বর্তমানে বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে হচ্ছে। এতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৬০-৬৫ হাজার কোটি টাকা।
দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দেওয়া বিশেষ জরুরী
(২য় পর্ব)
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সঙ্গে অর্থনীতির নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। এ খাতকে সেবা খাত হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে দেশের সাধারণ মানুষ লাভবান হয়, তাদের জীবনমান বাড়ে, অর্থনীতিও সচল থাকে। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে জনবিমুখ ও আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতির কারণে এখন ঝুঁকিতে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। জ্বালানি নিশ্চিত না করেই একের পর এক বিদ্যুৎ কেন্দ্ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের অধীনে বর্তমানে ১৫টি চিনিকল আছে। এগুলোর বার্ষিক মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই লাখ ১০ হাজার টন। আগে এক লাখ টনের বেশি উৎপাদন করতে পারলেও এখন ৬০-৭০ হাজার টনের বেশি উৎপাদন করতে পারে না। প্র বাকি অংশ পড়ুন...
লংটার্ম কন্ট্রাক্ট বাদ দিয়ে বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকেই এলএনজি ক্রয় করছে
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএলকে না জানিয়ে বিনা টেন্ডারে মার্কিন কোম্পানী আর্জেন্ট থেকে বছরে ৫০ লাখ টন এলএনজি আমদানীর চুক্তিকে
জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা দুর্নীতির মা- হাসিনা আমলের চেয়েও বড় অস্বচ্ছ মনে করছেন
২০২৫-২০২৬ সালে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকার এলএনজি আমদানী ক্রয় করা হবে
বিপরীতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার কোটি টাকা
অন্তর্বর্তী সরকার আর দুর্নীতির মা- হাসিনার সরকার
তফাৎ টা তাহলে কী?
গণ ভাবনা খুব বেশী দরকার!
আন্তর্জাতিক কোটেশনের মা বাকি অংশ পড়ুন...
এতে বিশেষ করে নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বা নতুন ব্যবসায়ী বিপর্যস্থ হয়ে পড়ছেন।
শিল্প খাতে বিনিয়োগের গতি কমছে, নতুন চাকরির সুযোগও কমছে।
অর্থনীতি কাগজে স্থিতিশীল মনে হলেও বাস্তবে তা চরম স্থবির হয়ে পড়ছে।
আইএমএফ ছাড়া আমাদের অনেক বিকল্প আছে।
সেদিকেই ধাবিত হতে হবে তথা খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র আলোকে চলতে হবে ইনশাআল্লাহ।
সরকারি তথ্য বলছে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ২০.৩ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৮.৮ বিলিয়ন ডলারে। আর ২০২৫ সালের জুনের শেষে ঋ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের অধীনে বর্তমানে ১৫টি চিনিকল আছে। এগুলোর বার্ষিক মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই লাখ ১০ হাজার টন। আগে এক লাখ টনের বেশি উৎপাদন করতে পারলেও এখন ৬০-৭০ হাজার টনের বেশি উৎপাদন করতে পারে না। প্র বাকি অংশ পড়ুন...
