ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
ইলিম ও আলিমের ফযীলত (১১)
, ০৯ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০৯ হাদি আশির, ১৩৯২ শামসী সন , ০৮ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রি:, ২৫ চৈত্র, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে বলেন-
إِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার ফেরেশ্তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছালাত পাঠ করে থাকেন, (রহমত, মাগফিরাত, সাকীনা নাযিল করে থাকেন। ) হে ঈমানদাররা! তোমরাও ছালাত এবং সালাম পাঠ করো। ” (সূরা আহযাব শরীফ/৫৬)
ঠিক এই আয়াত শরীফের মেছদাক হচ্ছেন আলিমগণ। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফে রয়েছে-
اَلْعُلَمَاءُ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ
আলিমগণ হচ্ছেন- নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের ওয়ারিছ। যার জন্য সে হিস্সা উনারা পাবেন।
মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে, ফেরেশ্তাদের তরফ থেকে, সমস্ত যমীন বাসীদের তরফ থেকে সমস্ত পশু-পাখী, কীট-পতঙ্গের তরফ থেকে হিস্সা পাবেন। উনারা সকলেই ছালাত পাঠ করে থাকেন, যাঁরা আলিম উনাদের প্রতি। প্রত্যেকেই তার স্তর অনুযায়ী। কেউ ইস্তেগফার করে থাকেন, কেউ দোয়া করে থাকেন, কেউ মাগফেরাত কামনা করে থাকেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং উনাদের প্রতি রহমত, সাকীনা, মাগফিরাত নাযিল করে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! যেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এতো ফযীলত দিয়েছেন মহান আল্লাহ পাক তিনি আলিম সম্প্রদায়কে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন এবং তার তরতীব দিয়েছেন। কুরআন শরীফকে সজ্জিত করা হয়েছে, তরতীব দেয়া হয়েছে, লিপিবদ্ধ করা হয়েছে- লৌহ মাহ্ফুজে। যে তরতীবে কুরআন শরীফ রয়েছে, ঠিক সেই তরতীবে। আমাদের কাছে যে জ্বিল্দ্গুলো রয়েছে বা কুরআন শরীফের কপিগুলো রয়েছে, তার মধ্যে ঠিক সেই আকারেই কুরআন শরীফকে সাজানো হয়েছে বা তরতীব দেয়া হয়েছে। কিন্তু নাযিল হয়েছে ব্যতিক্রম তরতীবে এবং জরুরত আন্দাজ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথম নাযিল করেছেন- সূরা আলাক্ব শরীফ থেকে পাঁচখানা আয়াত শরীফ। মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথম বলেন-
اِقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ. خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ. اِقْرَأْ وَرَبُّكَ الْأَكْرَمُ. اَلَّذِي عَلَّمَ بِالْقَلَمِ. عَلَّمَ الْإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ.
(সূরা আলাক্ব শরীফ : আয়াত শরীফ ১-৫)
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমে বলেন-
اِقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ.
“পড়ুন, সেই রব তায়ালা উনার নামে, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। উনার নামে পড়ুন, পাঠ করুন। ”
خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ.
“যিনি আলাক্ব থেকে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন। ”
اِقْرَأْ وَرَبُّكَ الْأَكْرَمُ. اَلَّذِي عَلَّمَ بِالْقَلَمِ.
“পাঠ করুন, সেই সম্মানিত মহান আল্লাহ পাক উনার নামে, যিনি মানুষকে কলম দিয়ে শিক্ষা দিয়েছেন। ”
عَلَّمَ الْإِنْسَانَ مَا لَمْ يَعْلَمْ.
“মানুষকে ঐ জিনিস শিক্ষা দিয়েছেন, যেটা মানুষ জানতো না। ”
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রাণীর ছবি তোলা শক্ত হারাম, রয়েছে কঠিন শাস্তি
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা জায়েয নেই
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ফাদ্বায়িলে উম্মাহাতিল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম (৪)
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দ্বীন ইসলাম উনার জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর ৩ শ্রেণী
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শরীয়তের দৃষ্টিতে কোন রোগই ছোঁয়াচে নয়,
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (১২)
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












