সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৩৩)
, ১৫ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৮ সাবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
কাট্টা কাফির কা’ব বিন আশরাফকে হত্যা:
এই ঘটনাটি বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, আবূ দাঊদ শরীফসহ বিভিন্ন হাদীছ শরীফ, সীরাত, তারীখ ও তাফসীরগ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে।
কাট্টা কাফির কা’ব বিন আশরাফ ছিলো বনী নাযীর গোত্রের কুখ্যাত এক কবি। সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ কবিতা রচনা করতো। বিশেষ করে সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক উনার পর সে আরো বেশি করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ নানা অবমাননাকর ও বেআদবীমূলক কথা-বার্তা বলতে থাকে এবং অশ্লীল-অশালীন কবিতা রচনা করতে থাকে। না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! শুধু তাই নয়; প্রচুর টাকা-পয়সা খরচ করে বড় বড় মোড়ে মোড়ে, বাজারে বাজারে লোকজন জমা করে নাচ-গানের আসর করে নর্তকী ও গায়িকাদেরকে নিয়ে এই সকল কুফরীমূলক কবিতাগুলো পাঠ করতো এবং শরাব পান করতো। না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! তাছাড়া সে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে বিভিন্নভাবে কষ্ট দিতো এবং হযরত মহিলা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুন্না উনাদের বিরুদ্ধে অশ্লীল-অশালীন অপবাদ আরোপ করতো। না‘ঊযুবিল্লাহ!
স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তার এই মানহানিকর ও কুফরীমূলক কাজে অসন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করে তার মৃত্যুদ- ঘোষণা মুবারক করেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَنْ لِكَعْبِ بْنِ الأَشْرَفِ فَإِنَّهُ قَدْ آذَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ حَضْرَتْ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَتُحِبُّ أَنْ أَقْتُلَهُ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَأْذَنْ لِي أَنْ أَقُولَ شَيْئًا قَالَ قُلْ
‘কা’ব বিন আশরাফের জন্য কে আছেন? কেননা নিশ্চয়ই সে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে কষ্ট দিচ্ছে।’ হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি দাঁড়িয়ে বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি চান যে, আমি তাকে হত্যা করি?’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘হ্যাঁ।’ তখন হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে আপনি দয়া করে আমাকে (কাট্টা কাফির কা’ব বিন আশরাফের সাথে কৃত্রিম) কিছু কথা বলার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অনুমতি মুবারক দান করুন।’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘বলুন।’
হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি এই কাট্টা কাফিরকে হত্যা করার জন্য উনার সাথে হযরত আবূ নায়িলাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে, হযরত আবূ আব্স ইবনে জাব্র রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা উনাকে, হযরত হারিছ ইবনে আউস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে এবং হযরত আব্বাদ ইবনে বিশ্র রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে নিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য যে, হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি এবং হযরত আবূ নায়িলাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি অর্থাৎ উনারা দুজন ছিলেন সম্পর্কের দিক থেকে কা’ব বিন আশরাফের দুধ ভাই।
হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি কা’ব বিন আশরাফের নিকট গিয়ে বললেন, ‘এই ব্যক্তি (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি আমাদের কাছে ছাদাক্বাহ্ চান এবং তিনি আমাদেরকে অনেক কষ্টে ফেলেছেন। তাই বাধ্য হয়ে আমি তোমার কাছ থেকে কিছু ঋণ গ্রহণের জন্য এসেছি।’
কা’ব বিন আশরাফ বললো, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! উনার কারণে আপনারা আরো বিরক্ত হবেন, আরো অতিষ্ট হবেন। আমি আপনাকে প্রথম থেকেই বলে আসছি। আমি যা বলছি তাই ঘটবে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘আমরা তো উনাকে অনুসরণ করছি। পরিণাম ফল কি দাঁড়ায় তা না দেখে এখনই উনার সঙ্গ পরিত্যাগ করা ভালো মনে করছি না। এখন আমি তোমার কাছে এক ওয়াসাক্ব বা দুই ওয়াসাক্ব খাদ্য ধার চাই।’
