মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আহ্বান পেয়েও মহান আল্লাহ পাক উনার সম্পর্কে মিথ্যা বলে, তার চেয়ে বড় যালিম আর কে?
‘পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে রাজনীতি বা ভোট-নির্বাচনের কথা উল্লেখ আছে।’ নাঊযুবিল্লাহ! ধর্মব্যবসায়ীদের এ বক্তব্য মহান আল্লাহ পাক উনার শানে সুস্পষ্ট মিথ্যারোপ করার কারণে কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। নাউযুবিল্লাহ! তারা যদি মিথ্যাবাদী না হয়ে থাকে; তবে তাদেরকে উক্ত বক্তব্যের স্বপক্ষে দলীল-প্রমাণ পেশ করতে হবে।
মূলত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নামে ভোট চাওয়া, নির্বাচন করা, পদপ্রার্থী হওয়া তথা প্রচলিত গণতান্ত্রিক রাজনীতি বা মানব রচিত কোন মতবাদ অনুসরণ করা সম্পূর্ণ হারাম।
, ২৫শে জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২১ সামিন, ১৩৯০ শামসী সন, ১৯ই জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রি:, ০৪ মাঘ, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি মিথ্যারোপের পরিনাম সম্পর্কে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “অতএব, সে ব্যক্তি অপেক্ষা বড় যালিম আর কে হবে, যে ব্যক্তি বিনা প্রমাণে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে, মানুষদেরকে বিভ্রান্ত বা পথভ্রষ্ট করার উদ্দেশ্যে; নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়েত দান করেন না।” (পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১৪৪) অর্থাৎ যারা মহান আল্লাহ পাক উনার নামে মিথ্যা বলে তারা যালিম, তারা গোমরাহ ও পথভ্রষ্ট। সেজন্য তারা মহান আল্লাহ পাক উনার নামে মিথ্যা বলে মানুষদেরকে বিনা দলীলে গোমরাহ করতে চায়। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,“যে ব্যক্তি পবিত্র ইসলাম উনার প্রতি আহুত হয়েও মহান আল্লাহ পাক উনার সম্পর্কে মিথ্যা বলে, তার চেয়ে বড় যালিম আর কে? আর মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়েত দান করেন না।” (পবিত্র সূরা ছফ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৭) অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্পর্কে মিথ্যা বলা হচ্ছে সবচাইতে বড় যুলূম। কাজেই, যে বা যারা মুসলমান হওয়ার পরও মহান আল্লাহ পাক উনার নামে মিথ্যা বলে সে বা তারা চরম ও বড় যালিম এবং যালিম হওয়ার কারণে তারা হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে থাকে। অর্থাৎ তারা চরম গোমরাহ। তাই এদের ফতওয়া সম্মানিত শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি এ সম্পর্কে আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মুখ থেকে সাধারণতঃ যেসব মিথ্যা বের হয়ে আসে, তেমনি করে তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি মিথ্যারোপ করে বলোনা যে, (মহান আল্লাহ পাক তিনি) এটা হালাল এবং ওটা হারাম (করেছেন), নিশ্চয়ই যারা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি মিথ্যারোপ করে, তাদের জন্য কামিয়াবী নেই।” (পবিত্র সূরা নহল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৬) অর্থাৎ যারা মহান আল্লাহ পাক উনার নামে মিথ্যা বলে তাদের জন্য কামিয়াবী তো নেই। শুধু তাই নয়, বরং তাদের জন্য কঠিন শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি এ সম্পর্কে কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, কেউ যদি আমার নামে বানিয়ে কোন কথা বলে, তবে আমি তার দক্ষিণ হস্ত ধরে তার গ্রীবা বা প্রাণ রগ কেটে দিব, তোমাদের কেউই এতে বাঁধা দিতে পারবে না।” (পবিত্র সূরা হাক্কা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ৪৪, ৪৫, ৪৬)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাজেই, ‘পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে এ রাজনীতি বা ভোট-নির্বাচনের কথা উল্লেখ আছে’- এ বক্তব্য মহান আল্লাহ পাক উনার ও পবিত্র কুরআন শরীফ উনাদের নামে সুস্পষ্ট মিথ্যারোপ ও কাট্টা কুফরী। কারণ, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার কোথাও মহান আল্লাহ পাক তিনি অনুরূপ কথা বলেননি। বরং পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনেক স্থানে এ রাজনীতি বা ভোট-নির্বাচন থেকে দূরে থাকারই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেননা এ রাজনীতি বা প্রচলিত গণতন্ত্র হচ্ছে- মানব রচিত শাসন ব্যবস্থা। যার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা