SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আখিরাতে%' OR titleBn LIKE '%আখিরাতে%' OR descriptionEn LIKE '%আখিরাতে%' OR descriptionBn LIKE '%আখিরাতে%' OR slug LIKE '%আখিরাতে%' OR metaTag LIKE '%আখিরাতে%' OR metaDescription LIKE '%আখিরাতে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাব থেকে দলীল:
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মা‘আরিফ’ কিতাবের ২৭৮ নং পৃষ্ঠায় আরো বলেন,
اَرْكَانُ الْاِسْلَامِ الَّتِىْ بُنِىَ الْاِسْلَامُ عَلَيْهَا خَمْسَةٌ اَلشَّهَادَتَانِ وَالصَّلٰوةُ وَالزَّكٰوةُ وَصِيَامُ رَمَضَانَ وَالْحَجُّ فَاَعْيَادُ عُمُوْمِ الْمُسْلِمِيْنَ فِى الدُّنْيَا عِنْدَ اِكْمَالِ دَوْرِ الصَّلٰوةِ وَاِكْمَالِ الصِّيَامِ وَالْحَجُّ يَجْتَمِعُوْنَ عِنْدَ ذٰلِكَ اِجْتِمَاعًا عَامًا فَاَمَّا الزَّكٰوةُ فَلَيْسَ لَهَا وَقْتٌ مُعَيَّنٌ لِيَتَّخِذَ عِيْدًا بَلْ كُلُّ مَنْ مُلِمُّ نِصَابًا فَحَوْلَهٗ بِحَسْبِ مِلْكِهٖ وَاَمَّا الشَّهَادَتَانِ فَاِكْمَال বাকি অংশ পড়ুন...
৩৮। মুর্শিদ কিবলা উনার জাহিরী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি লক্ষ্য করবে না। বরং উনার বাতিনী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি সর্বদা মুতাওয়াজ্জেহ বা রুজু থাকবে।
সুতরাং যারা হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণের জাহিরী বা বাহ্যিক রূপ ও ছিফতের (গুণাবলীর) প্রতি নজর রাখবে তারা উনাদের বরকত হতে মাহরূম বা বঞ্চিত হবে এবং দুনিয়া ও আখিরাতের অকল্যাণ দেখতে পাবে। কারণ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জাহিরী অবস্থা ও গুণাবলী দেখার কারণেই আবূ জাহিল, আবূ লাহাব প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ ইসলা বাকি অংশ পড়ুন...
১। ছাগল মানুষের চেয়ে সাবধান। কারণ, সে রাখালের ডাক শুনে ঘাস খাওয়া বন্ধ করে ও তার দিকে দৌড়ে আসে। পক্ষান্তরে মানুষ মহান আল্লাহ পাক উনার আহ্বান শুনে উনার দিকে দৌড়ে যায় না এবং পাপ কাজ থেকে বিরত হয় না।
২। অসৎ লোকের সংসর্গে থাকলে সে সৎলোকের প্রতি অসৎ ভাব জন্মিয়ে দেয়।
৩। যদি কেউ আমাকে মদ ও দুনিয়াদারীর প্রতি আহ্বান করে, তাহলে আমি দুনিয়াদারীকে অধিক অপছন্দ করব।
৪। যখন দেখব, তোমার মনে বিন্দুমাত্রও মহান আল্লাহ পাক উনার বিরোধিতা নেই তখনই আমি বুঝব, তুমি প্রকৃত মা‘রিফাত লাভ করেছ।
৫। অনন্ত সুখময় জান্নাত শুধুমাত্র কয়েকদিনের বাহ্যিক কিছু আনুষ্ঠà বাকি অংশ পড়ুন...
৩৬। কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা কোন বিষয়ে তলব করলে তৎক্ষনাৎ উনার ডাকে সাড়া দিবে।
“ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন” কিতাবে উল্লেখ আছে, “হযরত খাজা কুতুবুদ্দীন বখতিয়ার কাকী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নফল নামায ত্যাগ করে মুর্শিদ কিবলা উনার ডাকে সাড়া দেয়া কল্যাণকর এবং তার ছওয়াব অনেক বেশী।
কেননা একবার আমি নফল নামাযে রত থাকাকালীন আমার মুর্শিদ কিবলা, সুলতানুল হিন্দ, হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি সঙ্গে সঙ্গে নামায ছেড়ে দিয়ে উনার ডাকে সাড়া দিলাম। তিনি বললেন, আসুন! আমি উনার খিদমতে হাযির হলাম। বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনের আনসারুল্লাহর নেতা সাইয়্যেদ আবদুল মালিক আল-হুথি নিপীড়ন ও দ্বিচারিতার জন্য আমেরিকা, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের নিন্দা করেছেন। তিনি সৌদি শাসকদের বিরুদ্ধে ইসলামি স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ এনে বলেছেন, একই সময়ে তারা বাস্তবে মুসলমানদের হত্যা করছে।
২০১৬ সালে সৌদি যুদ্ধবিমান দিয়ে সানার ‘গ্র্যান্ড হল’-এ হামলার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, সৌদি আগ্রাসনকে যারা সমর্থন করে- তা কোনো সরকার হোক, গোষ্ঠী হোক কিংবা সংগঠন- তারা নিজেদের পাপ, অপরাধ ও অন্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলছে। এর দুনিয়া ও আখিরাতে পরিণতি রয়েà বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র জানাযার নামাযের পর দাফনের পূর্বে আর দোয়া-মুনাজাত করার প্রয়োজন নাই। এটা বিদয়াত। জানাযার নামাযই পরিপূর্ণ দোয়া। উক্ত বক্তব্য সঠিক কিনা?
