‘অন্তর্র্বতীকালীন সরকারকে অনধিকার চর্চা বন্ধ করতে হবে এবং দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে’
, ০৪ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০২ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ০১ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ১৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) তাজা খবর
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর হস্তক্ষেপ বন্ধ করা, জনগণের উপর জুলুম বন্ধ করা এবং দেশের স্বাধীন অস্তিত্ব ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সেনাবাহিনীসহ নিরাপত্তা বাহিনীকে ক্ষমতা গ্রহণ করা উচিত- এমন দাবিতে সমাবেশ করেছেন ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে এক সমাবেশে তারা এই দাবি তুলে ধরেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, অন্তবর্তীকালীন এ সরকার দেশের উপর অনধিকার চর্চা করছে এবং সারা দেশে জনগণের উপর জুলুম করছে। চরম স্বৈরাচারী, অত্যাচারী, ফ্যাসিবাদী এবং পবিত্র দাবীন ইসলাম বিরোধী ভূমিকায় রয়েছে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার। দেশের এই সংকটপূর্ণ অস্থিতিশীল অবস্থায় সেনাবাহিনীসহ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীকেই দেশের হাল ধরা উচিত।
বক্তারা বলেন, সরকার নতুন টাকার নোট ছাপিয়েছে। ২০ টাকার নোটে অখন্ড ভারতে বিশ্বাসী হিন্দুদের তথাকথিত কান্তজিউ মন্দিরের ছবি ছাপিয়েছে। আগে যেখানে ষাট গম্বুজ মসজিদ ছিলো। কান্তজিউ মানে- কৃষ্ণ চিরজীবি হও। নাউযুবিল্লাহ। এটা সরাসরি শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের ঈমানী অনুভূতিতে আঘাত। এই মন্দিরটিকে বিগত আওয়ামী সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছিলো। পাসপোর্টে এর ছবি ছাপিয়েছিলো। সে সময় এর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ হয়েছিলো। অন্তর্র্বতী সরকার আবার ভারতকে খুশি করতে এই বছর ২০ টাকার নোটে মসজিদ সরিয়ে দিয়ে এই মন্দিরের ছবি ছাপিয়েছে।
আসলে এই মন্দিরটিকে কেন্দ্র করে ভারতপন্থী হিন্দুদের একটা বড় পরিকল্পনা আছে। কারণ এই মন্দির কেন্দ্র করে মাসব্যাপী রাসমেলার আয়োজন হয়, এতে ভারত থেকে লক্ষ লক্ষ হিন্দু বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বিশেষ করে কৃষ্ণ ভক্ত ইসকন সদস্যরা সেখানে বেশি জড়ো হয়। তাই ২০ টাকার নোট থেকে এই ছবি অবশ্যই সরিয়ে দিতে হবে।
বক্তারা বলেন, অন্তর্র্বতীকালীন এই সরকার দেশের মানুষের দ্বীনী অনুভূতিকে তোয়াক্কা না করে তার পালিত কতিপয় নাস্তিক ও দুশ্চরিত্র ইসলাম বিদ্বেষী পুরুষ ও মহিলাদেরকে দিয়ে ইসলাম বিরোধী নারীবাদী সংস্কার প্রস্তাব তৈরী করেছে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য পথে নামিয়েছে। যারা দেশের নারীদের প্রতিনিধিত্ব করোনা, যারা বিকৃত রুচিসম্পন্ন, যারা বিনতুল হাওয়া (পতিতা) এবং যারা ধর্মদ্রোহী তাদেরকে সরকার দায়িত্ব দিয়েছে এই দেশের সংস্কারের জন্য। তথাকথিত নারীবাদীদের যে অশালীন সংস্কার প্রস্তাব তা যদি জারীর জন্য অপচেষ্টা করা হয় তবে এই দেশে আগুন লাগবে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রবল প্রতিবাদ ও বাধা সত্তে¦ও তারা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান শহীদকারী বৌদ্ধ সন্ত্রাসীকে রাখাইনে করিডোর দিতে চাচ্ছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিছ্চিন্নতাবাদী উপজাতি গোষ্ঠীকে সমর্খন দিচ্ছে, নারিকেল দ্বীপকে জোর করে অবরুদ্ধ করে রেখেছে, লাভজনক চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর যা দেশের হৃদপিন্ড তা বিদেশী ইহুদি কোম্পানিকে দিতে চাচ্ছে, দেশের খনিজ সম্পদ দেশীয় সরকারী কোম্পানীকে না দিয়ে বিদেশী কোম্পানীকে দিয়ে উত্তোলন করাতে চাইছে, আবার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার জন্য আইএমএফ-এর কুবুদ্ধিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের সাথে জড়্তি এই সব বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের নাই।
