SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইফতারে%' OR titleBn LIKE '%ইফতারে%' OR descriptionEn LIKE '%ইফতারে%' OR descriptionBn LIKE '%ইফতারে%' OR slug LIKE '%ইফতারে%' OR metaTag LIKE '%ইফতারে%' OR metaDescription LIKE '%ইফতারে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ইফতার করার পর শরীর চাঙা হবার কথা। কিন্তু দেখা যায় ইফতারের পর শরীর ছেড়ে দেয়। অর্থাৎ আরো বেশি ক্লান্ত লাগে। কিন্তু কেন এমন হয়?
খাওয়ার পর সেই খাবারকে বিভক্ত করে লিভারের কাছে পৌঁছে দিতে অন্ত্রের অনেক বেশি রক্তের প্রয়োজন হয়, যে কারণে রক্তের ওপর বেশি চাপ পরে। ফলে তখন রক্তচাপ কমে গিয়ে শরীর ক্লান্ত বোধ করে এবং ঘুম পায়।
অনেক সময় টানা না খেয়ে থাকলে এমনিতেই বডি গ্লুকোজ রিজার্ভ ও সঞ্চিত শক্তি ভান্ডার ফুরিয়ে আসে। তাই শেষ বেলায় বডি শুধু বিএমআর মেইন্টেইন করার এনার্জি রাখে। ঠিক তখন আমরা যখন ইফতার করি তখন আমরা শক্তি উৎপাদনের জন্য বেশি করে প্র বাকি অংশ পড়ুন...
জার্মানিতে পবিত্র মাহে রমাদ্বানের আমেজ আমাদের পরিচিত ইসলামী রাষ্ট্রগুলোর চেয়ে ভিন্ন। জার্মান মুসলমানদের বেশিরভাগ তুর্কি কিংবা তুরস্কের বংশোদ্ভূত। বাকিদের অধিকাংশই আরব বিশ্ব অথবা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসী। তাই এখানে রোযা পালনে থাকে বৈচিত্রের ছোঁয়া।
ইউরোপের অন্যান্য দেশের মুসলমানদের মতোই জাকজমক হয়ে থাকে জার্মান মুসলমানদের ইফতার। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে স্থানীয় মসজিদ অথবা মুসলিম কমিউনিটি হলগুলো হয়ে ওঠে জার্মানিতে বসবাসরত মুসলমানদের মিলন মেলা। এখানে খুবই কম মসজিদের সংখ্যা। সেই সাথে বিধর্মীদের রাষ্ট্রী বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
আলজেরিয়া:
আলজেরিয়ান মুসলিমরা পিজ্জা ‘সোয়ারবা’, সবজি রোল, আলু, সবজি দিয়ে তৈরি দোলমা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার শুরু করেন।
মাগরিবের নামাযের পর তারা ‘সিগার’ নামক এক ধরনের পানীয় পান করেন, যা বাদাম দিয়ে তৈরি। এছাড়া, তাদের ইফতারের তালিকায় বিভিন্ন স্যুপও থাকে।
সৌদি আরব:
আরব নিউজের এক প্রতিবেদন বলছে, সৌদিরা ইফতারের শুরুতে ‘গাহওয়া’ ন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতারের সময় প্রধান খাদ্য হিসেবে সর্বপ্রথম খেজুরের চাহিদা বেশি থাকে। দেশের অধিকাংশ খেজুর আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ-বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ইরান, ওমান ও ইরাক থেকে।
রোযা রাখার পর দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে খেজুর বেশ কার্যকর। এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।
বিশ্বে কয়েক’শ ধরনের খেজুর রয়েছে। তবে বাংলাদেশে সাধারণত কয়েক ধরনের খেজুর বেশি দেখা যায়। সেগুলো হলো-
আজওয়া খেজুর:
এটি সৌদি আরবের পবিত্র মদীনা শরীফের বিখ্যাত খেজুর। ছোট আকারের, গাঢ় রঙের এবং নরম স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশে বাকি অংশ পড়ুন...
সন্তানসম্ভবা ও দুগ্ধদায়িনীর রোযা রাখার হুকুম :
গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারিণী যদি আশঙ্কাবোধ করে যে, রোযা রাখলে যথাক্রমে তাদের গর্ভস্থ ভ্রুণ ও দুগ্ধপানকারী সন্তান ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাহলে তাদের জন্য রোযা না রাখা জায়িয হবে। পরে এর ক্বাযা আদায় করে নিবে। কাফফারা বা ফিদিয়া প্রদান করতে হবে না।
বয়ো-বৃদ্ধের রোযা রাখার হুকুম :
অতিশয় বৃদ্ধ যে রোযা রাখতে অক্ষম তার জন্য অনুমতি রয়েছে যে, সে রোযা ভঙ্গ করতে পারবে এবং প্রতিদিনের রোযার পরিবর্তে একজন মিসকীনকে তৃপ্তি সহকারে দু’বেলা খাওয়াবে অথবা খাদ্য দান করবে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলাম বাকি অংশ পড়ুন...
রোযা রেখে ইফতার এবং সাহরির মাঝের সময়টি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় কি খাওয়া হচ্ছে, কতটুকু খাওয়া হচ্ছে- এসবের ওপরই নির্ভর করে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে কিনা। তাই পরিকল্পনা করে খাবার খেলে রোযা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার ও সাহরির মাঝের সময়টিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না।
অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি খান। এতে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তবে অবশ্যই ইফতার শুরু করা উচিত সুন্নতী খাবার খে বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...
চলছে পবিত্র রোযা। দিনের বেলা রোযা রাখার পর, ইফতারে শরীরে শক্তি ফেরানোর জন্য সঠিক পানীয় নির্বাচন করা খাবারের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এমন সময় ঠিক কোন কোন পানীয় পান করলে শরীরে এনার্জি বজায় থাকবে জেনে নিন।
পানি:
রোযা রাখার পর শরীরের হাইড্রেশন প্রয়োজন হয়। তবে একবারে খুব বেশি পানি পান করা ঠিক নয়। কারণ এ সময় পেট খালি থাকলে, অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। এর পরিবর্তে ধীরে ধীরে পানি পান করুন। এটি ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে পুনরায় হাইড্রেট করতে সহায়তা করে।
টক দই বা বাটারমিল্ক শরবত:
আরও একটি দুর্দান্ত পানীয় হলো টক দই শরবত বা বাটারমিল্ক। এই পানীয়গুলো বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ মাসে ইফতার-সাহরিতে খেজুর রাখা খাছ সুন্নত। খেজুর সুস্বাদু হওয়ায় শুধু মুখের রসনা নয়, শরীরের জন্যও খুবই উপকারী। এতে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল আছে, যেমন কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন।
পুষ্টিবিদরা বলছেন, খেজুর শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগ করতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেজুর খেলে দিনের ক্লান্তিভাব কমে এবং কর্মক্ষমতা বজায় থাকে।
এ ছাড়া খেজুর হজমে সহায়ক, হাড় ও হৃৎপি-ের জন্য উপকারী এবং রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে। তাই রোযা থাকাকালীন ইফতারে বা সাহরিতে ২-৩টি খেজুর খেতে হবে। যা একদিক থেকে সুন্নত আদায় হবে অন্যদিক থেক বাকি অংশ পড়ুন...












