(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখার গুরুত্ব, ফযীলত সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক হয়েছে:
(১) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ছয়টি রোযা রাখবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে শাস্তির শৃংখল ও কঠোর জিঞ্জিরের বেষ্টনী হতে নাযাত দিবেন। সুবহানাল্লাহ!
(২) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার ৬টি রোযা রাখবে, তার আমলনামায় প্রত্যেক রোযার পরিবর্তে সহ¯্র রোযার ছওয়াব লিখে দেয়া হবে। সুবহানাল্লাহ!
(৩) যে ব্যক্তি পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে রোযা রাখবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার জন্য দোযখের আগুন হার বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থেই সমস্ত কায়িনাত সৃষ্টি করেছেন। উনাকে সৃষ্টি মুবারক করা না হলে কোনো কিছুই অস্তিত্বে আসতো না। সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কতটুকু সম্মান করতে হবে, কতটুকু তা’যীম-তাকরীম মুবারক করতে হবে, উনাকে সম্বোধন মুবারক করার ক্ষেত্রে কিভাবে কতটুকু সর্বোচ্চ আদবের সাথে শব্দ চয়ন করতে হবে সেটা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন। মহান আল্ বাকি অংশ পড়ুন...
সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য সব সৃষ্টি করেছেন। সেটাই বলা হচ্ছে, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا حَبِيْبُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم اَنَا وَاَنْتَ وَمَا سِوَاكَ خَلَقْتُ لِاَجْلِكَ،
পবিত্র হাদীসে কুদসী শরীফে যিনি খ¦লিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি এবং আপনি আর কেউ না। আমি এবং আপনি এছাড়া সব আপনার জন্য সৃষ্টি করেছি।
هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا
সমস্ত কিছুই উনার মহাস বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র ২৬শে শাওওয়াল শরীফ ১৪৪১ হিজরী ইয়াওমুল জুমু‘আহ্ শরীফ জুমু‘আহ শরীফ উনার আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আমরা একটা স্বপ্নের কথা বলেছিলাম। জুমাতে বলা হয়নি। রাতে (২৩শে শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ বা মঙ্গলবার রাত্রে) বলা হয়েছিলো। যে, আমি স্বপ্নে দেখতে পেলাম, যিনি আমার মহাসম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ:
نَـحْمَدُهٗ وَنُصَلِّـىْ وَنُسَلِّـمُ عَلـٰى رَسُوْلِهِ الْكَرِيْـمِ وَعَلـٰى وَالِدَىْ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلـٰى حَضْرَتْ اُمَّهَاتِ الْـمُؤْمِنِيْـنَ عَلَيْهِنَّ السَّلَامُ وَعَلـٰى حَضْرَتْ اَهْلِ بَيْتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ. اَمَّا بَـعْدُ
যিনি খ্বালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
لَوْلَاكَ مَا اَظْهَرْتُ الرُّبُوْبِيَّةَ
“আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি না হলে আমি বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৩৯-৩৪১)
و الجملۃ چوں عبادت مقتضاء ذات حضرت خالق است و فیز مقتضای ذات بندہ و نیز مقتضای انعام و احسان اوبر بندگان در حکمت الہی از عبادت چارہ نباشد چوں عبادت موقوف بر امتثال اوامر است و اوامر الہی بر چہار طریق در یافت کتاب اللہ و سنت پیغمبران یا اجماع امت با قیاس جلی و اصل ہمہ این امور کتاب اللہ است پس از انزال کتاب ہم نا کریزاست۰
অর্থাৎ আসল কথা হলো- বান্দা ইবাদত করে, ইহা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার বাঞ্চনীয় এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনার দান, অবদান ও অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বান্দার ইবাদত ও উনার অভিপ্রিত। সব অবস্থায়ই মহান আল্লাহ তায়ালা উনার ইহসান স্বীকার করতে হবে। ইলাহী তায়ালা উনার আদেশ পালন করাই বান্দার কর্তব্য। মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ
মুবারক করেন-
وَلاَ تَقُولُواْ لِمَا تَصِفُ أَلْسِنَتُكُمُ الْكَذِبَ هَـذَا حَلاَلٌ وَهَـذَا حَرَامٌ لِّتَفْتَرُواْ عَلَى اللّهِ الْكَذِبَ إِنَّ الَّذِينَ يَفْتَرُونَ عَلَى اللّهِ الْكَذِبَ لاَ يُفْلِحُونَ
অর্থ: তোমাদের মুখ থেকে সাধারণত
যেসব মিথ্যা বের হয়ে আসে। তেমনিভাবে তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ
আরোপ করে বলো না যে, এটা হালাল এবং ওটা
হারাম। নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনার বিরুদ্ধে মিথ্যা আরোপ করে, তারা কখনোই কামিয়াবী হাছিল করতে পারবে না। নাঊযুবিল্লাহ!
(সূরা নাহল শরীফ: আয়াত শরীফ ১১৬)
মূলত যারা হালালকে হারাম আর
হ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ
অর্থ: যে ব্যক্তি খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে, মেহমানদারী করার মাধ্যমে আমার মহাপবিত্র বরকতময় তাশরীফ মুবারক নেয়ার মহাসম্মানিত তারিখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) রাত্র মুবারক (ও দিবস মুবারক) উনাকে সম্মান করবেন, পালন করবেন আমি ক্বিয়াম বাকি অংশ পড়ুন...
দুই কুচক্রী ইহুদীর কঠিন পরিণতি:
হযরত নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মাথা হেলিয়ে আগ্রহ ভরে ধৈর্য্যরে সাথে, নীরবে তাদের সমস্ত কথা শুনার পর গম্ভীর স্বরে বললেন, ‘আমি তোমাদের কারো কথা শুনতে রাজী নই। তোমাদের এই বৈঠকখানা বাদ দিয়ে আসল বিশ্রামের কক্ষ কোথায় আমাকে সংবাদ দাও।’ তিনি সাথের লোকজনসহ একটি পর্দা উঠিয়ে নতুন এক কক্ষে প্রবেশ করলেন। তাদের এই গোপন কক্ষে তিনি মাটি, ধূলা-বালি যুক্ত কিছু পোশাক-পরিচ্ছদ দেখতে পেলেন।
فَـرَفَعَ السُّلْطَانُ حَصِيْـرًا فِـى الْـبَـيْتِ فَـرَاٰى سِرْدَابًا مَـحْفُوْرًا يَـنْـتَهِىْ اِلـٰى صَوْبِ الْـحُجْرَةِ فَارْتَاعَتِ النَّاسُ لِذٰلِك বাকি অংশ পড়ুন...












