SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আওলাদদেরকে%' OR titleBn LIKE '%আওলাদদেরকে%' OR descriptionEn LIKE '%আওলাদদেরকে%' OR descriptionBn LIKE '%আওলাদদেরকে%' OR slug LIKE '%আওলাদদেরকে%' OR metaTag LIKE '%আওলাদদেরকে%' OR metaDescription LIKE '%আওলাদদেরকে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন,
مَنْ يَعْشُ عَنْ ذِكْرِ الرَّحْمَنِ نُقَيِّضْ لَهُ شَيْطَانًا فَهُوَ لَهُ قَرِينٌ. وَإِنَّهُمْ لَيَصُدُّونَهُمْ عَنِ السَّبِيلِ وَيَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ مُهْتَدُونَ
‘যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল হয়ে যায়, তার জন্য একটা শয়তান নির্দিষ্ট হয়ে যায়। ঐ শয়তান তাকে গোমরাহ্ করে, সে মনে করে সে হিদায়াতপ্রাপ্ত।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা যুখরুফ শরীফ: ৩৬-৩৭)
বিষয়টা কিন্তু কঠিন বিষয়। অনেকে রসম-রেওয়াজ যিকির করে। এই রসমী যিকির দিয়ে কোন কাজ হবে না। এটা আমি সব সময় এজন্য বলি। তোম বাকি অংশ পড়ুন...
আর এটাও মনে রাখতে হবে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন-
إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ
মানুষ যখন সকলে মরে যাবে বা ইন্তেকাল করবে
اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ
তখন তিনটা আমল ছাড়া তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যাবে
صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ
এক নম্বর হচ্ছে- ছদ্কায়ে জারিয়াহ্। যেটা মসজিদ, মদ্রাসা, ইয়াতিমখানা, লঙ্গরখানা, রাস্তা-ঘাট যা রয়েছে, পানির ব্যবস্থা যা রয়েছে, এগুলো সে যা করে যাবে। যতদিন থাকবে, ততদিন সে তার ফ বাকি অংশ পড়ুন...
এই সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ اِمَامِ الاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَاَدِّبُوْااَوْلَادَكُمْ عَلـٰى ثَلَاثِ خِصَالٍ حُبِّنَـبِـيِّكُمْ وَحُبِّاَهْلِ بَيْتِهٖ وَقِرَاءَةِ الْقُرْاٰنِ
অর্থ: “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা তোমাদের আওলাদদেরকে অর্থাৎ সন্তান-সন্ততি, নাতী-নাতনী, ছেলে- বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
অর্থাৎ এটাকে আয়াতে মুবাহালা বলা হয়। যখন কোনো বিষয় দলীল-আদিল্লাহ দিয়ে ফায়ছালা হয় না তখন মুবাহালা করার বিষয়টা এসে থাকে। এখন যারা উপস্থিত থাকে তারা থাকলেও চলবে, আল-আওলাদদেরকে ডাকলেও চলে, সেটার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। সেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দেন। যখন মুবাহালার আয়াত শরীফ নাযিল হলো, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন ঠিক আছে, তোমাদের মধ্য থেকে যারা উপস্থিত তারা আসুক, আমরাও আসি। এখন মুবাহালা করা হবে। বলতে হবে কি? মহান আল্লাহ পাক! যে বিষয়ে আলোচনা হলো, এতে যারা বাকি অংশ পড়ুন...
এই সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىِّ بْنِ اَبِـىْ طَالِبٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَدِّبُوْا اَوْلَادَكُمْ عَلـٰى ثَلَاثِ خِصَالٍ حُبِّ نَـبِـيِّكُمْ وَحُبِّ اَهْلِ بَيْتِهٖ وَقِرَاءَةِ الْقُرْاٰنِ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা তোমাদের আওলাদ তথা সন্তান-সন্ততি, নাতী-নাতনী, ছেলে-মেয়ে, অধীনস্থদেরকে তিনটি বিষয়ে যথাযথ (আদব) শিক্ষা প্রদা বাকি অংশ পড়ুন...












