SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইউসূফ%' OR titleBn LIKE '%ইউসূফ%' OR descriptionEn LIKE '%ইউসূফ%' OR descriptionBn LIKE '%ইউসূফ%' OR slug LIKE '%ইউসূফ%' OR metaTag LIKE '%ইউসূফ%' OR metaDescription LIKE '%ইউসূফ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কোনো কোনো জাহিল ও গুমরাহ লোকেরা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার ফাযায়িল-ফযীলত আলোচনা করতে গিয়ে বলে থাকে যে, ‘এদিন আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন-
كَذَٰلِكَ كِدْنَا لِيُوسُفَ
অর্থ: এমনিভাবে আমি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার জন্য হীলাহ্ বা হিকমত অবলম্বন করেছি (উনার ভাইকে আবদ্ধ করে রাখার জন্য) (সূরা ইউসূফ শরীফ -৭৬)
আলোচ্য আয়াত শরীফে ‘কাইদ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, হীলাহ্ বা কৌশল। হযরত ইমাম আবূ বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এর দ্বারা হীলাহ এর বৈধতা প্রমাণিত। আর তার দ্বারা স্বীয় হুকুক বা অধিকার হাসিলের জন্য হীলাহ্ অবলম্বন করার বৈধতা প্রতিয়মান হয়। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনার কাজের উপর সন্তুষ্ট হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
একটা কঠিন অপবাদ। যে অপবাদটা হযরত ইউসূফ আলাইহিস সালাম উনাকে দেয়া হয়েছিল, হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম উনাকে দেয়া হয়েছিল। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কুদরতময় ভাবে ফায়সালা মুবারক করেছেন, মুক্ত করেছেন তাহলে আমারটা কি ভাবে হবে? অনেক ফিকির করলাম। এদিকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি বলে দিবেন? এখন তিনি যদি বলেন তাহলে মানুষতো বলবে প্রত্যেকেই প্রত্যেকের যার মাতাহাত তাদের সম্পর্কে ভালো কথাই বলে থাকে। তাহলে এটা কি ফায়সালা হবে? বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বলা হচ্ছে,
عَنْ حَضْرَتْ اِمَامِ الاوّل عَلَيْهِ السَّلَامُ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ্রنَحْنُ أَهْلُ بَيْتِ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَعْدِنُ الرِّسَالَةِ،
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমরা হচ্ছি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভূক্ত। নুবুওওয়াতের বৃক্ষ, রিসালতের মূল খনি,
لَيْسَ أَحَدٌ مِنَ الْخَلَائِقِ يَفْضُلُ أَهْلَ بَيْتِي غَيْرِيগ্ধ
সৃষ্টির কোন সৃষ্টি, সৃষ্টি হয়নি যারা হযর বাকি অংশ পড়ুন...
وَصِيَّةٌ (ওসিয়্যাতুন) অর্থ: অন্তিম উপদেশ। মুমুর্ষ ব্যক্তি বিদায়ের পূর্ব মুহুর্তে যে আদেশ বা উপদেশ দেন তাকে ওসিয়ত বলে। সাধারণ উপদেশের চেয়ে অন্তিম উপদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ হয়ে থাকে। আর তা পালনও করা হয় গুরুত্বসহকারে।
সঙ্গতকারণে গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ উপদেশকে ওসিয়তরূপে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পরিচয় নিস্প্রয়োজন। আর উনার আদেশ উপদেশসমূহ কত গুরুত্বপূর্ণ ও অর্থবহ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল বাকি অংশ পড়ুন...
৪০. প্রসঙ্গ : হালকী নফল বসে পড়াই সুন্নত এবং বসে আদায় করার মধ্যেই বেশী ফযীলত
বাতিলপন্থীদের বক্তব্য : বিতরের পর দু’রাকায়াত নফল নামায বসে না পড়ে দাঁড়িয়ে পড়লেই ছওয়াব বেশি। নাঊযুবিল্লাহ!
দ্বীন ইসলাম উনার ফতওয়া : বিতরের পর দু’রাকায়াত নফল নামায বসে বসে পড়াই বেশী ছওয়াব। কারণ তা বসে পড়াই হচ্ছে খাছ সুন্নত। কেননা, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হালকী নফল বসেই আদায় করতেন। সুতরাং হালক্বী নফল বসে আদায় করাই সুন্নত এবং বসে আদায় করার মধ্যেই বেশী ফযীলত।
[এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে মাসি বাকি অংশ পড়ুন...
৩. হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিষয়ে বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্:
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রত্যেকই মা’ছূম বা নিষ্পাপ। উনারা ছগীরা-কবীরা, কুফরী-শিরকী; এমনকি যাবতীয় অপছন্দনীয় কাজ থেকেও পূত-পবিত্র। উনারা দায়িমীভাবে ২৪ ঘণ্টা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সম্মানিত ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। উনাদের খাওয়া-দাওয়া, উঠা-বসা, চাল-চলন, কথা-বার্তা মুবারক সমস্ত কিছুই সম্মানিত ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত; এমনকি উনাদের স্বপ্ন মুবারকও সম্মানিত ওহী মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ক বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কোনো কোনো জাহিল ও গুমরাহ লোকেরা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার ফাযায়িল-ফযীলত আলোচনা করতে গিয়ে বলে থাকে যে, ‘এদিন আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হা বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে গরুর গোস্ত খেয়েছেন
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, উক্ত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে এটাও স্পষ্ট হলো যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছদক্বাহ্ গ্রহণ করতেন না, শুধুমাত্র হাদিয়া গ্রহণ করতেন।
আর যেহেতু উক্ত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্টভাবেই বলা আছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে গরুর গোস্ত দিয়ে বলা হয়েছে, এটা হয বাকি অংশ পড়ুন...
আরবের হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ সম্ভ্রান্তশীলা মহিলারা সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার নূরুল মালাহাহ মুবারক (মহাসম্মানিত কপাল মুবারক) উনার মধ্যে ‘নূরে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ অবলোকন করে আশিকাহ হয়ে উনার সাথে নিসবতে ‘আযীম শরীফে আবদ্ধ হওয়ার জন্য বেকারার-পেরেশান হয়ে গিয়েছিলো এবং উনার নিকট সরাসরি এই ব্যাপারে প্রস্তাবও দিয়েছিলো। এই জন্য উনারা উনাদের ধন-সম্পদসহ সমস্ত কিছু; এমনকি নিজেদের জীবন কুরবান করে দেয়ার জন্য সদা প্রস্তুত ছিলেন। উনারা বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন। যখনই উনারা উনাকে দেখতে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত নামায ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবু ইউসূফ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, একদিন আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে যাচ্ছিলাম। পথের ধারে ছেলেরা উনাকে দেখে পরস্পর বলাবলি করতে ছিলেন যে, তিনি সেই ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি, যিনি সারা রাত ইবাদত-বন্দেগী ও যিকির-ফিকিরে অতিবাহিত করেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, আবু ইউসূফ! দেখুন! আমার ব্যাপারে ছেলেরা কি বলছে। আজ থেকে আমাকে আর রাতে ঘুমানো যাবে না।
হয বাকি অংশ পড়ুন...