মানুষের দ্বারা রচিত। মূলতঃ গণতন্ত্র শুধু মানব দ্বারাই রচিত নয় বরং তা বিধর্মীদের দ্বারা বিশেষ করে ইহুদীদের দ্বারা উদ্ভাবিত ও প্রবর্তিত। আর খ্রিস্টানদের দ্বারা সংস্কারকৃত শাসন পদ্ধতি। বর্তমানে প্রচলিত রাজনীতি এটাই। যদি তাই হয়ে থাকে তবে একথা বলা কি করে জায়িয হতে পারে যে, ‘পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে এ রাজনীতির কথা উল্লেখ আছে। নাঊযুবিল্লাহ! তাহলে কি মহান আল্লাহ পাক তিনি ইসলাম বাদ দিয়ে বিজাতীয়দের নীতি অনুসরণ করতে বলেছেন? নাউযুবিল্লাহ! এরূপ আক্বীদা যদি কেউ পোষণ করে তাহলে সে কি মুসলমান থাকতে পারবে? কস্মিনকালেও নয় বরং সে কাট্টা কাফির হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে অন্য কোন (মানবরচিত) মতবাদ অনুসরণ বা তালাশ করবে তার সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না বরং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তভূক্ত হবে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৮৫)
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র কুরবানী উনার মূল বিষয়ই হচ্ছে তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াত। যারা তাক্বওয়া বা খুলূছিয়াতের সাথে পবিত্র কুরবানী করেছেন, তারাই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষ্যে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা।
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র ফজর থেকে আগামী ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করতে হবে। তাকবীরে তাশরীক হলো- ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত রাতটিই হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার সম্মানিত রাত। সুবহানাল্লাহ! আর ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা অর্থাৎ পবিত্র কুরবানীর ঈদ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- পবিত্র কুরবানীর পশু ছুরি দিয়ে হাতে জবাই করাই খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত এবং অশেষ ফযীলতের কারণ। পবিত্র কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করলে তাতে পবিত্র কুরবানী ছহীহ হবে না। কারণ কুরবানীর পশু মেশিনে জবাই করা শরীয়তসম্মত নয়।
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া তাহকীক বা যাচাই-বাছাই করে হক্ব ও ছহীহ জায়গায় দিতে হবে। যেখানে সেখানে বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে দেয়া যাবে না। পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়া বা তার মূল্য দেয়ার উপযুক্ত ও সর্বোত্তম স্থান হলো- ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’। সুবহানাল্লাহ!
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ওছীয়ত মুবারক পালন করা প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের নির্দেশনা অনুযায়ী- সামর্থ্যবান সকলের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ হতে কুরবানী করা আবশ্যক।
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবি’য়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ২, ৬, ৭, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৮, ১৯, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ এবং ২৯ তারিখ মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করা সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তবে আজ বাদ মাগরিব থেকেই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হয়ে যাবে। আর যদি আজ চাঁদ দেখা না যায়, তবে আগামীকাল বাদ মাগরিব থেকে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হবে। সুবহানাল্লাহ!
১৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফায়ছালা মুবারক হচ্ছেন- পর্দা করা ফরয, বেপর্দা হওয়া হারাম, ছবি তোলা ও তোলানো হারাম, তন্ত্র-মন্ত্র, ভোট-নির্বাচন করা হারাম, খেলা-ধুলা করা হারাম, গান-বাজনা করা ও শোনা হারাম, সুদ ও ঘুষ দেয়া ও নেয়া হারাম, অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী সর্বপ্রকার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা মানা ও অনুসরণ করা এবং কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা ও তাদেরকে অনুসরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম।
১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












