ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
ইলিম ও আলিমের ফযীলত (৪৬)
, ১৭ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৭ ছানী আ’শার, ১৩৯২ শামসী সন , ১৬ মে, ২০২৫ খ্রি:, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
কাজেই এটা প্রত্যেককেই মনে রাখতে হবে। এই আক্বীদা যদি কেউ রাখে- মাদ্রাসায় পড়লে কি খাবে, কি পরবে, কোথায় থাকবে, কিভাবে চলবে অর্থাৎ ইত্যাদির অভাব হবে, তাহলে সে কাট্টা কাফের হবে। এক নম্বর কাফের। সে এক নম্বর কাফের হবে, যদি সে আক্বীদা পোষণ করে, মাদ্রাসায় পড়লে খাওয়া পাবেনা, পরা পাবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এক নম্বর কুফরী, এটা মনে রাখবেন। এর থেকে সকলের খালেছ তওবা করা দায়িত্ব রয়েছে।
কাজেই প্রত্যেককেই খালেছ তওবা করতে হবে এর থেকে, যাতে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে উনার মতে মত করে দেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ করে দেন। সেটা আমাদের কোশেশ করতে হবে এবং ইলিম অর্জন করার জন্য কোশেশ করতে হবে।
যেটা আমি পূর্বেই বলেছি, যেহেতু কুরআন শরীফে বলা হয়েছে- লোক দু’প্রকার হবে- এক প্রকার হবে আলিম, আর এক প্রকার হবে ত্বলিবে ইলিম। আর হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৪ প্রকার বলেছেন। সেটাও আমি পূর্বে বলেছি। ৪ প্রকারটাই দু’প্রকার।
كُنْ عَالِمًا، أَوْ مُتَعَلِّمًا، أَوْ مُسْتَمِعًا، أَوْ مُحِبًّا، وَلَا تَكُنِ الْخَامِسَةَ فَتَهْلِكَ
كُنْ عَالِمًا، আলিম হও। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেটা বলেছেন-
هَاتُوا بُرْهَانَكُمْ إِنْ كُنْتُمْ صَادِقِينَ
সত্যবাদী হলে দলীল পেশ করো যদি তোমরা আলিম হয়ে থাক, তাহলে দলীল দিয়ে কাজ করতে হবে তোমাকে। আর-
مُتَعَلِّمًا، أَوْ مُسْتَمِعًا، أَوْ مُحِبًّا،
ত¡িলবে ইলিম হও, শ্রোতা হও, মহব্বতকারী হও তিনটাই হচ্ছে ত্বলিবে ইলিমের অন্তর্ভুক্ত।
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
এ আয়াত শরীফের অধীন হচ্ছে তিনজন। তোমরা যারা জানোনা, যদি তুমি ত্বলিবে ইলিম হয়ে থাক, শ্রোতা হয়ে থাক, মহব্বতকারী হয়ে থাক, তাহলে আলিমদের কাছে জিজ্ঞাসা করে জেনে নাও। তারপরে তুমি তোমার আমলগুলো শুদ্ধ করে নাও। অন্যথায় তোমাদের জন্য নাযাতের কোন পথ থাকবেনা।
দু’প্রকার লোক রয়েছে, তোমরা হয় আলিম হবে, নতুবা ত্বলিবে ইলিম হবে। ইলিম তলবকারী, অন্বেষণকারী থেকে খারিজ হওয়া যাবেনা, এর খেলাফ হওয়া যাবেনা, তাহলে জাহান্নাম ছাড়া কোন গতি থাকবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে এর অন্তর্ভুক্ত করে দেন, এর মেছদাক করে দেন। আমরা এ দোয়াই করবো।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে যেন ইলিম অর্জন করে আলিম হওয়ার তৌফিক দান করেন এবং আমাদের সিলসিলার সবাইকে যেন আলিম করে দেন।
আমরা সেই দোয়া মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে করবো।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












