ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয (৪৪)
, ০২ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৬ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এখানে সামান্যতম ইহানত করলে কাট্টা কুফরী হয়ে চির জাহান্নামী হয়ে যেতে হবে। নাজাতের কোন পথ থাকবে না। নাজাতের কোন পথ থাকবে না। জাহান্নামে যাওয়া ছাড়া কোন গতি থাকবেনা। একমাত্র তার জায়ে ঠিকানা হবে জাহান্নাম। একমাত্র জায়ে ঠিকানা হবে জাহান্নাম। খুব সাবধান থাকতে হবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ব্যাপারে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত ভালো জিনিস দিয়েছেন। আর উনার স্পর্শে আসার কারণে সব ভালো হয়ে গেছে।
কাজেই, সে জন্য সোমবার দিন, ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতের মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মাস হচ্ছে রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস। শ্রেষ্ঠ বার হচ্ছে ইয়াওমুল ইছনাইন শরীফ। তারিখ হচ্ছে ১২ই শরীফ। মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মাস, শ্রেষ্ঠ তারিখ, শ্রেষ্ঠ বার এই ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ-এর সোমবার দিন। কাজেই, এটাকে তা’যীম-তাকরীম করা প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরয-ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত।
প্রত্যেক উম্মতের জন্য, শুধু উম্মতই নয় যারা কায়িনাতের মধ্যে রয়েছে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে যারা রয়েছে ও মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে যত মাখলুকাত সৃস্টি করা হয়েছে, যা করেছেন মহান আল্লাহ পাক, যা করবেন সকলের জন্যেই ফরয-ওয়াজিব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তা’যীমার্থে সেই দিন, সেই বার, সেই তারিখকে সম্মান-উজ্জত করা। এটা মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ।
কাজেই, যারা এখন বলবে, দু’ ঈদ ছাড়া কোন ঈদ নেই। তারা মুসলমান থেকে খারিজ। আর যারা বলবে, এই ঈদে মীলাদুন্্ নবী হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তা’যীম-তাকরীম করা জায়িয নেই, বিদ্্য়াত, শিরক। তারাও মুশরিকের অন্তর্ভুক্ত, কাফিরের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে, ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে। কারণ এটা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফের দ্বারা ছাবিত হয়েছে, এই দিন, এই তারিখ, এই বারকে তা’যীম-তাকরীম করা ফরযে আইন।
হাদীছ শরীফেতো রয়েছে। আকাঈদের কিতাবে রয়েছে-
حُبُّ الصَّحَابَةِ إِيمَانٌ، حُبُّ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ إِيمَانٌ
বুখারী শরীফে রয়েছে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের মহব্বত ঈমান। জুযয়ে ঈমান। হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম, হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাদের মহব্বত হচ্ছে জুযয়ে ঈমান। উনারা ছাহাবী হলেন কি করে? উনাদেরকে মহব্বত করলে ঈমান হবে। মহব্বত না করলে কাফির হয়ে যেতে হবে।
কেন হতে হবে? যেহেতু উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছাহাবী। এটাই যদি হয়ে থাকে তাহলে যার জন্য উনারা ঈমানের কারণ হলেন, তাহলে উনার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো কেউ যদি মহব্বত না করে, তা’যীম-তাকরীম না করে তাহলে, সে কি করে ঈমানদার হতে পারে? কস্মিনকালেও সে ঈমানদার হতে পারবে না। এটা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা, ক্বিয়াসের কথা।
কাজেই, খুব সাবধান থাকতে হবে। কাজেই খুব সাবধান থাকতে হবে। যেন মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে যথাযথভাবে পবিত্র ঈদে আ’যম শরীফ, পবিত্র ঈদে আকবর শরীফ, পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ এই দিনের তা’যীম-তাকরীম করার তাওফীক দান করেন। ইজ্জত-সম্মান রক্ষা করার তাওফীক দান করেন। এর হুরমত রক্ষা করার তাওফীক দান করেন। আমরা যেন যথাযথ করতে পারি।
আর এরপর যদি আমাদের অজান্তে কিছু ভুল-ত্রুটি হয়ে যায় আমরা লক্ষ-কোটি বার মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করব। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে ক্ষমা প্রর্থনা করব। যাতে আমাদের এই ভুল-ত্রুটি মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ক্ষমা করে দেন। কারণ, এর মধ্যে সামান্যতম ইহানত করলেই সে কাট্টা কাফির, চিরজাহান্নামী হয়ে যাবে।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পর্দা পালন করা নারী-পুরুষ সকলের জন্যই শান্তি ও পবিত্রতা হাছিলের কারণ
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার উপদেশ মুবারক
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
তিতির পাখির উপদেশ: একটি শিক্ষণীয় ঘটনা
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আক্বীদা বিশুদ্ধ রাখার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সশব্দে বা জোরে আমীন না বলা
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ শরীয়তসম্মত, নিখুঁত, ব্যবহারে সহজ এবং রহমত, বরকত, সাকীনা লাভের কারণ (৮)
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সর্বাবস্থায় যাঁরা দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি দৃঢ়চিত্ত থাকেন উনারাই হক্কানী আলেম
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