কা’ব বিন আশরাফ বললো, ‘হ্যাঁ; (ঋণ তো পেয়ে যাবেন তবে) আমার কাছে কিছু বন্ধক রাখুন।’ হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘তুমি কোন্ জিনিস (বন্ধক) চাও?’ সে বললো, ‘আপনাদের আহলিয়া উনাদেরকে আমার নিকট বন্ধক রাখুন।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! উনারা (হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি এবং হযরত আবূ নায়িলাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি অর্থাৎ) উনারা বললেন, ‘তুমি আরবের সুদর্শন লোক, আমরা আমাদের আহলিয়া উনাদেরকে তোমার কাছে কি করে বন্ধক রাখব?’ তখন সে বললো, ‘তাহলে আপনাদের সন্তান উনাদেরকে আমার কাছে বন্ধক রাখুন।’ উনারা বললেন, আমরা আমাদের সন্তান উনাদেরকে তোমার কাছে কি করে বন্ধক রাখি? যদি আমরা তা করি, তাহলে আমাদের সন্তান উনাদেরকে লোকজন এই বলে সমালোচনা করবে যে, ‘মাত্র এক ওয়াসাক্ব বা দুই ওয়াসাক্ব খাদ্যের বিনিময়ে আপনাদেরকে বন্ধক রাখা হয়েছিলো।’ এটাতো আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। তবে আমরা তোমার কাছে অস্ত্রশস্ত্র বন্ধক রাখতে পারি। কা’ব বিন আশরাফ এই প্রস্তাবে রাজি হলো। অবশেষে হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি কা’ব বিন আশরাফকে পুনরায় যাওয়ার ওয়াদা দিয়ে চলে আসলেন।
এরপর তিনি কা’ব বিন আশরাফের দুধ ভাই হযরত আবূ নায়িলাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে সাথে নিয়ে এক রাতে তার নিকট গেলেন। কা’ব বিন আশরাফ উনাদেরকে দুর্গের ভিতরে আসতে বললো। তার বাড়িটা ছিলো দুই তলা, সে উপর তলা থেকে নিচে নেমে আসতে লাগলো। তখন তার স্ত্রী তাকে বললো, ‘এই সময় তুমি কোথায় যাচ্ছো?’ সে বললো, ‘কোনো অসুবিধা নেই। হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি এবং আমার ভাই হযরত আবূ নায়িলাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি অর্থাৎ উনারা তো আমার দুধ ভাই। আমি উনাদের নিকট যাচ্ছি।’
কা’ব বিন আশরাফের স্ত্রী বললো,
أَسْمَعُ صَوْتًا كَأَنَّهُ يَقْطُرُ مِنْهُ الدَّمُ قَالَ إِنَّمَا هُوَ أَخِي حَضْرَتْ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَرَضِيعِي حَضْرَتْ أَبُو نَائِلَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ إِنَّ الكَرِيمَ لَوْ دُعِيَ إِلَى طَعْنَةٍ بِلَيْلٍ لَأَجَابَ
‘আমি এমন একটি আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি যেন তার থেকে রক্তের ফোঁটা ঝড়ছে।’ কা’ব বিন আশরাফ বললো, ‘নিশ্চয়ই তিনি হচ্ছেন আমার ভাই হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি এবং আমার দুধ ভাই হযরত আবূ নায়িলাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি অর্থাৎ উনারা এসেছেন। (উনারা অপরিচিত কোনো লোক নন। আমি উনাদের নিকট যাচ্ছি। আর) নিশ্চয়ই ভদ্র মানুষকে রাতের বেলা বর্শা বিদ্ধ করার জন্য ডাকলেও সে অবশ্যই ডাকে সাড়া দেয়।’
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম “لِـيَـعْبُدُوْنِ (লিইয়া’বুদূন) থেকে لِـيُصَلُّوْنِ (লিইউছল্লূন) পর্যন্ত ৮টি মাক্বাম মুবারক উনাদের বর্ণনা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী কায়িম-মাক্বাম হিসেবে, উনার হুবহু নক্বশা মুবারক হিসেবে উনার সমস্ত নিয়ামত মুবারক আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করা
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তরফ থেকে বিশেষ দাওয়াত মুবারক এবং খুশি মুবারক প্রকাশ
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক اَحْمَدُ (আহমদ) ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যকার ‘মীম’ হরফ বা অক্ষর মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করার কারণে, হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করার কারণে কাফেরদের বিরুদ্ধে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট বিচার চাওয়া প্রসঙ্গে
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যস্থতা মুবারক-এ হাক্বীক্বী দীদার মুবারক লাভরে বশিষে র্বণনা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে নিসবত মুবারক স্থাপন করতে পারলে, মূল সব নিয়ামত পরিপূর্ণটা হাছিল সম্ভব। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথেই আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সরাসরি মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক
১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘এক নাম্বার আক্বীদাহ্ হচ্ছে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন’
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












