মন্তব্য কলাম
‘ইসলামভীতি মোকাবেলায় জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস’ হলেও কার্যকরী কিছুই হচ্ছে না ইসরাইলকে সহযোগিতা করতে আমেরিকায় ইসলামোফোবিয়ার বিস্তার আরো বাড়ানো হচ্ছে
, ০৯ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৭ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৬ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
পশ্চিমে ‘ইসলামোফোবিয়া’ একটি একাডেমিক পাঠ-এর মর্যাদা পেয়েছে। সাধারণ্যে শব্দটির অর্থ ‘ইসলামভীতি’। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইসলামভীতি’ বিষয়ে মিলিয়ন ডলারের মুল্যমানের গবেষণা প্রকল্পও রয়েছে। একদল মানুষ ‘ইসলামকে ভয় পাচ্ছে’ এবং ভীতসন্ত্রস্ত বলেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের আঘাত করছে- বিষয়টির ভাব-ভাবনা অনেকটাই এরকম। সাপ মানুষকে এমনি এমনি ছোবল দেয় না। সে ভয় পায় যে মানুষ তাকে আঘাত করবে। তাই সে ভয়ের চোটেই আসলে সে অগ্রিম ছোবল মেরে বসে। ‘ফোবিয়া’ প্রত্যয়টির মাঝে এই ধারণাটি বেশ ভালো রকমেই প্রচ্ছন্ন আছে। ‘ভীতি’ বা ‘ফোবিয়া’র এই বয়ানে মুসলমানদের আক্রমণ করতে পারার পেছনে যে খানিকটা যুক্তিও আছে সে রকম একটি যৌক্তিকতাদায়ী স্বরও (অ্যাপোলোজেটিক টোন) মেলে।
‘ইসলামোফোবিয়া’র সংজ্ঞায়ন যারা করেন, অথবা শব্দটি ব্যবহার করতেই বেশি পছন্দ করেন, তাদের একটি যুক্তি এই যে ‘ফোবিয়া’ শব্দটি বিদ্বেষের বিপজ্জনক মাত্রা নির্দেশ করে। ঘৃণাকারীর ইসলাম সম্পর্কে এক ধরনের বদ্ধমূল অপবিশ্বাস বা ভুল অনুধাবনকেও বুঝিয়ে থাকে। মুসলমানদের ঘৃণা করতে গিয়ে ইসলামোফোবসরা মুসলমান-অমুসলমান নির্বিশেষে সকল আরবকেই ঘৃণা করে বসে। এর প্রমাণ মিলেছিল টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর। মুসলমান ভেবে যাকে প্রথম হত্যা করা হয় সে ছিলো একজন শিখ ধর্মাবলম্বী। এই ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠীর অভিবাসীদের একটি বড় অংশই আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন। অর্থাৎ, ইসলাম ধর্মানুসারীদের মতো পোশাক-আশাক-দেহসজ্জার যে কেউই ইসলামোফোবিয়ার শিকার হতে পারে।
ইসলামোফোবিয়া, ভয়, ঘৃণা, এবং ইসলাম বা সামগ্রিকভাবে ইসলাম ধর্মের অনুশীলনকারীদের বিরুদ্ধে বৈষম্য। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে ফরাসি সাহিত্যে এই শব্দটি “ইসলামোফোবি” হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল মুসলিম বিরোধী অনুভূতি এবং নীতির জন্য একটি উপাধি হিসাবে এবং ১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে ইংরেজিতে জনপ্রিয় হয়েছিল। ইসলামোফোবিয়া হল এক প্রকার জেনোফোবিয়া বা বিদেশী বা বিদেশী জিনিসের ভয়। কিছু প-িত যুক্তি দিয়েছেন যে এটিকে মুসলিম বিরোধী বর্ণবাদের সমার্থক হিসাবে বিবেচনা করা উচিত, যেহেতু পৃথক মুসলমানদের জীবনে ইসলামোফোবিয়ার প্রভাব এবং যারা ইসলামফোবিক দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে তাদের মনোভাব বর্ণবাদের ফলে ঘনিষ্ঠভাবে তুলনীয় ।
ইসলাম এবং এর অনুসারীদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব ইসলামোফোবিয়া শব্দটির অস্তিত্বের পূর্বে। বিরূপ চিত্রণগুলি ইসলামের প্রায় প্রথম দিকেই আবির্ভূত হয়েছিল, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের লেখকদের কাছ থেকে যাদের ধর্মীয় (যেমন, খ্রিস্টান) বা রাজনৈতিক (যেমন, বাইজেন্টাইন) প্রতিষ্ঠানগুলি সমগ্র অঞ্চলে ইসলামী সমাজের বিস্তৃতির কারণে হুমকির সম্মুখীন হয়েছিল। অনেক ইতিহাসবিদ মধ্যযুগীয় ইউরোপে আধুনিক ইসলামোফোবিয়া দ্বারা উপস্থাপিত ইসলামের কাঠামোগত বিকৃতির সন্ধান করেছেন। তারা মধ্যযুগের ক্রুসেড, যখন খ্রিস্টান শাসকরা মুসলিম-শাসিত ভূমি এবং স্পেনের রিকনকুইস্তা জয় করতে চেয়েছিল, খ্রিস্টান রাজ্যগুলির একটি ধারাবাহিক অভিযান যা আইবেরিয়ানদের দখলে পরিণত হয়েছিল, উভয়ের উপর ভিত্তি করে মুসলিম বিরোধী মনোভাবের প্রমাণের দিকে ইঙ্গিত করে। ১৫ শতকের শেষের দিকে উপদ্বীপ। অনেক প-িত বিশ্বাস করে যে ইসলামোফোবিয়ার বিকাশের একটি মূল অনুঘটক ছিল স্প্যানিশ ইনকুইজিশনের সময় লিম্পিজা দে সাংরে (স্প্যানিশ: “রক্তের বিশুদ্ধতা”) বিধি যা ইহুদি বা মুসলিম বংশধরদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করে, তারা খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হোক না কেন। অবশেষে, ইউরোপে অটোমান সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি (বিশেষত ১৬৮৩ সালে এর ভিয়েনা অবরোধ) সমষ্টিগত ইউরোপীয় চেতনায় ইসলামী জাতিগুলির সম্ভাব্য শক্তির বিষয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করা হয়।
