SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আলিম%' OR titleBn LIKE '%আলিম%' OR descriptionEn LIKE '%আলিম%' OR descriptionBn LIKE '%আলিম%' OR slug LIKE '%আলিম%' OR metaTag LIKE '%আলিম%' OR metaDescription LIKE '%আলিম%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যে ব্যক্তি পবিত্র আশুরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উনাকে সম্মান, তা’যীম-তাকরীম করবে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে বেমেছাল ফযীলত দান করবেন। পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“তোমরা মুহররম মাসের পবিত্র আশুরা শরীফ উনাকে সম্মান করো। যে ব্যক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পূর্ণ অনুসারী। সমগ্র জীবনব্যাপী জ্ঞান-গবেষণা ও মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত বন্দেগীতে নিয়োজিত ছিলেন। উনার ৮৬ বছরের জীবন ছিল একটি আলোকউজ্জ্বল জীবন মুবারক। নিম্নে উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক তুলে ধরা হলো-
নাম মুবারক ও বংশ পরিচয়:
নাম- মালিক, উপনাম-আবূ আবদুল্লাহ। বংশপরম্পরা- মালিক ইবনু আনাস ইবনু আবূ আমির ইবনু আমর ইবনু হারিছ আল আছবাহী। তিনি আরবের প্রসিদ্ধ কাহত্বান গোত্রের উপগোত্র আছবাহ উনার অন্তর বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে একটি ওয়াকিয়া বর্ণিত রয়েছে। এক ব্যক্তি ছিল গরিব ও আলিম। একবার অসুস্থতার কারণে তিনি তিন দিন যাবৎ কোন কাজ করতে পারলেন না। চতুর্থ দিন ছিল পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন। তিনি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে ভালো খাওয়ার ফযীলত মুবারক সম্পর্কে জানতেন। তখন ছিল কাজীদের (বিচারকদের) যুগ। এলাকার কাজী ছাহেব ধনী ব্যক্তি ছিল।
গরিব আলিম ব্যক্তি তিনি কাজী ছাহেবের কাছে পবিত্র আশূরা শরীফ উনার ফযীলত মুবারক উনার কথা বলে এবং নিজের অসুস্থতা ও পরিবারের অভুক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে ১০ সের আটা, ১০ সের গোশত ও ২ দিরহাম হাদিয়া অথবা কর্জ হিসেবে চাইল বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উন বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মায়ের যদি দ্বীনের সঠিক বুঝ না থাকে তবে সেই মা তার সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারবে না। তাই বাবার দায়িত্ব হচ্ছে তার আহলিয়াকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সঠিক জ্ঞান শিক্ষা দেওয়া হয় এমন স্থানে নিয়ে গিয়ে সঠিক দ্বীনি বিষয়ে শিক্ষা লাভের ব্যবস্থা করে দিয়ে হাক্বীক্বী আল্লাহওয়ালী বানানো।
পক্ষান্তরে শুধুমাত্র মায়ের যদি দ্বীনি জ্ঞান থাকে আর পিতার দ্বীনি জ্ঞান না থাকে এক্ষেত্রে মা যদি সন্তানকে কোন দ্বীনি বিষয়ে আদেশ করেন বা দ্বীনি কথা বলেন এমতাবস্থায় পিতা সেই কথাকে গুরুত্ব না দিলে সন্তানও মায়ের কথা গুরুত্ব দিব বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী বর্ষের প্রথম মাস পবিত্র মুহররমুল হারামকে কথিত ‘হিজরী নববর্ষ’ হিসেবে উদযাপন করার জন্য কতিপয় নব্য বিদয়াতী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’ যেন কোমর বেঁধে নেমেছে। তাদের কথা হলো, বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশ হওয়া সত্ত্বেও কেনো এদেশে হিজরী নববর্ষকে বরণ করতে উলামায়ে কিরাম ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন না।
তারা পত্রিকায় “স্বাগতম হিজরী নববর্ষ” শিরোনামে লিখা পত্রস্থ করে বলে যে, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আলিম উলামা, পীর-মাশায়িখ ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের বুদ্ধিজীবিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে হিজরী নববর্ষ পালনের আয়োজন করতে হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
অথচ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খলীল বিন আহমদ বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, মানুষ ৪ প্রকার। যথা: (১) এমন মূর্খ লোক যে কিছুই জানে না, সে যে জানে না তাও বুঝে না। এমন লোক আহমক তথা গন্ড মূর্খ, তাই তার থেকে দূরে থাকবে। (২) এমন মূর্খ লোক, যে জানে যে সে মূর্খ, এমন লোক জাহিল, তাই তাকে ইলিম শিক্ষা দিবে। (৩) এমন জ্ঞানী লোক, যে জানে না যে সে জ্ঞানী। এমন ব্যক্তি ঘুমন্ত, তাই তোমরা তাকে জাগিয়ে দাও। (৪) এমন জ্ঞানী লোক, যিনি জানেন যে তিনি জ্ঞানী। এমন ব্যক্তি আলিম, তাই তোমরা উনাকে অনুসরণ করো।
অর্থাৎ যেই উলিল আমর উনার পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দলীল বেশি সেই উলিল আমর উনাক বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে দূরে অবস্থান:
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতযুগে তিনি প্রশাসনিক কর্মকা-ে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন। সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি উনাকে কাজীর পদ গ্রহণের প্রস্তাব দেন। কিন্তু তিনি এই প্রস্তাব হতে রুখসত আরজী করেন এই বলে যে, আমি দুই ব্যক্তির মধ্যে ফায়সালা করি না, দুই ব্যক্তির ইমামতিও করি না। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, কাজী তিন শ্রেণীর। এক, জাহিল। তাদের ঠিকানা জাহান্নাম। দু বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত আলিম ও বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি, যাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হযরত শায়েখ সা’দী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হযরত শায়েখ নিযামী ও হযরত মোল্লা জামী রহমতুল্লাহি আলাইহি। সেই মহান ব্যক্তিত্ব হযরত ফরীদুদ্দীন আত্তার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার লিখিত বিশ্বখ্যাত ও বহুল পরিচিত তাযকিরাতুল আউলিয়া কিতাবে। এছাড়াও আরো অনেকের দ্বারা প্রণিত তাযকিরাতুল আউলিয়া নামক কিতাবে বর্ণিত- হযরত হাবীব আযমী রহমতুল্লাহি আলাইহি নামে বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ উনার কথা, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে হাবীব নামে অভিহিত হয়েছিলেন। উ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাত্রবৃন্দ:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছাত্র অগণিত হওয়াই স্বাভাবিক। উনাদের সংখ্যাও গণনা সম্ভব নয় এবং তালিকাও বর্ণনা সহজ নয়। যিনি লক্ষাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের হাফিয, চল্লিশ হাজার পবিত্র হাদীছ শরীফ সংকলিত হয়েছে এমন গ্রন্থের সংকলক উনার ছাত্র বিশ্বজুড়ে হওয়াই স্বাভাবিক। যার মজলিসে পাঁচ হাজার পর্যন্ত ছাত্র থাকতো। নিম্নে কয়েকজন নক্ষত্রতুল্য ছাত্রের নাম উল্লেখ করা হলো-
১. ইমাম মুহম্মদ বিন ইসমাঈল আল বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
وَلَنْ تَـرْضٰى عَنكَ الْيَـهُوْدُ وَلَا النَّصَارٰى حَتّٰى تَـتَّبِعَ مِلَّتَـهُمْ
“ইহুদী ও নাছারারা কখনোই তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তাদের ধর্ম অনুসরণ ন বাকি অংশ পড়ুন...












