সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের অনবদ্য তাজদীদ মুবারক-
ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন উনার অপরিহার্য অংশ- ইসলামী চন্দ্র ক্যালেন্ডার “আত তাক্বউইমুল কামারী” {৩}
, ২৯ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৯ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ০৫ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
(৫) আল-বাদরু বা জোৎস্না বা পূর্ণ চাঁদ:
এই পর্যায়ে পৃথিবীর আকাশে থালার মত গোলাকার চাঁদ আবির্ভূত হয়।
{চিত্র: সূর্য ও পৃথিবী সাপেক্ষে বিভিন্ন দশায় চাঁদের অবস্থান।}
তবৎড় সড়ড়হ বা অমাবস্যার ১৩/১৪ দিন পর এবং আরবী হিলাল মাসের ১৫-১৭ তারিখে পৃথিবীর আকাশে জোৎস্না থাকে।
(৬) ক্ষয়িষ্ণু অর্ধাধিক চাঁদ:
এই পর্যায়ে পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান গোলাকার পূর্ণ চাঁদ ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া শুরু করে। তবৎড় সড়ড়হ বা অমাবস্যার পর ১৬ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত এবং আরবী হিলাল মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত চাঁদ এই দশায় থাকে।
(৭) ক্ষয়িষ্ণু অর্ধ চাঁদ:
এই পর্যায়ে চাঁদ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে অর্ধেক অংশ আলোকিত থাকে। তবৎড় সড়ড়হ বা অমাবস্যার ২২/২৩ দিন পর এবং আরবী হিলাল মাসের ২১-২২ তারিখে চাঁদ এই পর্যায়ে পৌছে।
(৮) ক্ষয়িষ্ণু বাঁকা চাঁদ:
ক্ষয়প্রাপ্ত অর্ধ চাঁদ আরো ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এই দশায় প্রবেশ করে এবং পরবর্তী অমাবস্যা পর্যন্ত এই দশা বজায় থাকে। এই দশা আরবী হিলাল মাসের ২৩ থেকে ২৮ কখনও তা ২৯ তারিখ পর্যন্ত থাকে। এরপর চাঁদ তার পরবর্তী পর্যায় কাল অমাবস্যার মাধ্যমে শুরু করে।
বস্তুত: খালি চোখে চাঁদ দেখেই মাস গণনা শুরু করতে হবে। এভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে চাঁদ দেখে মাস গণনা জারী করেছিলেন। আর সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে হিজরী ১৭তম বছরে খিলাফতের সব কার্যক্রমসহ সকল মুসলিম তথা মানুষের জন্য এই চাঁদের মাসের উপর ভিত্তি করে বছর গণনার জন্য হিজরী ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করেছিলেন। খালি চোখে চাঁদ না দেখে শুধুমাত্র অমাবস্যা বা অমাবস্যা পর সময় নির্দিষ্ট করে নতুন মাসের গণনা শুরু করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শরীয়তের লঙ্ঘন। (সমাপ্ত)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৯)
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মূর্তি নির্মাণ করা এবং নির্মাণে সমর্থন করা ও এর সাথে সশ্লিষ্টতা হারাম ও কুফরী (১০)
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য, ম্যানিকিন ও ছবি নাজায়িয ও হারাম
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৯)
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