জাওয়াব: (৩য় অংশ)
যাদুয্ আখিরাহ ৯ম বাব ১১২ পৃষ্ঠা এবং হাদিয়াতুল মুছাল্লীন ১১২ ও ১১৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
ودر روای تے ست لہ رسول علیہ السلام بر مردہ نماز گزا ردپس بگقت اللھم ان فلان بن فلان فی ذمتک دخل فی جوارک فقہ من فتنۃ القبر وعذاب النار وانت اهل االو فاء والحق اللہم اغفر لہ وارحمہ انک انت الغفور الرحیم
অর্থ: “কোন কোন রিওয়ায়েতে আছে যে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জানাযা নামায পড়ে এ দোয়া করেছেন-
اَللَّهُمَّ إِنَّ فُلَانَ ب বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ .صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ
অর্থাৎ: আয় মহান আল্লাহ পাক! আমাদেরকে সরল সঠিক পথ দান করুন। সেই পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত মুবারক দান করেছেন। (পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ)
অত্র আলোচনা থেকে প্রমাণিত হচ্ছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইত্তেবা করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ফরজে আইন। আর উনার সম্মানার্থে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম এবং হযরত ছিদ্দীকীন, শুহাদা, ছলিহীন তথা হযরত ইমাম-মুজতাহিদ, আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাà বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র জানাযার নামাযের পর দাফনের পূর্বে আর দোয়া-মুনাজাত করার প্রয়োজন নাই। এটা বিদয়াত। জানাযার নামাযই পরিপূর্ণ দোয়া। উক্ত বক্তব্য সঠিক কিনা?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
আল্ মাবসূত লিস্ সারাখসী ২য় খ- ৬৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
رُوِيَ عَنْ حَضْرَتِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُمَا، وَحَضْرَتِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ، أَنَّهُمَا فَاتَتْهُمَا الصَّلَاةُ عَلَى الْجَنَازَةِ، فَلَمَّا حَضَرَا مَا زَادَا عَلَى الْاِسْتِغْفَارِ لَهُ.
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা ও হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। উনাদের দু’জনে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
فَأَعْرِضْ عَن مَّنْ تَوَلّٰى عَنْ ذِكْرِنَا وَلَمْ يُرِدْ إِلَّا الْحَيَاةَ الدُّنْيَا
অর্থ : আপনি উম্মতদের বলে দিন, তারা যেন ঐ সমস্ত ব্যক্তিদের ছোহবত থেকে বিরত থাকে, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে বিমুখ হয় বা ফিরে যায় এবং পার্থিব জীবন ব্যতীত কিছুই চায় না। (পবিত্র সূরা নজম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৯)
অর্থাৎ যারা যিকির থেকে বিমুখ, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের সাথে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা, তাদের কাছে রহমত উনার পরিবর্তে জহমত থাকে। যার ফলে তাদের সাথে চলা-ফেরা, উঠা-বসা করার দ্বারা সেই জহমত লাভ হয়ে থাকে। এ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হামদ্ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ কখনোই হারাম গানের সুরে পাঠ করা যাবে না বরং বাদ্যযন্ত্র ও হারাম গানের সুর বাদ দিয়ে ক্বাছীদা শরীফ উনার লেহানে (স্বরে) পাঠ করতে হবে।
আমরা আরবী ভাষাকে মুহব্বত করি। কেননা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভাষা মুবারক আরবী, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষা আরবী এবং আখিরাতের ভাষা আরবী। কিন্তু পবিত্র হামদ্ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ বিভিন্ন ভাষায় পাঠ হয়ে থাকে। তাই যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হচ্ছে, যে ভাষায়ই পবিত্র হামদ্ শরীফ, পঠবাকি অংশ পড়ুন...