এই সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, এই অন্তর্র্বতীকালীন সরকার দেশের সাধারণ জনগণের রুটি রুজির পন্থাকে বাধাগ্রস্ত করছে; কলকারখানা বন্ধ করছে, ফুটপাতের ব্যবসা উচ্ছেদ করছে, অটোরিক্সা বন্ধ করছে। দেশীয় ব্যবসা ও কলকারখানার উপর জুলুমবাজি করের বোঝা চাপাচ্ছে আর বিদেশীদেরকে শুল্ক হ্রাস করে দিয়ে তাদেরকে এই দেশের ব্যবসা দখল করার সুযোগ করে দিচ্ছে।
বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে সরকার বিদেশী চক্রান্ত বাস্তবায়ন করার অপচেষ্টা করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে সরকারের আতাত করা যাবেনা। উপজাতিদেরকে কখনই আদিবাসী বলা যাবেনা। তাদেরকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বলতে হবে। পাহাড়ের রাজা প্রথা বিলুপ্ত করতে হবে। পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি করতে হবে।
দেশের এই সংকটপূর্ণ অবস্থায় দেশ রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত দেশের সেনাবাহিনীসহ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে ক্ষমতা গ্রহণ করা উচিত। বর্তমানে দেশের এই চরম বিশৃঙ্খল অবস্থায় দেশের জনগণ চাচ্ছে, এই সমস্ত উচ্ছৃঙ্খল বিষয়ে সমাধা করার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেনো দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং করা উচিত। গাদ্দার সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা গ্রহণ করে দেশটাকে রক্ষা করে। অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রত্যেকটা কাজ অবৈধ। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানের এই দেশে ইসলামের শত্রুতা করে, ইসলাম বিরোধীদের পৃষ্ঠপোষকতা করে, দেশের মানুষের আশা আকাঙ্খা ও বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা করে, বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নের বৃথা চেষ্টা করে যারা তাদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা উচিত। জনগণের দোয়া এবং সমর্থন আছে ইনশা আল্লাহ। মহান আল্লাহ পাক আমাদের দ্বীনকে এবং দেশকে হেফাজত করুন। আমীন। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)
বার্তা প্রেরণে: প্রেস প্রতিনিধি, ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আজ মুহররমুল হারাম শরীফ উনার চাঁদ তালাশ বিষয়ে ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ উনার সভা
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সরকারের এক নির্দেশনায় স্থবির সিবিএ চুক্তি, জ্বালানি খাতে অস্থিরতার শঙ্কা
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
৪ দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১২ জনকে সরিয়ে নিলো বিএসএফ
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দিল্লিতে হেনস্তার প্রতিবাদ, ভারতীয় উপ-হাইকমিশনারকে তলব
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
তিন বাস টার্মিনাল যাচ্ছে ঢাকার বাইরে, কোনটি কোথায়
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
র্যাবের নাম বদলে হচ্ছে এসআরবি, আসছে নতুন আইন
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ভারতে মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করতে যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এআই -ছবি-ভিডিও থেকে দূরে থাকার আহ্বান ইসলামী গবেষকদের
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কারাগারগুলোতে মায়ের সঙ্গে থাকা শিশুদের তালিকা চায় হাইকোর্ট
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মুহররমুল হারাম শরীফ উনার চাঁদ তালাশ বিষয়ে ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ উনার সভা
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ভারতে মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করতে যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এআই
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সরকারের এক নির্দেশনায় স্থবির সিবিএ চুক্তি, জ্বালানি খাতে অস্থিরতার শঙ্কা
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
৪ দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১২ জনকে সরিয়ে নিলো বিএসএফ
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