অটোমান সাম্রাজ্যের উত্থানের পর কয়েক শতাব্দীতে ইসলামোফোবিয়ার অনেক প্রকাশ ঘটেছে, বিশেষ করে ইউরোপীয় ও আমেরিকান বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে। ফিলিস্তিনি আমেরিকান প-িত এডওয়ার্ড সাইদ প্রাচ্যবাদ সম্পর্কে ব্যাপক সমালোচনা লিখেছেন, একটি পশ্চিমা শৃঙ্খলা যা পশ্চিমা বিশ্বের বাইরের সমাজের অধ্যয়নের জন্য নিবেদিত। সাঈদের মতে প্রাচ্যবিদ প-িতরা, ইসলামী বিশ্বের জটিল বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যকে ছোট করে এবং ইসলামী সমাজের একটি ধারণা প্রচার করেছিলেন যা ছিল আদিম ও বহিরাগত।
প্রায়শই অন্তর্নিহিত ইসলামোফোবিয়া হল বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গি যে ইসলাম একটি সমজাতীয় সভ্যতার প্রতিনিধিত্ব করে যা অগত্যা প্রতিকূল এবং সক্রিয়ভাবে পশ্চিমা সভ্যতা বা হিন্দু সভ্যতার মতো অন্যান্য পৃথক তথাকথিত সভ্যতাকে জয় করতে চায়। এটি প্রভাব বা শক্তির সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রগুলির একটি ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য যা একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং অভ্যন্তরীণ বৈচিত্র্যের অভাব রয়েছে, স্থির আন্তঃসাংস্কৃতিক যোগাযোগ এবং বিনিময়ের বাস্তবতার বিপরীতে যা ইউরোপীয়, এশীয় এবং আফ্রিকান ইতিহাসকে চিহ্নিত করে, বিশেষ করে ভূমধ্যসাগরের চারপাশে। ইসলামের ইসলামফোবিক ধারণাগুলিও সাধারণত “মধ্যপ্রাচ্য”কে “মুসলিম” এর সাথে মিলিত করে যখন বাস্তবতা হল যে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক বাসিন্দা মুসলিম নয় এবং বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বসবাস করে।
১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ এর পর, হামলা, ইসলামফোবিয়া বিশ্বজুড়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে বসবাসকারী হাজার হাজার স্বতন্ত্র মুসলমান মৌখিক এবং শারীরিক আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। অনেক প-িত বিশ্বাসীভাবে যুক্তি দিয়েছেন যে ইসলামোফোবিক মনোভাব সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান ছিল, হামলার প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকার নেতৃত্বে সন্ত্রাসবিরোধী প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল।
১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ইসলামোফোবিয়ার উত্থানকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে সংগঠিত মুসলিম বিরোধী আন্দোলনের বৃদ্ধির একটি মূল কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একুশ শতকের প্রথম দিকে কথিত সাংস্কৃতিক বা আইনী ইসলামিক দখল রোধ করার সুস্পষ্ট মিশন সহ কয়েক ডজন সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অনেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজ্যে গৃহীত আইনগুলিকে চ্যাম্পিয়ান করে সফলতা পেয়েছেন যা আদালতকে ইসলামী আইন (শরিয়া) উল্লেখ করা নিষিদ্ধ করেছিল। এই আইনগুলি এই ধারণার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে যে ইসলাম পশ্চিমা সভ্যতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং আমেরিকান সমাজের মধ্যে থেকে পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করার চেষ্টাকারী শত্রু মুসলমানদের অস্তিত্বহীন হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পাস করা হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে ইসলামোফোবিয়া শব্দের মাধ্যমে মুসলিম-বিদ্বেষের সাধারণীকরণ এবং ‘পলিটিক্যাল কারেক্টনেস’ দেখানোয় বিপদ রয়েছে। কারণ ‘ইসলামভীতি’ শব্দের আড়ালে বিদ্বেষ ও বৈষম্যের নানা মাত্রার বাস্তবতাকে এড়িয়ে যাওয়া যায়। অথচ, মুসলমানরা শুধুই একটি প্রকরণে ঘৃণা বা বিদ্বেষের বলি হয় না। স্থান-কাল-পাত্রভেদে কখনো ভীতি, কখনো ঘৃণা, কখনো বিদ্বেষ, কখনো অসুয়া ক্রিয়াশীল থাকে।