খসড়া নীতিমালাটি শিগগিরই অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের পায়তারা চলছে।
কিন্তু আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হলে ছোট ও মাঝারি খামারিদের টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়বে।
বাচ্চার সংকট তৈরি হলে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে ভোক্তা পর্যায়ে।
এতে ডিম ও মুরগির গোশতের দাম বাড়লে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের প্রোটিন গ্রহণ চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হবে, যা জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তার জন্য মহা উদ্বেগজনক।
জরুরি প্রয়োজনে বাচ্চা বা প্যারেন্ট স্টক আমদানি করলেও তা দীর্ঘ ও জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে করতে হয়।
ফলে আকস্মিক সং বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
চলতি লবণ উৎপাদন মৌসুমের শুরুতে লবণ মিল মালিক ও সংশ্লিষ্ট আমলাদের কারসাজির মাধ্যমে বিদেশ থেকে এক লাখ মেট্রিক টন লবণ আমদানীর সিদ্ধান্তের খবরে কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার লবণ চাষি ও শ্রমিকরা হতাশ হয়ে পড়েছে।
কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় অঞ্চলের উৎপাদিত লবণ থেকে প্রতি বছর দেশের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করে আরো উদ্বৃত্ত থেকে যায়। এ জেলায় প্রতিবছর লক্ষ্যমাত্রার অধিক লবণ উৎপাদিত হয়। অথচ চলতি মৌসুম শুরু হলেও চকরিয়া, মহেশখালী, জেলা সদর উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ লবণ মাঠ এখনো খালী পড়ে রয়েছে। এলাকার ল বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
চলতি লবণ উৎপাদন মৌসুমের শুরুতে লবণ মিল মালিক ও সংশ্লিষ্ট আমলাদের কারসাজির মাধ্যমে বিদেশ থেকে এক লাখ মেট্রিক টন লবণ আমদানীর সিদ্ধান্তের খবরে কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার লবণ চাষি ও শ্রমিকরা হতাশ হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
বিভিন্ন সময়ে খবর বের হয়, অনেক স্থানে মহিলা আহাল বা স্বামীর হাতে খুন হয়েছে, আবার কোথাও পারিবারিক সহিংসতার জেরে নারী আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু একটি বিষয়ের সংবাদ বা তথ্য আড়াল করা হয় যে, আহালের বা স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের তথ্য প্রকাশ করলেও আহলিয়া বা স্ত্রীর হাতেও যে স্বামীরা খুন হয় সেই তথ্য এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের গবেষণায় পুরুষের প্রতি বৈষম্যের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। শুধু নারী নির্যাতনের বিষয়টি ফলাও করে নারীবাদীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়েছে।
তাদের দাবি অনুযায়ী, নারীরা এখনো প্রতিনিয়ত পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো বাকি অংশ পড়ুন...
লংটার্ম কন্ট্রাক্ট বাদ দিয়ে বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকেই এলএনজি ক্রয় করছে
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএলকে না জানিয়ে বিনা টেন্ডারে মার্কিন কোম্পানী আর্জেন্ট থেকে বছরে ৫০ লাখ টন এলএনজি আমদানীর চুক্তিকে
জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা দুর্নীতির মা- হাসিনা আমলের চেয়েও বড় অস্বচ্ছ মনে করছেন
২০২৫-২০২৬ সালে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকার এলএনজি আমদানী ক্রয় করা হবে
বিপরীতে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার কোটি টাকা
অন্তর্বর্তী সরকার আর দুর্নীতির মা- হাসিনার সরকার
তফাৎ টা তাহলে কী?
গণ ভাবনা খুব বেশী দরকার!
আন্তর্জাতিক কোটেশনের মা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশী পোর্ট অপারেটিং ইন্ডিাস্ট্রিকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা এবং চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশী বন্দর অপারেটরদের প্রধান্য দেয়া ও যুক্ত করার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পতাকা মিছিল করেছে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) টিএসসি থেকে শাহবাগে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে মিছিলটি শেষ হয়।
স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টি’র নেতৃবৃন্দ বলেন, বিডার নির্বাহী ও নৌ উপদেষ্টার কথাবার্তা ও আচরণে মনে হচ্ছে তারা যেন বিদেশী পোর্ট অপারেটরদের মার্কেটিং এজেন্ট! দেশের কৌশলগত বন্দর বিদেশীদের দেয়ার জ বাকি অংশ পড়ুন...
এতে বিশেষ করে নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বা নতুন ব্যবসায়ী বিপর্যস্থ হয়ে পড়ছেন।
শিল্প খাতে বিনিয়োগের গতি কমছে, নতুন চাকরির সুযোগও কমছে।
অর্থনীতি কাগজে স্থিতিশীল মনে হলেও বাস্তবে তা চরম স্থবির হয়ে পড়ছে।
আইএমএফ ছাড়া আমাদের অনেক বিকল্প আছে।
সেদিকেই ধাবিত হতে হবে তথা খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র আলোকে চলতে হবে ইনশাআল্লাহ।
সরকারি তথ্য বলছে, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ২০.৩ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৮.৮ বিলিয়ন ডলারে। আর ২০২৫ সালের জুনের শেষ বাকি অংশ পড়ুন...












