়াবে অথবা খাদ্য দান করবে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলাম বাকি অংশ পড়ুন...
রোযা রেখে ইফতার এবং সাহরির মাঝের সময়টি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় কি খাওয়া হচ্ছে, কতটুকু খাওয়া হচ্ছে- এসবের ওপরই নির্ভর করে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে কিনা। তাই পরিকল্পনা করে খাবার খেলে রোযা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার ও সাহরির মাঝের সময়টিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না।
অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি খান। এতে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তবে অবশ্যই ইফতার শুরু করা উচিত সুন্নতী খাবার খে বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...
চলছে পবিত্র রোযা। দিনের বেলা রোযা রাখার পর, ইফতারে শরীরে শক্তি ফেরানোর জন্য সঠিক পানীয় নির্বাচন করা খাবারের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এমন সময় ঠিক কোন কোন পানীয় পান করলে শরীরে এনার্জি বজায় থাকবে জেনে নিন।
পানি:
রোযা রাখার পর শরীরের হাইড্রেশন প্রয়োজন হয়। তবে একবারে খুব বেশি পানি পান করা ঠিক নয়। কারণ এ সময় পেট খালি থাকলে, অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। এর পরিবর্তে ধীরে ধীরে পানি পান করুন। এটি ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে পুনরায় হাইড্রেট করতে সহায়তা করে।
টক দই বা বাটারমিল্ক শরবত:
আরও একটি দুর্দান্ত পানীয় হলো টক দই শরবত বা বাটারমিল্ক। এই পানীয়গুলো বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ মাসে ইফতার-সাহরিতে খেজুর রাখা খাছ সুন্নত। খেজুর সুস্বাদু হওয়ায় শুধু মুখের রসনা নয়, শরীরের জন্যও খুবই উপকারী। এতে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল আছে, যেমন কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, খেজুর শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগ করতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেজুর খেলে দিনের ক্লান্তিভাব কমে এবং কর্মক্ষমতা বজায় থাকে।
এ ছাড়া খেজুর হজমে সহায়ক, হাড় ও হৃৎপি-ের জন্য উপকারী এবং রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে। তাই রোযা থাকাকালীন ইফতারে বা সাহরিতে ২-৩টি খেজুর খেতে হবে। যা একদিক থেকে সুন্নত আদায় হবে অন্যদিক থেক বাকি অংশ পড়ুন...
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা:
মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫ জন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
গত শনিবার ইফতারের আগ থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং প্রায় ১০/১২টি দোকান ভাঙচুর করা হয়।
জানা যায়, সংঘর্ষের খবর পেয়ে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় উভয় পক্ষের ইটপাটকেলের আঘাতে ৫ পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুক্তাগাছা বাকি অংশ পড়ুন...
হালিম এমন একটি খাবার যা বহু বছর ধরে ইফতারের সময় জনপ্রিয়। ইফতারে হালিম খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। কিন্তু ইফতারে হালিম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত কি না সেটা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন আছে।
হালিম ডাল, গম, গোশত, মসলা ও ঘি দিয়ে তৈরি হয়, যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। তবে এটি স্বাস্থ্যসম্মত কি না তা নির্ভর করে কিভাবে এটি তৈরি করা হয়েছে এবং কতটুকু খাওয়া হচ্ছে তার ওপর। হালিম একটি পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার, বিশেষ করে যদি এটি ঘরে তৈরি হয় এবং তেলে-ঝালে ভারি না হয়।
এটি দ্রুত শক্তি পুনরুদ্ধার করে, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। বাকি অংশ পড়ুন...
পুরান ঢাকায় সাহরির আগে মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়া হতো। মহল্লায় মহল্লায় ভেসে আসত এধরণের সুরের মূর্ছনা। দিনগুলো হারিয়ে গেছে। ‘সাবকো রোযা রাখনে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে, সাবকো নামাজ পাড়নে কি য়া আল্লাহ তাওফিক দে।’ পুরান ঢাকায় পবিত্র রমাদ্বান শরীফে রাতের শেষ প্রহরে হরহামেশা শোনা যেত এমন কাসিদা।
পুরান ঢাকায় এই প্রথার শুরু সেই মোগল আমল থেকে। রোযাদারদের জাগিয়ে তোলার জন্য কাসিদা গাওয়াকে সওয়াবের কাজ মনে করা হতো। ঈদের দিন মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরানা নিয়ে আসতো কাসিদার দলগুলো।
সাহরির আগে রোযাদারদের ঘুম ভাঙানোর চল রয়েছে প বাকি অংশ পড়ুন...