এ রকম দৃশ্যের দেখা মেলে ইসরায়েলে। দেখা মেলে বাংলাদেশে। ২০২১ সালের মে মাসে ইসরায়েলে নেতানিয়াহুও উগ্র ইহুদিবাদ এবং মুসলিমবিদ্বেষি ঘৃণা উস্কে দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চেয়েছিলো। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলছিল। মামলা ও শাস্তি হতে বাঁচতে সে আবারও রাষ্ট্রের শীর্ষপদ আঁকড়ে থাকতে চাইলো। প্রমাণ করতে চাইলো ইসরায়েল নামের ইহুদি রাষ্ট্রটিকে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের হাত থেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে তার চাইতে বেশি সক্ষম ও যোগ্য আর কেউই নেই। উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফিলিস্তিনে আক্রমণ শুরু করলো। আগেও দফায় দফায় একই কৌশল ব্যবহার করেছিলো। সাফল্যও মিলেছিল।
একই কুটতৎপরতা নূতুন করে চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার যে দাবি করা হয় তা চরমভাবে লঙ্ঘন করে ইসলামবিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলমান এ প্রক্রিয়ার কারণে মার্কিন সরকারের প্রতি দেশটির তরুণ সমাজ আস্থা হারিয়েছে।
ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি গুলি করে। অঙ্গরাজ্যের বার্লিংটন শহরের কাছে ওই তিন ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী গুলিবর্ষণের শিকার হন। হামলার শিকার ২০ বছর বয়সি ওই শিক্ষার্থীরা হলেন হিশাম আওয়ারতানি, কিন্নান আব্দাল হামিদ ও তাহসিন আলী আহমাদ। এরমধ্যে গুলিবর্ষণের ফলে হিশামের কোমর থেকে নীচের অংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়।
ওই তিন শিক্ষার্থী ফিলিস্তিনিদের পরিচয় প্রকাশকারী কিফায়া পরিধান করেছিলেন এবং তারা আরবি ভাষাভাষি ছিলেন বলে তারা ইসলামবিদ্বেষী হামলার শিকার হয়েছেন বলে জল্পনা জোরদার হয়।
ভারমন্টের মিডলবেরি কলেজ এই গুলিবর্ষণের ঘটনাকে ‘মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইসলামবিদ্বেষী তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রমাণ’ বলে মন্তব্য করে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শুধু ভারতেই আধিপত্যবাদী হিন্দুত্ববাদী নয়। বাংলাদেশে অবস্থানকারী ভারতীয় হাইকমিশনার সহ হিন্দুত্ববাদীরা সবাই আধিপত্যবাদী। এদেশের হিন্দুত্ববাদীরা তাদের আধিপত্য বৃদ্ধি জন্য সরকারকে গভীর চাপ তৈরী করছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র, ভারতে- মুসলমানদের উপর সহিংসতাও গণহত্যার অভিযোগ মিথ্যা অভিহিত করে তার বিপরীতে বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত হতে বলেছে।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লালনবাদে কোন ধর্মীয় সংঘাত নেই- এজন্য নাকি খোদ প্রধানমন্ত্রী স্কুল শিক্ষায় লালন বাদ ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছে- এটাই জাহেদের ভাষ্য।
২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জামাতের গুরু মওদুদী, গো’আযম, সাইদীর ফতওয়া মোতাবেক যদি তাদের আমীর, সেক্রেটারী, এমপি মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে কাফের সাব্যস্ত হয় তবে অন্যদের কী করার আছে?
২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলমান হিন্দু সংঘাত হয়। এ থেকে বাঁচাতে সব মুসলমানকে লালনবাদ গ্রহণ করে অমুসলমান হতে বলেছে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই ও তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ।
২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শরাব ও পতিতালয়ের পয়সায় লালিত-পালিত রবীন্দ্র কখনো ভারত তথা বাংলার স্বাধীনতা চায়নি, সে বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা চায়নি। তার লেখা ‘সোনার বাংলা’ কবিতায় রয়েছে পূজার আরতি। কবিতার শেষ অংশে রয়েছে- ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে- / দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে। / ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে-
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।একইভাবে মূর্তি পূজা স্থলে অবস্থানকারী, সহযোগিতাকারী, পৃষ্ঠপোষকতাকারী, উৎসাহ দানকারী, প্রসাদ গ্রহণকারী সবাই মূর্তি পূজার সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে মুশরিক হবে
১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সব নবী রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের প্রধান কঠোরতা ছিলো মূর্তি ও পূজার বিরুদ্ধে। মূর্তি পূজা তথা শিরকের গুনাহ মহান আল্লাহ পাক কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। মদ সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি লা’নতের কথা হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












